Please share-

নির্দষ্ট অংশ পড়তে ঐ ক্রমিকের উপর ক্লিক করুন অথবা পড়া চালিয়ে যান-

 বর্তমানে আমার ১ জন স্ত্রী রয়েছে। তার নাম, সালমা আক্তার। আমাদের ১ ছেলে ও ৩ মেয়ে সহ মোট ৬ জনের পরিবার।

১। আপডেট নিউজের ভূমিকা:

আমি জানি আমার এ আপডেট নিউজে আপনাদের অনেকের হয়তো ঘুম নষ্ট হয়ে যাবে, কলিজায় কামড পড়বে; যদি না আমি আপনাদেরকে আমার নিয়্যাতের এ পরিবর্তনগত বিষয়টি না জানিয়ে দিই; বিশেষ করে আমার …। কারণ আমার জ্বীন প্রতিনিয়তই আমার হ্নদয়ে বা নিয়তে কী এসেছে বা কী পরিবর্তন হয়েছে, তা মুহূর্তের মধ্যেই মানুষকে জানাতে থাকে। সে নিয়্যাতের বাস্তবায়ন যদি আমি শেষ বয়সেও নিই; তবুও!!

এখন জ্বীন হয়তো প্রকাশ করছে, আমি বিয়ে করবো। তাহলে আমার….(আত্মীয়দের বিরুদ্ধে আমি আর কিছু লিখবো না!!!)।

এখন যখন বিয়ের বিষয়ে আপডেট নিয়ত করেছি এবং তা জ্বীনদ্বারা পাবলিস্ট হওয়ার কারণে, শিশু-বৃদ্ধ, নারী-পুরুষ থেকে সবাই  আমাকে আবার নাজেহাল করে ছাড়ছে। যেহেতু মুখে বুঝাতেও পারছিনা বিষয়টি; আর নাজেহাল হওয়া হতেও হয়তো মুক্তি পাচ্ছি না বা পাবো না; তাই তড়ি-ঘড়ি করে মানুষের জানতে চাওয়ার এ বিশেষ বিষয়টিকে আমার ওয়েবসাইটে এ বিষয়ক আপডেট সহ পূন: প্রকাশ করলাম।

এ বিষয়ে পূর্বে প্রকাশিত বিষয়টি শুধুমাত্র আমার ফেসবুক প্রোফাইলেই ছিলো। ইচ্ছে করলে আপনারা পূর্বোক্ত সে পোস্টটি     এখানে ক্লিক করে     ও আপনার ফেসবুকে লগইন করে ফেসবুক থেকে পড়তে পারেন। অথবা নিম্নে উল্লেখিত এ পোস্ট থেকেও পড়তে পারেন (৭ নং ক্রমিক থেকে)।

এখন শুনুন নিম্নে উল্লেখিত বিয়ের বিষয়ে আমার পূর্বোক্ত সীদ্ধান্তের বাহিরে, আমার বর্তমানকার আপড়েট নিয়্যাত কী?

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

২। বিয়ের বিষয়ে আমার আপডেট নিউজ বা এ বিষয়ে আমার নিয়্যাত কী:

আমার এ বন্ধন ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার সময় একটা নিয়্যাত এ ছিলো যে, শুধূ এ সংস্থার ফাউন্ডেশন অফিস রুমটিই এবং এর শুধু দু’টি ফান্ডই হযরত ঈমাম মাহদী (আ:) ও হযরত ঈশা (আ:) এঁদের ২ জনের জন্য থাকবে। যা আপনারা  এখানে ক্লিক করে এ ফাউন্ডেশন কর্তৃক আরম্ভকৃত ও বর্তমানে বন্ধকৃত বন্ধন সমিতির এ গঠনতন্ত্রের সমাজসেবা বিভাগ থেকে জেনে নিতে পারেন।

আপনারা বুঝতেই পারছেন, আমার এ দূ:সাহসী ও সীমাহীন ত্যাগ স্বীকারের এ কর্ম সমূহের একটি মূল এ ছিলো যে, মহান রবের নিকট হযরত ঈমাম মাহদী (আ:) ও হযরত ঈশা (আ:) এঁদের কিছুটা দোয়ার ভাগিদার হবো।

যদিও এ ফাউন্ডেশনের কর্ম উদ্যোগের মধ্যে আমার ফ্রিল্যান্সিং প্রচেষ্টা ছাড়া আর কোন উদ্যোগ বর্তমানে নেই; তবুও এর আরো কিছু উদ্যোগ ভবিষ্যতে আমি প্রকাশ করবো ইনশাআল্লাহ। তবে সবার আগে আমার ঋণ সমূহ; অর্থাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়া সমিতিতে জমাকৃত মানুষের আমানত সমূহ সম্পূর্ণ ফেরত দেয়ার পরে একটি অর্থনৈতিক ভাল অবস্থান সৃষ্টি হলে, তাহলে আমি আমার ব্যক্তিগত এ ফাউন্ডেশনের একটি স্ট্র্যাকচার প্রকাশ করবো এবং সরকারি রেজিস্ট্রেশন নিবো ইনশা’আল্লাহ। অন্যদিকে আমার ঋণ বা পাবলিকের আমানত ফেরত দেয়ার আগে এ প্রতিষ্ঠান হতে বড় ধরনের কোন উদ্যোগই আর নেয়া হবে না।

