Please share-

নির্দিষ্ট অংশ পড়তে ক্লিক করুন অথবা পড়া চালিয়ে যান:

০) প্রবন্ধের নাম:

জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ

১) প্রবন্ধ প্রকাশের তারিখ, প্রবন্ধের প্রকৃতি ও শিরোনাম:

তারিখ:- ৩০ এপ্রিল ২০২৩ খ্রি., রাত ১ টা

প্রবন্ধের প্রকৃতি: আত্মসমালোচনা মূলক

শিরোনাম: জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ

(জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ, পোস্টটি শেয়ারের ও কমেন্টস প্রদানের অনুরোধ রইলো)

২) কী উদ্দেশ্যে প্রবন্ধটি লিখা:

জ্বীনমানবের মা কর্তৃক মানুষ ও জ্বীনের নামকরণ, জ্বীনমানবের মায়ের বংশ পরিচিতি ও জ্বীনমানবের জ্বীনগ্রস্থ সময়ের পরিচয় এবং তার ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পণা সম্পর্কে মানুষদেরকে অবহিত করানোই হচ্ছে আজকের প্রবন্ধের মূল উদ্দেশ্য।

(জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ, পোস্টটি শেয়ারের ও কমেন্টস প্রদানের অনুরোধ রইলো)

৩) এ প্রবন্ধের মাধ্যমে কার বা কাদের উপকার হবে:

আক্ষরিক অর্থে যদিও কোন প্রবন্ধ, এর প্রাবন্ধিকের উপকার বয়ে আনে, তবুও এ প্রবন্ধের যে ফলাফল, তা যদি বাস্তবায়িত করানো যায়, তবে আমি মনেকরি এ প্রবন্ধটি দ্বারা সকল বাংলাদেশি, সকল বাংলা ভাষা-ভাষী এবং পুরো মুসলিম উম্মার উপকার হবে। তাই জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ এ প্রবন্ধটি খুবই গুরুত্ববহ হতে চলেছে। সুতরাং সম্মানিত ভিউয়ারদেরকে এ প্রবন্ধটি মনোযোগ সহকারে পড়ার জন্য একান্তই অনুরোধ করছি।

(জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ, পোস্টটি শেয়ারের ও কমেন্টস প্রদানের অনুরোধ রইলো)

৪) প্রবন্ধের সারমর্ম:

মানবজ্বীনের ব্যক্তিগত ও বংশীয় পরিচয় প্রদান, জ্বীন ও মানবের নাম রাখা এবং তাদের ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পণা মানুষকে জানানোই হচ্ছে আজকের প্রবন্ধের মূলভাব।

(জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ, পোস্টটি শেয়ারের ও কমেন্টস প্রদানের অনুরোধ রইলো)

৫) শর্ট ডেসক্রিপশন:

গত দীর্ঘ ২২ বছর ধরে একজন জ্বীন সদস্য তার গোত্রকে নিয়ে বার বার আমার শরীরে বিশেষ করে প্রতি রমজান মাসে প্রকাশিত হচ্ছে এবং তার এ প্রকাশের প্রস্তুতি মূলক লো প্রকাশ এর আগের ২ মাসেও হালকা ভাবে অনুভূত হতে দেখা যাচ্ছে।  তাকে তাড়াতে গিয়ে আমার ভায়েরা আমার সহায় সম্পত্তি প্রায় সবগুলোই বিক্রি করে ফেলেছে। বর্তমান অবস্থাটি আমার একেবারে যায় যায় অবস্থা!! অর্থনীতি বলতে আমার আর কিছুই নেই। কিন্তু তবুও এ জ্বীনগোত্রটিকে আমার শরীর থেকে কেউ তাড়াতে পারেনি।

অতএব সে যখন যাবে না বা যাচ্ছে না, তখন আমাকেও ভাবতে হচ্ছে যে, আসলে আমাকে নিয়ে তার কোন উদ্দেশ্য আছে কিনা। কারণ সে আমাকে পাগল বানায়নি, বরং ধার্মিক বানিয়েছে। আর কেউ যদি সত্যিই ধার্মিক হয়, তাহলে তার দিকে দারিদ্রতা আসতে পারে; ইহা রাসূলের (সা:) হাদিস থেকেই প্রমাণিত। তবে মানুষ ভেদে এর ব্যতিক্রমও হতে পারে, তবুও রাসূলের (সা:) হাদিসের সাথে যেহেতু আমার দরিদ্র হওয়ার বিষয়টি মিলে গেছে, অতএব এ সূত্রে আমি তাকে আর দোষারোপ করতে পারি না। বরং আমাকে যে সে আল্লাহর পথে নিয়ে যাচ্ছে, এ জন্য সে পুরষ্কারের উপযোগী।

তাই ভাবনার একপর্যায়ে বুঝতে পারলাম; হ্যাঁ, আমাকে নিয়ে তার উদ্দেশ্য রয়েছে। অবশ্য এ বিষয়টি আগে বুঝতে পারিনি। এবারই প্রথম বুঝতে পেরেছি (২০২৩ইং); যখন আমার মা তাঁর বংশ পরিচয়টি আমাকে বুঝিয়ে দিয়েছেন।

তবে হয়তো এ কথা সত্য যে, আমার মা যদি এভাবে আমাকে তাঁর বংশ সম্ভন্ধে না বুঝিয়ে দিতেন; তাহলে আমি হয়তো আমার শরীরে জ্বীন আগমনের কারণ কখনোই বুঝতাম না এবং সে ক্ষেত্রে কোন কর্মোউদ্যেগই আমি হয়তো হাতে নিতে পারতাম না। কারণ সাকসেসের শর্ত হিসেবে বংশীয় শেকড় আমারপ্রয়োজন। আমিতো জ্বীনের বংশ থেকে জন্মীত হইনি। তাই জ্বীন আমাকে সারা জীবন কষ্ট দিলেও আমি ওয়তো এ ধরনের বড় কোন কাজের টার্গেট গ্রহণ; ইহা হয়তো আমি আমার মৃত্যুর আগেও ধরতাম না।  অতএব জ্বীন যদি হাজারো বার আমাকে প্রলুব্ধ করতো, তবুও আমাকে হয়তো সে এ বিষয়ে নি:বুদ্ধিই পেতো। যেহেতু জ্বীনকে সাথে নিয়ে এ ধরনের কাজ করা যায় কিনা, তা হয়তো আমি ভাবতামও না। এদিক দিয়ে আমার এ কাজে যদি কোন কৃতিত্ব আসেও, তবে এর পূর্ণ কৃতিত্বের অধিকার, তা আমার মায়ের জন্য। তাই আমার মাকে সালাম জানিয়েই এবং ভবিষ্যত জীবনে আমার এ বিষয়ক সকল কাজে ভার্চুয়ালি ভাবে তাঁকে সাথে নিয়েই, অর্থাৎ তাঁর দোয়া, স্নেহ ও ভালোবাসাকে সাথে নিয়ে ও এ মহামূল্যবান মায়ের আশির্বাদকে পুঁজি হিসেবে বিবেচনা করে আমি আমার জ্বীন সংক্রান্ত আগামী দিনের প্রত্যেকটি কাজের শুভ সূচনা ঘোষণা করলাম।

আবার জ্বীন সদস্যবৃন্দও গত বছর গুলোর হিসাব অনুযায়ী রমজান মাস ব্যতিত বছরের অন্য সব মাসে পুরোপুরি সক্রিয় থাকে না; অনেকটা নিষ্ক্রিয়ই থাকে। হয়তো কোন কারণে মাঝে মধ্যে সক্রিয় হয়।

এছাড়া যেহেতু এ জ্বীনগোত্রটি আমার কাছ থেকে যাবে না (গত ২২ বছরের হিসাব বা আমার দেখা বুঝ অনুযায়ী) এবং যেহেতু আমাকে নিয়ে তাদের রয়েছে পরিকল্পণা; আবার যেহেতু আমি বিষয়টি বুঝতে পেরে তাকে বা তাদেরকে আর তাড়াতে চাচ্ছি না; তাই আমার সাথে থাকা এ জ্বীন সদস্যের একটা সুন্দর নাম রাখা আমার জন্য অবশ্যই প্রয়োজনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ যেহেতু সে আমার সাথে থাকে বা থাকবে, তাহলে তার আলাদা পরিচয়ের প্রয়োজন রয়েছে। আর আপনারা ভালো করেই জানেন , যে কারো পরিচয়ের ক্ষেত্রে প্রথম পর্বই হচ্ছে, তার একটা সুন্দর নাম থাকা।

সে সাথে জ্বীন সদস্য যদি খুব পরহেজগার বা উচ্চ বংশীয় হয় (আসলেই জ্বীন সদস্যটি খুব পরহেজগার, যার প্রমাণ আমি ইতোমধ্যে পেয়েছি। কারণ মূলত তার প্রভাবেই আমার আমল-আখলাকের এতো পরিবর্তন হয়েছে। যা আমার এলাকাবাসি গণ নিশ্চিয় বুঝতে পেরেছেন) আর আমি যদি খুব নিম্ন বংশীয় হই, তাহলে আসলে কাজের কাজ কিছু হবে বলে মনে হয় না। তাই আমার বংশ কী বা আমি কোন বংশ থেকে আগত তাও আজকের এ প্রবন্ধে আপনাদেরকে জানানোর চেষ্টা করছি।

আবার জ্বীন আমায় কেন ধরেছে, কেন যাচ্ছে না বা আমাকে নিয়ে তার কী কর্ম পরিকল্পনা তাও জানানো হয়েছে আজকের প্রবন্ধে।

সে সাথে জ্বীনের নামকরণ ও তাদের কর্মপরিকল্পণা, এ বিষয়টিকে নিয়ে করা হয়েছে ভিডিও। আপনারা

এখানে ক্লিক করে

ইউটিউবে আপলোডকৃত সে ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন।

তো সবমিলিয়ে জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ, প্রবন্ধটি একটি ইন্টারেস্টিং প্রবন্ধ হতে চলেছে। তাই অনুরোধ করবো প্রবন্ধের শেষ পর্যন্ত পড়া অব্যাহত ভাবে চালিয়ে যেতে।

(জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ, পোস্টটি শেয়ারের ও কমেন্টস প্রদানের অনুরোধ রইলো)

৬) ডেসক্রিপশন:

মানবজ্বীন হিসেবে আমার বর্তমান নাম মুহাম্মদ আরিফ উল্যাহ। আর আমার মরহুম বাবা আমার সার্টিফিকেটে যে নামটি দিয়েছিলেন, বা আমার যে নাম রেখেছিলেন তা হচ্ছে আরিফ উল্যাহ চৌধুরী।