তবে যেহেতু আমি হযরত ঈমাম মাহাদী (আ:) এঁর জন্য এতোটাই আন্তরিক, ত্যাগী ও সহ্যশীল; যা আপনারা বুঝতেই পারছেন। কারণ বর্তমান বিশ্বের এতোগুলো আলেম-উলামাকে ডিঙ্গীয়ে আমি অনেকটা একক ভাবে তাঁদের জন্য সম্পদ রেখে যাওয়ার বা জমা করার প্রচেষ্টা করেছিলাম। এবং তাই ঈমাম মাহ্দী (আ:) আমার বংশে আসবেন, এ বিষয়টি মহান আল্লাহু তা’য়ালার নিকট দোয়া করা, ইহা আমার জন্য একবারেই স্বাভাবিক হবে। সেই হেতু মহান রবের নিকট আমি একান্তই প্রার্থনা করতে চাই যে, হযরত ঈমাম মাহাদী (আ:) আমার বংশে আসবে।

অন্যদিকে হযরত ঈমাম মাহাদী (আ:) সৈয়দ বংশে আসতে পারে এটা অনেকটা নিশ্চিত। আবার আপনারা ইতিমধ্যে জেনেছেন, আমি আমার মায়ের দিক থেকে সৈয়দ বংশীয়। এখন কথা হলো আমার স্ত্রী যদি সৈয়দ বংশীয় না হন, তাহলে হযরত ইমাম মাহদী (আ:) আমার বংশে আসবেন, এ বিষয়টি অনেকটা আশাহত বা সম্ভাবনা হীন বা ক্ষীণ হয়ে গেলো না?

বলুন, আমার জীবনের এতো যুদ্ধ, এতো ত্যাগ, এতো এতো অত্যাচার-অবিচার সহ্য করার পরেও, আবার অন্যদিকে আরেকটি মহা মূল্যবান ও পূর্ণ্যময় কার্জে রাজি থাকাতে, এরপরও কেন একটা ভালো কাজের জন্য আপনাদের সকলের এতো থ্রেডের এবং এতো অবিচারের শীকার হবো?

বলুন, আমি যে এতোদিন আপনাদের অনেকের নিকট অত্যাচারিত হয়েছি, এটা কি আপনাদের নিকট জায়েজ হয়েছিলো? আবার এখন যখন আমি আমার এক মহতি উদ্যোগকে সামনে রেখে আমার জ্বীনের প্ররোচণায় এ বিষয়টিতে রাজী হলাম, তখন আমি কী অন্যায় করলাম যে, মসজিদ থেকে আপনারা আমার ছাতা লুকিয়ে ফেলবেন? (অনুমান, সত্য হতে পারে, আবার নাও হতে পারে) বা এ কারণে আমাকে থ্রেড বা ধমক খেতে হবে?.. (আত্মীয়দের বিরুদ্ধে আমি আর কিছু লিখবো না!!!) বা আমাকে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হতে হবে?

কিন্তু কেন?

এর খুব সহজ উত্তর। কারণ আমরা, মানে এ সমাজের মানুষগুলো আজ কেউই হয়তো সহীহ্ ইসলামে নেই। যার জন্যে আমাদের মসজিদেও আজ নামাজ বা আল্লাহু তা’য়ালাকে বাদ দিয়ে জ্বীন মানে আমাকে নিয়েই প্রায় সকল মুসল্লিই হাঁছি, কাশি ইত্যাদির মাধ্যমে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে।

আবার বলুন, আমার বিয়ে করতে চাওয়া এবং আপনাদের বিয়ে করতে চাওয়া কি সমান?

এই, আমি কী কোন রং-রুপ অথবা গৌরবের জন্য বিয়ে করতে চেয়েছি? না, এর মাধ্যমে মানসিক বা শারীরীক চাহিদা বা শান্তি বা আনন্দ উপভোগ করবো; এ জন্য চেয়েছি?