চৌধুরী শব্দটি কেন জানি এতোদিন আমার কাছে ভালো লাগতো না। সিার্টিফিকেটে থাকলেও আমি এটি ব্যবহার করতে কম্পোটেবল মনে করতাম না। আর মানুষগুলোও কেন জানি ঐ চৌধুরী তদূরী নিয়া নাক ছিটকায়।

অবশ্য আমার বাবাই আমার এ নাম রেখেছিলেন। অর্থাৎ এস এম আরিফ উল্যাহ চৌধুরী। স্কুলের শিক্ষক গণ তাদের বুদ্ধি মোতাবেক নামটিকে সংক্ষেপ করতে গিয়ে এস এম এ দু’টি শব্দকে বাদ দিয়েছিলেন।

একদিন বাবার নিকট জানতে চেয়েছিলাম, স্কুলের স্যারেরা যে আপনার দেয়া, আমার নামের ২ টি শব্দ বাদ দিয়ে দিয়েছে, এ এস এম শব্দ দু’টির অর্থ কী? বাবা বললেন, এস অর্থ সয়ৈদ; আর এম অর্থ মোহাম্মদ। আমার স্পষ্ট মনে আছে। আমার বাবা ইন্তেকাল করেছেন আজ প্রায় ১৫ বছর হবে।

বর্তমানে আমি সৈয়দ নামও রাখবো, আবার চৌধুরীও রাখবো, এ ২ বিপরীত মূখী খেতাবের কোন যুক্তি খুঁজে না পেয়ে– কারণ দেখুন-না আপনারা; চৌধুরী হচ্ছে বাংঙ্গালীর সম্মানী ব্যক্তিদেরকে ইংরেজ জাতি কর্তৃক প্রদান করা একটি খেতাব; আর সৈয়দ বা সাইয়্যেদ হচ্ছে হযরত আলী (রা:) ও হযরত ফাতেমা (রা:) এঁর বংশ হতে উৎপত্তিকৃত তাঁদের বংশীয় পরিচয় বা খেতাব, মানে আওলাদে রাসুল (সা:)। তাহলে নিশ্চয় ২টি ২ মেরুর।

কথার কথা, একই লোক পৃথিবীর পূর্বদিকেও যাবে, আবার পশ্চিম দিকেও যাবে, এভাবে একই লোক উভয় দিকে যাবে, এটি কখনো হতে পারে না। যে ঢাকার যাত্রী, সে তো চট্রগ্রাম যেতে পারে না, তাই না?

আর যদিও বংশ পরিচয়, এটি পিতৃজ গোত্র হতেই অনুসৃত, তবুও ব্যতিক্রম হিসেবে সৈয়দ বংশটি যেমন পিতৃজ গোত্র হিসেবে ব্যবহার করা যায়, ঠিক তেমনি মাতৃজ গোত্র হিসেবেও এটি ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া হযরত মুহাম্মদ মুস্তফা (সা:) এঁরতো কোন ছেলেই বেঁচে নেই, তাঁর ছেলেদের থেকে যে তাঁর পিতৃজ বংশ দুনিয়ায় বিরাজমান থাকবে এ ধরনের কোন সুযোগইতো তাঁর ছিলো না। তবে কি আওলাদে রাসূল (সা:) বলতে, কেউ কি দুনিয়ায় থাকবে না? তাই রাসূলুল্লাহ (সা:) যখন মাতৃজ গোত্র হিসেবেই তাঁর বংশের দাবীদার, তাই কেয়ামত পর্যন্ত তাঁর এ বংশের ক্ষেত্রে তাঁর এ বংশের সকল সদস্যই পিতৃজ বা মাতৃজ উভয় বংশের যে কোন বংশ গ্রহণ করতে পারবে; যে বিষয়ে কোন নিষেধাজ্ঞা কোথাও নেই। বরং মাতৃজগোত্র হিসেবে সৈয়দ বংশের ব্যবহারের বিষয়ে ইতিহাসে যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। অতএব যারা বলেন বংশীয় পরিচয় শুধু পিতার থেকে হয়, তাদের বিষয়টি বোঝা উচিৎ।

আর আমি আমার পিতার বংশকে বাদ দিয়ে, মায়ের বংশকে ধরে মূলত বাবাকে খাটো করিনি; বরং রাসূলুল্লাহ (সা:) এঁর বংশীয় সদস্য হতে গিয়ে বাবাকে করেছি সম্মানিত। তাছাড়া আমার এ কাজটি হয়েছে অনেকটা জ্বীনগ্রস্থতার কারণে; যেহেতু আপনারা ইতিমধ্যে বুঝতে পেরেছেন, এ রমজান মাসে বা অন্যান্য মাসের বিশেষ কোন সময়ে আমি যেসব সিদ্ধান্ত নিয়েছি, তা অনেকটা স্বাভাবিকক মানুষের কাজ নয়। আর তাই পিতার বংশকে বাদ দিয়ে মায়ের বংশে অংশীদার হওয়ার এ কাজটি বা আমার এ সিদ্ধান্তও আসলে জ্বীনের কারণেই সংঘঠিত হয়েছে; যা স্বাভাবিক মানুষ হিসেবে আমি কখনোই এ রকম সিদ্ধান্ত নিতে পারতাম না। আশা করি বিষয়টি আমি সবাইকে বোঝাতে পেরেছি।

তাই, মানুষের জীবনে নামের আচর পড়ে বিধায় আমি চৌধুরী খেতাবটি বাদ দিয়ে, এখন থেকে (যা আমার মা কর্তৃক এ বিষয়ক ইউটিউবের ভিডিও ক্রিয়েটিংয়ের সময় ঘোষণা করা হয়েছে।  এখানে ক্লিক করে   ভিডিওটি দেখে নিতে পারেন) শুধু সাইয়্যেদ খেতাবটিই গ্রহণ করলাম এবং এটিই এখন থেকে ব্যবহার করবো ইনশা’আল্লাহ।

অর্থাৎ আমি আমার বাবার বংশটিকে বাদ দিয়ে, মায়ের বংশকেই আমি ও আমার ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্য স্বানন্দচিত্তে গ্রহণ করে নিলাম এবং এতে আমি হ্নদয়ে শান্তিও অনূভব করছি। যেহেতু এ বংশটি হযরত মুহাম্মদ (সা:) এঁর বংশ।।

অন্যদিকে সৈয়দ বা সাইয়্যেদ খেতাবটি ব্যবহার করলে মুহাম্মদ (সা:) এঁর উম্মত এ পরিচয় জ্ঞাপক ও  জাতি বাচক (মু:) নামটি আর  ব্যবহারের প্রয়োজন হয় না। কারণ ২টি খেতাবই মূলত একই। একটি আমাদের নবীজী (সা:) এঁর নামের সাথে সম্পর্কিত; আর অন্যটি তাঁর বংশের সাথে সম্পর্কিত।

নামের সংক্ষিপ্ত রূপ ব্যবহার করার স্বার্থে এবং একই সাথে তাঁর বংশীয় সদস্য হওয়ার কারণে, তাঁর বংশীয় খেতাব ব্যবহার করলে, অটোভাবে বুঝা যাবে যে, এ ব্যক্তি মুহাম্দ (সা:) এঁর উম্মততো অবশ্যই এবং তিনি তাঁর বংশেরও একজন সম্মানিত সদস্য।

আর তাই এখন থেকে আমার নাম হবে সাইয়্যেদ আরিফ উল্যাহ। অতএব আমি সময় করে আমার এবং আমার ছেলেমেয়েদের নাম এফিডেবিট করানোর চেষ্টা করবো ইনশা’আল্লাহ এবং আল্লাহ যদি চাহে আমার বংশকে সংখ্যায় বেশি সংখ্যক করতে, তাহলে মহান আল্লাহ আমার বংশকে অধিক সংখ্যক হাফেজ আলেম সমেত একটি বৃহত বংশ করে দিবেন [এবং যেখানে থাকবে হযরত ঈমাম মাহাদি (আ:)]; যা কাল কেয়ামতে আমার একটা খুশির কারণ হবে ইনশা’আল্লাহ; রবের নিকট মিনতি ভরে আজ এ দোয়াই করছি। আর ভবিষ্যতে আগত আমার এ বংশের সকল সদস্যকে (ছেলে-মেয়ে উভয়) তাদের নামের পূর্বে যেন তারা বুঝে-শুনে সাইয়্যেদ শব্দটি ব্যবহার করে, সে জন্যে তাদেরকেও আমি অচিয়ত করে যাচ্ছি।

আবার মুসলিম জাতিতো এমন নয় যে তারা শুধু বাপ-দাদার ধর্ম গ্রহণ করবে। বরং তাদেরকে বুঝে-শুনেই ইসলামকে মানতে হবে; অন্ধ ভাবে বাপ-দাদাকে নয়। হ্যাঁ, বাপ-দাদা যদি সহীহ্ পথে থাকে, তাহলে তাকে মানবে; নতুবা নয়। আবার বাপ-দাদা সহীহ্ পথে থাকলেও, তাদের বংশধরদেরকে বুঝে-শুনেই এবং জ্ঞান অর্জন করেই ইসলামে আমল করতে হবে। শুধু শুধু বাপ-দাদার অনুকরণ অনুস্বরণ কারীকে কখনোই মুসলিম বলা যাবে না।

কারণ ইসলামে কোন ব্যক্তি-পূজার কিংবা অনর্থক পীর পূজার কোন নিয়ম নেই।

যাক এ নিয়মটি আমার মনে হয় শুধু ইসলামেই রয়েছে; আর কোন ধর্মে এভাবে আছে বলে আমার জানা নেই, যেভাবে ইসলামে রয়েছে; যেখানে মুসলিম হতে হলে বাপ-দাদাকে আমলে নেয়ার নিয়ম রাখা হয়নি; বরং আমলে নেয়া হয়েছে, ব্যক্তির একান্তই ব্যক্তিগত বিশ্বাস, জ্ঞান ও আমলকে।

আর এ ধরনের একটি শিক্ষা, অর্থাৎ বাবার দেয়া নামকে পরিবর্তনের মাধ্যমে,(কিন্তু তাঁকে অসম্মানিত করে নয়), আমি মুসলিম ব্যতিত অন্যান্য জাতি-গোষ্ঠীকে আজ আমার নিজ জীবনের মাধ্যমে এ জ্ঞান দিতে পেরে নিজকে ধন্য মনে করছি; এবং আমার জীবনে আমি চেয়েছিও এ ধরনের আনকমন শিক্ষা ও মানবসেবা মূলক কিছু করে দুনিয়ায় যাতে আমার উপস্থিতির অনুভূতি প্রতিস্থাপন করে যেতে পারি।