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

৩। আপডেট নিউজ বা নিয়্যাতের সারাংস:

আমার ফাইনালি ইচ্ছা এই যে, যেহেতু হযরত ঈমাম মাহাদীকে (আ:) আমার বংশ থেকে প্রার্থনা করি এবং যেহেতু শুধুমাত্র সৈয়দ বংশ থেকেই তিনি আগমিত হতে পারেন; আবার যেহেতু আমার বর্তমান স্ত্রী সৈয়দ বংশ হওয়ার বিষয়ে কোন সম্ভাবনা দেখতে পাইনি; আর তাই সৈয়দ বংশ থেকে আমার একজন সঙ্গীনী প্রয়োজন। অতএব আপনারা বুঝতেই পারছেন যে, আমার হবু স্ত্রীকে হতে হবে শুধুমাত্র সৈয়দ বংশের।

তাই, আপনাদের মা বোনদেরকে এ বলে সতর্ক করা হচ্ছে যে, যদি আমাকে রং-রুপ বা বিভিন্ন অঙ্গভঙ্গি দেখিয়ে বা হরেক রকমের ভাষা প্রয়োগ করে, আমাকে মানসিক ভাবে কষ্ট দাও বা দিতে চেষ্টা কর বা এ ধরনের গর্হিত কাজে নিয়্যাত কর; তবে তোমাদের এ ধরনের কার্জকলাপকারীণীদের উপর মহান রবের প্রতি আমার অনুরোধ থাকবে এই যে, সমস্ত ফেরেশতা কূলের এবং জ্বীন ও ইনসানের লানত বর্ষিত হোক এবং পুরুষদের উপরও যারা এ বিষয়ে আমাকে কষ্ট দেয় বিভিন্ন ভাবে তাদের উপরও।

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

৪। মসজিদ থেকে আমার ছাতা হারানোর বিষয়ে কিছু প্রশ্ন:

এক্ষণে অত্র এলাকার পুরুষ ও নারীদের পক্ষ থেকে যে কেউ অথবা একযোগে উত্তর করবে, তিতারকান্দি জামে মসজিদ থেকে জুমার নামাজের সময় আমার ছাতা কে লুকিয়েছে? যদি লুকাও, তবে কেন লুকিয়েছ?

তাহলে বল-

১। আমার ছাতা খোঁজার সময় আপনাদের এতো জোরে শব্দ হলো কেন? আমার ছাতা খোঁজার সাথে, আমার দিকে লক্ষ্য করে এতো জোরে আমাকে ভয় দেখানোর উদ্দেশ্যে শব্দ উৎপত্তির কারণ কী ছিলো?

দেখুন, এটা আমার বাড়ি ছিলো না যে, অতি ভয় দেখিয়ে বা অতি মুহাব্বত দেখিয়ে আমার নিকট থেকে সত্য গোপন করবেন।

২। বাজারে যাওয়ার সময়, আমার এক প্রতিবেশী ভাইকে যখন বিষয়টি বললাম, তিনি বললেন, মসজিদে হয়তো কোথাও আছে। তার কথার মধ্যে আমি সান্তনার বাণী দেখতে পেলাম। ফলে আমার সন্দেহ আরো ঘনীভূত হলো।

৩। বিষয়টি যখন আরো একজন মুরুব্বি ভাইকে বললাম, তিনি সরাসরি এর উত্তর না দিয়ে, বললেন, ছোট একটি রেখে গেছেতো! ফলে আমার সন্দেহ যেন প্রায় সত্যের দ্বার প্রান্তের দিকে এগুতে লাগলো।

৩। বাড়িতে আসার পর …..এখন ছাতা কোথায় পাবেন? …..মাদ্রাসায় কিভাবে যাবো? এখন বৃষ্টির দিন?… (আত্মীয়দের বিরুদ্ধে আমি আর কিছু লিখবো না!!!)

আমি বলেছি মাদ্রাসায় যাবে না।

আর বলেছিলাম এ জন্য যে, আমাকে নিয়ে গায়েব পরীক্ষা কেন শুরু হলো। আমার ছেলে-মেয়েদেরকে মাদ্রাসায় পড়াচ্ছি। জ্বীন কি গায়েব জানে? এ বিষয়ে ভ্রান্ত কোন মতবাদ মাথায় ঢুকে যাক, তা কি কোন অভিভাবক চাইবে? তাহলে কেন এই গ্রাম্য সাধারণ লেভেলে আমার উপর এ পরীক্ষা গুলো চলছে? এতে তো হীতে বিপরীতই হলো। কারণ আমি তো সাথে সাথে বিয়ে করার বিষয়ে অটল হয়ে গেছি। কারণ এ সিদ্ধান্তটি হযরত ঈমাম মাহাদী (আ:) এঁর সাথে সম্পর্কিত।

এবার হয়তোবা আমার মা কষ্ট করবে এবং মায়ের দিক থেকে আমাকে হয়তোবা আরো কষ্ট সহ্য করতে হবে?