কারণ এ কথা আমি ১০০% বিশ্বাস করি যে, মানুষ কখনো মরে না। কেবল অমানুষ, কাপুরুষ, অলস আর স্বার্থপর মানুষেরই মরে। মানুষ তার কাজের মাধ্যমে বেঁচে থাকে যুগ থেকে যুগান্তর। আর মাটির তৈরী মানুষ যদি মাটির মূল্যায়নকে ধরে রাখতে পারে, তবে মাটিও ঐ মানুষটিকে ভক্ষন করে না। পরিণামে সে মাটিতে শুয়েও থাকে অক্ষয়, অমর।

তবে আমি কেন মানুষ হবো না? কেন চেষ্টা করবো না মানুষ হতে? আমি কি লক্ষ্য করি না, আমার শরীর মাটি দিয়ে তৈরী; অথচ মাটির গুণাগুণ আমার মেজাজে কই? মাটির উপর দিয়ে হাজার-কোটি জনতা চষে বেড়াচ্ছে। আজ যদি মাটি না থাকতো, তাহলে এতোগুলো জনতা কিভাবে বেঁচে থাকতো?

তাহলে মাটি মানুষকে উপকার করে হয়েছে অক্ষয়। তাহলে এ রকম একটি উপকার যদি মানুষ করতে পারে, তাহলে মানুষ কেন অক্ষয় হবে না? রবতো একজনই তাই না? মাটির জন্য এ বৈশিষ্ট্য, আর যেহেতু মানুষ সৃষ্টির সেরা; তাহলে মানুষের থাকবে এর চাইতেও ভালো বৈশিষ্ট্য। মানুষ কেন পাবে না মাটির মতো এ রকম একটি পুরষ্কার? বরং শ্রেষ্ঠ সৃষ্টি হিসেবে আরো ভালো পুরষ্কারইতো পাওয়ার কথা, এ রকম না?

অতএব মানুষ যদি মানুষ হয়, মাটির গুণাগুণের মতো যদি তারও গুণাগুণ দ্বারা মানুষের উপকার করে রবের সন্তুষ্টি অর্জন করতে পারে, তাহলে একেবারে অংক-বিজ্ঞানের সূত্রের মতোই বলা যায় মাটি ঐ মানুষটিকে ঘ্রাস করবে না।

তাই ভায়েরা আমার তোমার বাপ-দাদা হিন্দু হলে, বৌদ্ধ হলে, খ্রিষ্টান বা ইত্যাদি হলে, তোমাকেও যে সে রকম বা সে জাতি হতে হবে; এটা কোন যুক্তি নয়; বরং আমি মনে করি এটিও তোমাদের উপর তোমাদের ঈশ্বরেরই একটি পরীক্ষা।

তাই এ দুনিয়ার পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে আমার মতে তোমার স্ট্যাডি করা উচিৎ। অন্ধত্বে, আর আবেগ ও সংস্কারের মোহে বাপ-দাদাকে আঁকডে না ধরে, তুমি গবেষণা চালাও।

কিন্তু একান্তই আফসোসের বিষয় হচ্ছে একমাত্র মুসলিম জাতি ব্যতিত, আর কোন জাতি গোষ্ঠি, মুসলিমদের মতো কিংবা তার লক্ষাংশের এক ভাগও, বরং তার চাইতেও অনেক অনেক কম তাদের ধর্মীয় জ্ঞান চর্চা করে না। আমি কখনো দেখিনি কোন অমুসলিমকে তার রবের প্রেমে বা তার রবের ভয়ে কাঁদতে। কেন তোমরা কাঁদতে পারোনারে ভাই?

হে ভায়েরা তোমরা কি শুধু খেয়ে পরে বাঁচতে এসেছ দুনিয়ায়? তোমাদের কী হলো, তোমরা কী একটুও চিন্তা করবে না?

তোমরা কি বুঝ না (?) আজ যদি সবাই বাপ-দাদাকেই গ্রহণ করতো, তবে দুনিয়ায় এতো ধর্মের সৃষ্টি হতো না! কিন্তু তুমি যুক্তি খাটিয়ে দেখ, পৃথিবীতে একই সাথে একাধিক ধর্ম সত্য হতে পারে না। তাই হে বৎস, তোমার প্রতি অনুরোধ তুমি নিষ্কলংক ও নির্ভেজাল এবং নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে গবেষণা চালাও এবং খুঁজে বের কর, কোন ধর্মটি সত্য? কে তোমার প্রকৃত রব? প্রয়োজনে আমার এ বইটি পড়তে পার। বইটি পড়তে-

   এখানে ক্লিক করতে পার

(ফাইল বড় হওয়ায় লোডিং টাইম একটু বেশি হতে পারে)

হায়! তোমাদের কবে বুদ্ধি আর হুশ-জ্ঞান হবে!? কবে তোমরা বুঝবে!? কিন্তু যখন তোমরা বুঝবে তখন কি আর ফিরে আসতে পারবে!? তাওবা করতে পারবে!?

যাক, কথায় কথায় আসলে অনেক কথা বলে ফেললাম।

তো চলুন এবার আমার মা কর্তৃক আমার নামকরণ, জ্বীনের নামকরণ ও আমাদের ভবিষ্যত পঞ্চমূখী কর্ম উদ্যোগ বিষয়ক প্রত্যয়ন পত্রটি কী (?), তা গুগল ড্রাইব থেকে নিম্নে প্রকাশিত পিডিএফ ফাইল থেকে মনোযোগ দিয়ে পড়ার মাধ্যমে জেনে নিই। অনুগ্রহ পূর্বক পড়ায় অব্যাহত থাকুন। প্রয়োজনে হাতের আঙুল দিয়ে মোবাইল স্ক্রীণ বড় করে পড়তে পারেন।

 

আবার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেয়ার সে সময় সুযোগ না থাকলেও, আমার এ জ্বীনগ্রস্থ বা জ্বীনপ্রতিভাত হওয়ার গত এ ২২ বছর সময়ে আমি মূলত পাগল ছিলাম না। বর্তমানে আমি অনলাইনে কাজ করার চেষ্টা করছি এবং এ সময়ের মধ্যে একেবারে একক ভাবেই, কারো কোন সহযোগিতা  ছাড়া আমি ওপেন করেছি অনেকগুলো অনলাইন প্ল্যাটফর্ম। যা আপনারা-

এখানে ক্লিক করে

দেখে নিতে পারেন। আবার এর আগে সমিতি প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে যা করেছি তা আপনারা-

এখানে ক্লিক করে

ও এ ওয়েবসাইটে প্রকাশিত বিভিন্ন পোস্ট পড়ে বুঝে নিতে পারেন।

শুধু তাই নয় এ সময়ে ওপেন করা ব্লগার ব্লগ স্পটে রয়েছে আমার আরো কয়েকটি ওয়েবসাইট। যেগুলোতেও আমি ইতিপূর্বে কিছু কন্টেন্ট পাবলিস্ট করেছিলাম। নিম্নে ক্লিক করে সে গুলোও আপনারা ভিজিট করতে পারেন। যেমন-

bondhon4.blogspot.com

bondhon5.blogspot.com

bondhon6.blogspot.com

bondhon7.blogspot.com

bondhon8.blogspot.com

bondhon9.blogspot.com

bondhon11.blogspot.com

bondhon12.blogspot.com

সে সাথে আপনারা অনেকেই জানেন   ar100.net নামেও আমার একটি ওয়েবসাইট ছিলো। আর এতোগুলো ওয়েবসাইট এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ডিজাইন এবং কাস্টমাইজেশন করেছিলাম সম্পূর্ণ আমি একা এবং অন্য কোন ডেভেলোপার ছাড়া।

অন্যদিকে এ জ্বীন যখন প্রথম আসে, সেই ২০০১ ও ২০০২ ইং সনে, তখন মূলত জ্বীন তাড়ানোর কথা বলে আমার উপর করা হয়েছিলো সীমাহীন অত্যাচার। আর আমাকেতো তখন বুঝতেই দেয়া হয়নি যে, এটা জ্বীন ছিলো। কারণ আমার পরিজনেরা তাবিজ-তুমার, গুণীন-বৈদ্য, ডাক্তার-কবিরাজ অনেক চেষ্টাই করেছে, এ জ্বীনকে তাড়ানোর জন্য। যা আমি পছন্দ করতাম না এবং আমি বুঝে গেলে হয়তো ওভাবে আর আমি হযতো ঔষুধ পথ্য খাবো না বা অিামার চাকুরীতে হয়তো বলতে থাকবো, এ রকম একটি ধারণা হয়তো আমার স্বজনদের ভিতরে কাজ করছিলো। এছাড়া জ্বীন বলতেই খারাপ, যা মানুষের একটা মশহুর জ্ঞান হয়ে গিয়েছিলো। তাই তারা বলতো আমার মানসিক রোগ এবং আমাকেও বলতে বাধ্য করতো।

যে কোন মানুষেরই মন ও ব্রেনে যদি আপনি বার বার আঘাত দেন, তবে ব্রেন নিম্নমুখী হবেই। তারপরও যা করেছিলাম তাতে পাগলামো প্রমাণিত হয় না বা কেউ প্রমাণ করতে পারবে না।

আমি দুনিয়ার কাজ-কর্ম ছেড়ে দিয়ে লম্বা লম্বা নামাজ পড়েছি, কেরাত পড়েছি,সারাদিন জিকির করেছি, সবাইকে মসজিদে যেতে আহবান করেছি, এ জাতীয় কাজই বেশি করেছিলাম। আর এ গুলো যদি পাগলামো হয়, তাহলে চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোন শাখাতে একজন মানুষ হঠাৎ আল্লাহ ওয়ালা হতে শুরু করবে, তার বিবরণ রয়েছে; তা ডাক্তার ভাইদেরকে বিবৃত করতে বলেন।

আসলে এক্সেটলি এ ধরনের কোন মানসিক রোগের বর্ণনা বর্তমান চিকিৎসা বিজ্ঞানের কোথাও নেই যে, রোগী আল্লাহ ওয়ালা হতে শুরু করবে, কোরআন শিখবে, নামাজ শিখবে ইত্যাদি এবং অনেকটা অটো ভাবে।