এ প্রসঙ্গে আপনাদেরকে একটা বিষয় জানাই, যেহেতু গরু ঘরের কাজ গরু ঘরে হয়, ক্রিমিনালের কাজ হয়তো কোন অন্ধকারে; আর মসজিদের কাজ মসজিদে। একই মানুষের এ ৩ জায়গার এক্টিভিটিজ সমান থাকেনা। তাই আমিও গত ২/১ দিন আগে ব্যাংকে যেমন স্পষ্ট প্রকাশিত হয়েছিলাম এবং ২/১টি অটো কারেকশান করেছিও; এখানে এ গ্রাম্য পরিবেশে ইহা আমার দ্বারা কখনোই সম্ভব হবে না। হয়তো আমার জ্বীন সদস্যরা বাহিরে রয়েছে, কিন্তু তবুও আমি এখানে এ ধরনের কোন কাজ করতে পারবো না; তাই যদি কেউ আমার ছাতাটি লুকিয়ে ফেলেন (এখন বৃষ্টির দিন ও যে উদ্দেশ্যেই হোক), দয়া করে ছাতাটি মসজিদে ফেরত দিয়েন।

এখন কথা হলো একটা ছাতাও ঘরে নেই, কেনার মতো পয়সাও আমার কাছে নেই; এমতাবস্থায় আমার বাচ্চাদের লেখাপড়া থেকে শুরু করে বিভিন্ন কাজ কর্মের এ কষ্ট কি আপনারা সইবেন?

মনেরাইখেন নিউটনের সূত্র কিন্তু বিলুপ্ত বা বিকৃত হবে না হয়তো; যদিও হাদিস শরীপকে আজ বিকৃত বা জাল করা সম্ভব হয়েছে।

আসুন, এবার উত্তর দিবেন আমার আরেকটি বিয়ে করার সিদ্ধান্তের সাথে ছাতা লুকানো বা বিভিন্ন ছলনা মার্কা ব্যবহার গুলোর সাথে আপনাদের সম্পর্ক কী বা কোথায়?

প্রথমে বলুন, ছাতাটি কিসের তৈরী ছিলো? আমিতো এখানে গাছ আর কাপড়, আর সামান্য কয়েকটি শিক বা আনুসাঙ্গিক অল্প কিছু ছাড়া আর কিছু দেখতে পাইনি।

যেহেতু আপনাদের এ ধরনের কৌশল দ্বারা, যদি কেউ কষ্টে নিপতিত হয়, যেমন আমি হয়েছি; আর আপনাদের জ্ঞান বেশি (?) হওয়ার কারণে আপনাদের পক্ষ থেকে আমার একটা পারিবারিক দল ও সমর্থককে উপমা হিসেবে ব্যবহার করেছেন এ ছাতা ডিভাইসটি; আর বর্তমানে এ ধরনের উপমা গুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রিই শয়তানি কর্মকান্ডে বেশি ব্যবহ্নত হয়; তাই আপনাদের প্রায় সবাইকেই (যারা এর সাথে জড়িত) আমি ক্রিমিনাল হিসেবেই চিহ্নত করে তা ভবিষ্যত রেফারেন্স ও ব্যবহারের উদ্দেশ্যে নলেজ বন্ধী করে রাখলাম। অর্থাৎ আপনাদের সামনে যদি কোন ধরনের অকারেন্স ঘটে ও এতে আপনাদের সম্পৃক্ততা দেখতে পাই, তাহলে আমি আপনাদেরকে সেই অকারেন্সের ঘাতক হিসেবে নেগেটিভ সূচকেই বিবেচিত করবো।

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

৫। আমার অন্যত্র যাওয়া ও আমার বিয়ের বিষয়ে কিছু প্রশ্ন:

গত জুমার দিনে (৪/৮/২৩) মসজিদের ডানদিকে বসা ছিলাম; কিন্তু উঠে সোজা বাম দিকে গিয়ে বসি। এ বিষয়ে আর কোন কিছু না বলে সরাসরি আমি প্রশ্ন করতে চাই-

১। বলুন, মূলত আমি কোথায় যেতে চাচ্ছি? এ বিষয়ে আমার জ্বীন আপনাদেরকে কী বুঝিয়েছে? আমি নিজেও জুমার নামাজে বসার সময় দক্ষিণ সাইড থেকে, মসজিদের উত্তর সাইডে গিয়ে বসেছিলাম। আর আপনারা বুঝলেন হয়তো, আমি আরেক বিয়ে করবো, এ জন্য বা অন্য কোন কাজে অন্যত্র চলে যাবো এসব; তাইনা? না হয় আমার ছাতা কেন হারালাম? হারিয়েছি? না আপনাদের কেউ লুকিয়েছেন? যাক, বিষয়টি সত্য হতে পারে ; আবার নাও হতে পারে। যদি সত্য না হয়, তাহলে মাফ করে দিয়েন। আমার এ অবস্থায় মেজাজ ঠিক রাখাই অনেকটা কষ্টের। কারণ ঘরে খাদ্য নেই, পকেটে পয়সা নেই, ছেলে-মেয়েদের লেখাপড়ার কোন ব্যবস্থা নেই, আরেক বিয়ে করার কথা অনুমান করে সংসারে শান্তি টাও নেই এবং সর্বোপরি আমি ও আমার পুরো সংসার ব্যাপী জ্বীন জাতির অবস্থান ও তাদের কার্যক্রম পরিচালনায় রত আছেন তারা ।

আমি আসলে অন্যত্র যেতে চেয়েছিলাম; এর মানে হচ্ছে, ফেসবুকে একটা এড দেখলাম যে, পশ্চিম ফেনী জেলার পশ্চিম  ছিলোনিয়ার একটা মসজিদে মুয়াজ্জিন প্রয়োজন। মসজিদটা জামাতে ইসলাম কর্তৃক পরিচালিত বলে মনে হলো। আমিও খুশি হলাম। যেহেতু আমি স্কুল-কলেজে পড়েছি। আর স্কুল-কলেজে পড়ে ইমাম-মুয়াজ্জিন হওয়া, এটা বাংলাদেশের মধ্যে একমাত্র জামাতে ইসলামীই সাপোর্ট করবে। যেহেতু  জামাতে ইসলামী ছাড়া আর কোন দলে কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া আর কোন ধর্মীয ব্যক্তিত্ত্বের উপস্থিতি নেই। তাই আমার জ্বীনও মনে হয় তাদেরকেই দেখিয়ে দিচ্ছে। যদিও আমি শুধু একটি দল কখনোই সাপোর্ট করি না। আমি সব মানুষের এবং সকল দলের। যা ইতিপূর্বে আমার অন্য প্রবন্ধে প্রকাশ করেছি। আর মসজিদের দক্ষিণ দিক থেকে উত্তর দিকে যাওয়ার অর্থ ছিলো; ঐ খানে আমার পাশে যিনি বসেছিলেন; তিনি আমার শ্রদ্ধেয় ব্যক্তিত্ব ছিলেন; কিন্তু আমার কাছে তিনি অনেকগুলো টাকা পাবেন। ফলে মানসিক ভাবে দগ্ধ হবো বা এ কারণে মানসিকতার বিকৃত ভাব প্রকাশিত হওয়ার ভয়ে এবং এমনিতেই আমার কাছে জ্বীন থাকায়, মুসল্লিরা আমাকে নিয়েই ব্যস্ত থাকে; এবং ঐ বামদিকে মসজিদের সবচাইতে একজন বয়োজৈষ্ঠ মুসল্লি হয়তো বসতে পারেন, এ আশায় আমি তার সাথে বসতে বাম দিকে চলে যাই। এখন বলুন, এ বিষয়টিতে কে কী বুঝতে পেরেছেন? তাহলে শুধু অনুমান-ধারনা করে আমাকে যে আজ প্রায় ২২টি বছর আপনারা সবাই মিলে যে কষ্ট দিচ্ছেন, এটা কি ভালো করতেছেন?

২। এবার বলবেন, ইসলাম কয়টি বিয়ে জায়েজ করেছে? ৪টি, তাই না? এখন কোন মুমেন নামাজি ব্যক্তি যদি একাধিক বিয়ে করতে চায়, তাহলে আপনাদের এতো সমস্যা কোথায়? প্রতিবারই আমাকে এ পয়েন্টে এসে কষ্ট দেন; এর মানেটা কী?

কেন আপনারা একাধিক বিয়েতে রাজি না (?), এ বিষয়টি অবশ্যই কমেন্টস সেকশনে লিখবেন। আপনারা দারিদ্রতার ভয়ে নিষেধ করছেন (?); না আপনাদের বা আমার ঈমানের দূর্বলতার কারণে নিষেধ করছেন (?); না আপনারা আসলে বোকা (কারণ একাধিক বিয়ে যারা করে তারা আসলে জ্ঞানী হয়); তা আমি দেখবো।

আমার মনে হয়, আসলে আপনারা আপনাদের নিজেদের জ্ঞানের স্বল্পতা এবং ঈমানের দূর্বলতা ও পাপ-পঙ্কিলতা হতে সৃষ্ট মানসিকতা থেকেই নিষেধ করছেন।

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

৬। আমার বিয়ের বিষয়ে কিছু রিকোয়ারমেন্ট:

বিয়ে করার বিষয়ে ফেসবুকে প্রকাশিত আমার পুর্বোক্ত রিকোয়ারমেন্ট বাতিল ঘোষণা করে অদ্য ০৪/০৮/২০২৩ ইং তারিখ থেকে নিম্নে উল্লেখিত এ রিকোয়ারমেন্টটি বলবৎ ঘোষণা করলাম এবং এ রিকোয়ার মেন্টটি আর বাতিল করা হবে না বলেও ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা প্রতিশ্রুতি প্রদান করলাম।

রিকোরয়ারমেন্টটি নিম্নরুপ-

১। আপনারা জানেন আমি ঋণগ্রস্থ, এখনো সমিতির আমানতের টাকা আমার কাছে প্রায় ৭/৮ লক্ষ টাকা মানুষ পাবে। অতএব হালাল ইনকাম দ্বারা এ টাকা পরিশোধের আগে এবং উপযুক্ত একটি অর্থনৈতিক পজিশন ব্যতিত আমি কখনোই বিয়ে করবো না। দেইখেন, আমার  … (আত্মীয়দের বিরুদ্ধে আমি আর কিছু লিখবো না!!!)