ডাক্তার ভায়েরা আমার রোগের নাম দিয়েছিলো সিজেফানিয়া এবং বলেছিলো জীবনে কখনো ঔষুধ বন্ধ করা যাবে না। অথচ আমি গত প্রায় ১০ বছর কোন ঔষুধ খাই না, যা সিজেফানিয়া রোগীর দ্বারা কখনোই সম্ভব না। স্বাধারণত ক্রোনিক ডিজেজ হিসেবে সিজেফানিয়া রোগী কখনো ঐষুধ বন্ধ করতে পারে না।

আবার গত ২২ বছরে কী করেছি না করেছি; আমার পরিজনদের অত্যাচারে কয়বার বাড়ি থেকে বেরিয়ে গিয়েছি; গিয়ে কোথায় থেকেছি, কী খেয়েছি, কী কী করেছি এবং আবার একাকী কিভাবে ফিরে এসেছি, তার সবই মনে আছে। যা কখনো কোন মাসনসিক রোগী বা পাগলের দ্বারা সম্ভব নয়।

আমার বড় ভাইকে আমি সেই ২০০১ অথবা ২০০২ ইং সনে বলেছিলাম, মনুষ্য সমাজে আমি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি; আজ যেখানে আমি বন্ধন ফাউন্ডেশনের অফিস দিয়েছি, এখানে আমাকে একটা ঘর দিয়ে দিতে, এবং আরো বলেছিলাম আমি এ ঘরেই থাকবো ও আমি সুস্থ হয়ে যাবো। কিন্তু তিনি আমার কথা না শুনে উপরন্তু আমার উপর চালালেন স্ট্রীম রোলার। যার জন্যে ব্রেন হয়তো নিম্নমুখী হয়েছিলো; কিন্তু নিম্নমুখী হলেও আমার উপরোক্ত এ এক্টিভিটিস গুলো প্রমাণ করে না যে, আমি মানসিক রোগী ছিলাম।

অতএব আমি কখনোই মানসিক রোগী ছিলাম না; বরং আমাকে মানসিক রোগী বানানো হয়েছিলো বা পরিণত করতে চেয়েছিলো। আমার স্বজনেরা আমি যে জ্বীন ছিলাম এটা বোঝার পরেও আমাকে চাপা দিতে আর দাবিয়ে রাখতেই যেন মারমুখি আকার ধারন করেছিলো। আপনারা প্রয়োজনে এখন তাদেরকে জিজ্ঞাসা করেন; আশা করি এখন হয়তো তারা আর মিথ্যা কথা বলবেন না। আর নিজেদের দোষ ঢাকতে এখনো যদি বলেন, তবে আমার এলাকাবাসীকে জিজ্ঞাসা করেন; প্রকৃত সত্য আপনারা পাবেনই। তাছাড়া আমাকে মানসিক রোগী হিসেবে সাব্যস্ত করার কোন তথ্য বা বৈজ্ঞানিক যুক্তি প্রমাণ আমার অতীত এসব এক্টিভিটিস পর্যালোচনা করে কেউ দিতে পারবেন না বা প্রমাণ করতে পারবেন না।

অতএব ইহা প্রমাণিত সত্য যে, আমি একজন জ্বীনমানব এবং আলহামদুলিল্লাহ সংক্ষিপ্ত আকারে হলেও আমি আমার অতীত ও বর্তমান পরিচয় প্রদান করতে সমর্থ হয়েছি।

(জ্বীনমানবের পরিচিতি ও কর্মোদ্যোগ, পোস্টটি শেয়ারের ও কমেন্টস প্রদানের অনুরোধ রইলো)

৭) পরিশেষ:

সম্মানিত ভিউয়ার, পরিশেষে বলতে চাই, বিষয় গুলো, বিশেষ করে জ্বীনমানবের পঞ্চমুখী কর্ম-উদ্যোগ, আসলে সকলের কাছে অবাস্তব, অসম্ভব এবং আকাশ কুসুম কল্পণার মতোই মনে হবে। যা এ মুহূর্তে আমার কাছেও মনে হচ্ছে। কারণ এখন রোজা শেষ এবং  শাওয়ালের আজ ১১ তারিখ। এখন রোজার মতো আর ঐভাবে আমার কাছে জ্বীন নেই। যে জন্যে মানুষের স্বাভাবিকতা অনুযায়ী আমজনতার সাধ্যের বাহিরের বিষয় গুলোকে আমি বুঝতে পারি। রমজানে কিন্তু ঐভাবে বুঝতে পারি না। যার জন্য আমার মতো মানুষের পক্ষে এ আকাশ এবং অনেকটা সপ্তআকাশ জয়ের মতো এ ধরনের একটি কর্মপরিকল্পণা লিখতে পেরেছিলাম এবং এ প্রত্যয়নপত্রটি যদি আমার মা আমাকে এখন লিখতে বলতেন, তাহলে ঘূর্ণাক্ষরেও আমি এটি, বিশেষ করে এ ধরনের কোন কর্মপরিকল্পণা আমি লিখতে পারতাম না।

এবং আশ্চার্যের বিষয় হচ্ছে রোজার মাসে, যে মাসে এ বিষয়গুলো লিখেছি এবং এ ধরনের আরো বিষয় লিখেছি, তখন কিন্তু আমি এবনরমালও ছিলাম না। আজ প্রায় ১০ বছর আমি মানসিক রোগের কোন ঔষুধও খাই না। তার উপর শরীরের উপর করে চলেছি সীমাহীন এবং অস্বাভাবিক অত্যাচার, যা অনেকটা প্রাকৃতিক  ও বর্তমান এ সমাজেরই স্বভাবিক ক্রিয়ার বিষফল রুপে অটো ভাবেই আমার উপর প্রতিফলিত হচ্ছে!!