পক্ষের কিছু লোক এবার আমার ইনকামেও বাধা দিবেন হয়তো!! এমনিতেই পশ্চিম ছিলোনিয়ার মসজিদের ইন্টারভিউ এর জন্য আজান ও কেরাত রেডি করতে পারছি না; যা হয়তো আপনাদের বাধার কারণেই হচ্ছে।

২।  আমার জ্বীন কর্তৃক সাপোর্টকৃত শুধুমাত্র সৈয়দ বংশীয় মেয়েই আমি বিয়ে করবো। অন্যকোন জাত যতই আমির বা ফকির হোক আমি তাদেরকে কখনোই বিয়ে করবো না।

৩। আমি যদি আমার সামর্থ অনুযায়ী সর্বোচ্চ ৪ বিয়ে করতে চাই, তবে এতে কনে বা কনে পক্ষের কোন আপত্তি থাকতে পারবে না।

৪। কোন ধরনের প্রেম-প্রীতি, উঁকি-ঝুঁকি, রং-রুপ এ সবের ধার আমি ধারি না বিধায়, প্লিজ কেউ আমাকে এভাবে প্রেম নিবেদন বা বিব্রত করতে চেষ্টা কিংবা অন্যকোন নেক উদ্দেশ্যে হলেও  এভাবে চেষ্টা করবেন না।

(আমাকে রাগ কিংবা ভয় দেখিয়ে বা অপমাণ করেও কোন কিছু পাবেন না হয়তো। কারণ এ অবস্থাগুলো আমার একেবারেই পছন্দ নয় বিধায়, এ সব পন্থায় আমি হয়তো আপনাদেরকেই বুঝতে পারবো না। ফলে উল্টা বুঝে হয়তো আমার মাথাই নষ্ট হয়ে যাবে। নরমালি কোন ধরনের উপমা বিহীন আপনাদের মূল কথাটা বললে, ইনশা’আল্লাহ হয়তো অন্যদের তুলনায় আমি খুব সহজে বিষয়টি বুঝে যাবো ও আপনার জানতে চাওয়া বিষয়টির উত্তরও তাৎক্ষণিক ভাবে হয়তো দিয়ে দিতে পারবো ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা।)

৫। আমার ঋণ সম্পূর্ণ পরিশোধ করতে পারলে, তারপর ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা এ বিষয়ে বাকি অন্যান্য রিকোয়ারমেন্ট সমূহ প্রকাশ করা হবে।

৬। সুতরাং ঋণ বা আমানত পরিশোধিত হওয়ার আগ পর্যন্ত, আমার জ্বীন যাই বলুক বা যাই আপনাদেরকে বুঝাক বা আপনারা যদি ভুলও বুঝেন; তবে আমাকে এ বিষয়ে কিছু বলে আর কষ্ট না দেয়ার জন্য আপনাদের সকলের প্রতি অনুরোধ করা হলো।

৭। ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা যেহেতু আমার অঙ্গীকার বাস্তবায়নে মুখের বা লিখিত অঙ্গীকারের মধ্যে কোনই পার্থক্য নাই; তাই আশা করি আপনারা আমার উপরোক্ত সিদ্ধান্তকে পজিটিভলি নিয়ে, আমায় একটু প্রশান্তি প্রদান করবেন। এবং

৮। মহান আল্লাহু তা’য়ালার অশেষ রহমতে যদি উপর্যুক্ত রিকোয়ারমেন্ট পূর্ণ হয়, তবে পরবর্তীতে দয়াকরে আমার স্ত্রী সহ আমাকে আর কেউই এ বিষয়ে নিষেধ করবেন না।

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

৭। এ বিষয়ে ফেসবুকে প্রকাশিত পূর্বোক্ত নিউজের ভূমিকা:

বন্ধুরা, তোমাদেরকে আমার মানসিক অবস্থার আরো একটি দিক সম্পর্কে আজকে অবহিত করতে যাচ্ছি।

না হয়, আমার কাছ থেকে আমার এ বৈশিষ্ট্যটি জানতে চেয়ে চেয়ে তোমরা আমাকে একেবারে হয়রান করে ফেলবে হয়তো।

আশা করি তোমরা আমাকে আমার এ কারেক্টারে পজিটিভ হিসেবে বিবেচনা করবে।

তোমরা ইতিমধ্যে দেখতে পেয়েছ, জ্বীন জাতিদের একজনকি অগণিত সংখ্যক তাদের সমস্ত নেটওয়ার্ক সহ আমার শরীরে প্রতিভাত হচ্ছে বা হয়েছে। ঠিক তাদের কতজন আমার শরীরে অবস্থান করছে বা করে বা করতে চলেছে, তার সঠিক হিসাব আমার নিজেরও অজানা।

তো প্রতিবারই তারা যখন আমার শরীরে প্রতিভাত হয়, বিশেষ করে রমজান মাসে, তখন আমার স্ত্রী সহ সবাই আমায় একেবারে কোনঠাসা করে ফেলে এ বিষয়ে আমার বৈশিষ্ট্যটি কী তা জানতে বা বুঝতে চেয়ে।

তো শুন অন্যান্য দরকারি কাজ বাদ দিয়ে আজকে আমি খোলামেলাই বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করছি ও তোমাদেরকে এ বিষয়ে সময় দিচ্ছি; যেন তোমরা বিষয়টি বুঝতে পার।

বিষয়টি হচ্ছে মূলত বিয়ে নিয়ে। অর্থাৎ আমি বিয়ে করতে চাই কিনা? বা রাজি কিনা? অথবা যেহেতু আমি জ্বীনমানব; তাই এ বিষয়ে আমার মানসিক অবস্থা কী রকম?

৮। বিয়ের বিষয়ে ফেসবুকে প্রকাশিত আমার পূর্বোক্ত পোস্টে উল্লেখিত মুসলমানদের ধারণা:

আচ্ছা তোমরা কেমন মুসলমান, আমি বুঝতে পারি না। ইসলামের কিছু হুকুমকে তোমরা মান বা মানতে চাও; আর কিছু হুকুমকে অপর কেউ মানে কিনা, সে বিষয়টিতে পর্যন্ত বেড সন্দেহ কর!!

ইসলামে ৪ বিয়ে বিষয়টিও আসলে এ রকমই একটি বিষয় বলেই আমি বুঝতে পেরেছি।

তাই প্রথমে আমার সম্মানিত মা বোনদের নিকট জানতে চাচ্ছি, ধরুন আপনার স্বামী ৪ বিয়ে করতে চাচ্ছে, আপনি কি রাজী?

রাজী গিয়ে দূরে থাক, আপনার কলিজাতেই হয়তো কামড পড়েছে, তাইনা?
তারমানে, যে কারণেই হোক না কেন, ইসলামের এ হুকুম খানি আপনি মানতে নারাজ।

একই ভাবে ভদ্র পুরুষেরাও হয়তো একাধিক বিয়েতে রাজি নয়।

কিন্তু কেন আপনি আর আমি এ বিষয়টিতে সম্মত নই? এক এক জনের এক এক ভাবনা।

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

৯। পূর্বোক্ত পোস্টে প্রকাশিত এ বিষয়ে আমি কেন রাজি হচ্ছিলাম না:

তবে আমি যে জন্য একাধিক বিয়েতে রাজি হচ্ছি না; তা হয়তো আপনাদের সাথে মিলবে না।

শ্রেষ্ঠ ইবাদততো নামাজ বা নামাজের মতো নামাজ, তাইনা? এ নামাজের মতো নামাজের সংজ্ঞা আজকে আমি দিতে পারবো না!!!

আল্লাহ মানুষকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য; তাহলে আমি কেন ইবাদত করবো না?

তোমরা জানো একজন হাফেজ তার সুপারিশের মাধ্যমে এমন ১০ জনকে জান্নাতে নিতে পারে, যাদের জন্য দোযখ অবধারিত ছিল।

এছাড়া মানুষের হাজত পূরণ করলে ১০ বছর মসজিদে নববীতে ইবাদত করার চাইতেও তা অতি উত্তম হবে।
আবার ইসলামের দাওয়াত দেয়া হচ্ছে নবী ওয়ালা কাজ। যারা এ কাজ করেন তারা শ্রেষ্ঠ মানুষ।

আসলে এখন এতো অংক করে তোমাদের চোখে আঙুল দিয়ে বোঝানোর সময় সুযোগ আমার হাতে নেই যে, কিভাবে তাহলে নামাজ শ্রেষ্ঠ ইবাদত?

শুধু শুনে রাখ, নামাজ সমস্ত ইবাদতের সার নির্জ্জাস; মানে সারাংশ।

আর তাই বিয়ে না করে শুধুই নামাজ পড়ে (প্রাসঙ্গিক অন্যান্য ইবাদত সহ, যেহেতু আমিতো অলরেডি ১টি বিয়ে করেছি) মহান রবকে সন্তুষ্ট করার প্রচেষ্টা চালানো, ইহা কেন অযৌক্তিক হবে বল?

কিন্তু যদিও আমি বিয়ে করতে ইচ্ছুক নই; তথাপি বিষয়টিতো আর নাজায়েজ কিছু নয়। তাই অন্তর থেকে বিষয়টি নেগেটিভ ভাবার কোনো সুযোগই আমার নেই। আর আমার মানসিক সাইডের এই পজিটিভ অবস্থাটি যখনই আমার জ্বীন, মানুষের সামনে ওপেন করে তখন মানুষ গুলো সঠিক বিষয়টি না বুঝতে পেরে, প্রায় সব গুলো মানুষের চরিত্র অনুযায়ী আমাকে আঘাতে আঘাতে জর্জরিত করে তুলে।