যেমন এবারও আমি এ ধরনের অস্বাভাবিক বিষয় গুলো লিখেছি, আবার কলেজের শিক্ষকতার দায়িত্বও চালিয়ে গিয়েছি। ছাত্রদের ক্লাসেও কোন ধরনের ফাঁকি-ঝুঁকি দিইনি। আপনাদের বিষয়টা জানতে ইচ্ছে হলে কমপেক্ট পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, একাডেমি রোড, ফেনী সদর, ফেনী, এখান থেকে জেনে নিতে পারেন। রোজার মাসে (২০২৩ ইং) আমি এবনরমাল ছিলাম কিনা? বা দায়িত্ব পালন করেছিলাম কিনা? বা দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দায়িত্বের প্রতি কোন ধরনের অবহেলা করেছিলাম কিনা?

অন্যদিকে প্রতি রমজানেই যখন এ ধরনের আকাশ-কুসুম অনেক কিছুই আমি লিখি বা তখন মানুষের সাথে আমি বলি বা ব্যবহারও করি; তাই আল্লাহ দিলেতো আসলে দিতে পারেন। ফকিরকেও বাদশা করতে পারেন এবং ইহা আমার রবের জন্য একেবারেই সহজ। আবার আমিও যে বসে থাকবো তাও কিন্তু নয়।

মানব সেবায় চেষ্টা করে যাবো আমি আজীবন। আর সত্যিই যদি আমি মানব সেবায় চেষ্টা করে যাই, তাহলে কিছু যে পাবো না; তাও কিন্তু নয়। এবং এ পৃথিবীতে সবকিছু যে একেবারে সবার মতো স্বাভাবিক নিয়মে হচ্ছে বা গড়ছে তাও সঠিক নয়; বৈচিত্রময় পৃথিবীতে কারো কারো ক্ষেত্রে ঘঠছে বিচিত্রতা, যা একেবারেই মিথ্যা নয়।

আর জ্বীন যে, প্রতি রমজানে, বরং এর ২ মাস আগ থেকেই আমার শরীরে স্পষ্ট হতে থাকে তা ১০০% সত্য। আপনারা প্রয়োজনে আমার গ্রামের লোকদের নিকট থেকে জেনে নিতে পারেন।

অতএব বিষয় গুলো যখন অশরীরী আত্মা থেকেই লিখিত, তাই সম্মানিত ভিউয়ার আমায় খারাপ বা অযুক্তিক কিছু মনে করবেন না; আপনাদের সাথে আমিও দেখতে চাই এর পরিণতি কোথায়। সুতরাং এবারের লিখাগুলো আর কাটবো না। এ ওয়েবসাইট ভিউয়ার গণ আশা করি বিষয়গুলো বুঝে নিবেন। যেহেতু প্রতি রমজানেই বা রমজানের পর পরই আমি কষ্ট করে লিখি এবং রমজান পরতর্তী সময়ে আমি এগুলো আবার কেটে ফেলি।

কারণ আপনারা জানেন যে, এ জ্বীনের কারণে আমি আজ ফকির হয়ে গিয়েছি প্রায়। রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন, যে তাঁকে ভালোবাসবে তার দিকে দারিদ্রতা ধাবিত হবে। এখানে তাঁর কথার অর্থ শুধু এই নয় যে, উসমান (রা:) ও এ ধরনের সাহাবীগণ (রা:) দরীদ্র হয়ে গিয়েছিলেন।

তাই আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন। আর আমিও শুধু জ্বীন সংক্রান্ত এবার আর একটা পোস্ট দিয়ে, (যেখানে জ্বীন আমার শরীরে বিশেষ করে রোজার মাস ও এর আগের ২ মাসে এবং অন্যান্য বিশেষ বিশেষ সময়ে আমার শরীরে ওপেন হলে, তখন কী প্রতিক্রিয়া ঘটে, আমি কি তখন বাকী মানুষদের মতো স্বাভাবিক জীবন-যাপন করতে পারি কিনা? আমার কেমন অনুভূতি হয় বা আমার কী কী কষ্ট হয়? এ বিষয় গুলো কিন্তু আপনারা জানেন না, এগুলো জানিয়ে, এরপর) এ বিষয়ে আপাতত আর কোন পোস্ট দেবো না।

যেহেতু মানবসেবা মূলক কর্ম বা ইনকাম নির্ভর কর্ম বা প্রশিক্ষণ এখন আমাকে নিতে হবে। আবার একই সমাজে এবং একই সঙ্গে আপনাদের সাথেই জীবন অতিবাহীত করছি বলে এগুলো আপনাদেরকে জানানোর প্রয়োজনীয়তা রয়েছে মনে করে, এ বিষয়ে আমি আর একটি প্রবন্ধ সময় করে ইনশা’আল্লাহ লিখবো।

অতএব আমি একজন ব্যতিক্রমী মানুষ হিসেবে আপনাদের নিকট দোয়া ভালোবাসা চেয়ে এবং ব্যতিক্রম হিসেবে আমার প্রতি সুনজর দেয়ার জন্য অনুরোধ করে আজকের মতো এখানেই শেষ করছি।

সকলে ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন। সুন্দর থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।