ওগো বন্ধু, আজ যদি গরিব না হতাম, তাহলে হয়তো এভাবে ধৈর্য ধরে থাকতেও পারতাম না হয়তো। এবং তখন হয়তো বিয়ে করাটাই আমার জন্য উত্তম হয়ে যেতো। কিন্তু এ মানসিক অবস্থা গুলোতো আর ডিলিট করতে পারিনা।

কিন্তু আজ এতো বছর পর, (কারণ যখনই জ্বীন প্রতিভাত হয়েছে, তখনই এ বিষয়টি নিয়ে আমি পজিটিভ এবং নেগেটিভ, এ উভয় ভাবে কষ্ট পেয়েছি) আমি বিয়ে করবো না, সে জন্য কিন্তু আমি এ পোস্ট দিই নাই।

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

১০। পূর্বোক্ত পোস্টে প্রকাশিত এ বিষয়ে আমি কেন পুনরায় রাজি হলাম:

হ্যাঁ, এখন আমি বিয়ে করবো, এ বিষয়ে অনেকটা ভংঙ্গুর আমি; অর্থাৎ আমি রাজি।

কিন্তু কেন? দেখ, আজ প্রায় ২২ বছর একটা ভালো চাকুরি বা ব্যবসার অভাবে এবং পরোক্ষভাবে লোকবলের অভাবে আমার মুখের ভাষা ফুটছে না। পরের উপর নির্ভরশীল হয়ে শত রকমের ক্ষত নিয়ে আমি সোজা হয়ে দাঁড়াতে পারছি না। ফলে জ্বীন প্রকাশিত হতে পারছে না। জ্বীন দূর্বল পজিশন থেকে প্রকাশিত হবে না হয়তো, যা আমি বুঝতে পেরেছি।

এমতাবস্থায় আমার টাকা প্রয়োজন।

ইসলামের শুরুতে খাদিজা (রা:) আনহার দিকে খেয়াল করলেও বিষয়টিকে অবৈধ বিবেচনা করার কোন সুযোগ নেই।

তবে যদিও আমি রাজি, তবুও কেন যেন আমার মন চায় না। এবং যদি আমি ভালো ইনকাম করতে পারি তবে বিষয়টিকে আমি সরাসরি নাকচ করে দিবো।

মূলত আমার প্রয়োজন হালাল ইনকাম।

এখন বিয়ের যে বিষয়টি বললাম, সেটি যদি বাংলাদেশের বাহিরে অন্য কোন দেশের কোটি পতি অথবা রাজ পরিবার হয়, যে বা যারা অকাতরে শুধু আল্লাহর জন্য তথা জ্বীন প্রমাণে, অর্থ ব্যয় করবে ও চেষ্টা করবে এবং যেখানে আমার থাকবে পূর্ণ স্বাধীনতা ও সম্মান, এ রকম স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও আমি বিয়ে করতে কিছুতেই রাজি না। এবং বাংলাদেশের ভিতরেতো কিছুতেই এবং ঘূর্ণাক্ষরেও আমি রাজি না। কারণ এখানে রয়েছে প্রথমা স্ত্রীর অনুমোদন, ১৮ বছরের পূর্ণতা এবং একই সম্প্রদায়ের একটা লোভ আর স্বার্থপরতার কতগুলো বাধা। যে বিষয়ে পরে আমি অন্য কন্টেন্ট দিবো। আবার শুধু শুধু বিয়ে আমার প্রয়োজন নেই। আমার মূল বিষয় হচ্ছে পৃথিবীতে জ্বীন রয়েছে এবং আমি একজন জ্বীনমানব। এ বিষয়ে আল কোরআন সত্য বলেছে এবং বিজ্ঞানের তথ্য ভূল প্রমাণিত হয়েছে। আমার এ মূল বিষয়টি যদি কোন রাজ পরিবারও মানতে রাজি না হয়, তাহলেও আমি এ ধরনের বিয়েতে রাজি নই।

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

১১। পূর্বোক্ত পোস্টের পরিশেষ:

তাই বিয়ে নয়, ভালো কোন চাকুরি কিংবা ভালো কোন ইনকামের ব্যবস্থা যদি হয়, তবেই হবো ধন্য।

আশা করি তোমরা আমাকে পজিটিভলি নিবে। বিয়ে বিয়ে বিয়ে জানতে চেয়ে আমাকে আর জ্বালাবে না। ধন্যবাদ সবাইকে। সবাই ভালো থেকো। আল্লাহ্ হাফেজ।

(আমার বিয়ে প্রসঙ্গে আপডেট নিউজ, পোস্টটিতে কমেন্টস করা যেতে পারে।)

১২। সমাপ্তি:

কোন একটি বিষয় পুরোপুরি না জেনে, কাউকে কোন ধরনের মন্তব্য করবেন না এবং এ ধরনের অনুমান বা ধারণাগত বিষয়কে সত্য মনে করে তা কখনই আমলে পরিণত করবেন না। বিপদ যত বড়ই হোক ধৈর্য ধারণ করুন ও নামাজের মাধ্যমে আল্লাহু তা’য়ালার সহযোগিতা চান।ধন্যবাদ।