Please share-

নির্দিষ্ট অংশ পড়তে ক্লিক করুন অথবা পড়া চালিয়ে যান-

 

০) প্রবন্ধের নাম:

ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ

১) প্রবন্ধ লিখার তারিখ এবং প্রবন্ধের প্রকৃতি ও শিরোনাম:

তারিখ: ১৮ এপ্রিল ২০২৩ খ্রি./২৭ রমজান ১৪৪৪ হি.; ১০ পি এম

প্রকৃতি: আত্মসমালোচনা মূলক ও গবেষণা ধর্মী।

শিরোনাম: ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ।

(ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।)

২) কী উদ্দেশ্যে প্রবন্ধটি লিখা:

ঋণ পরিশোধ কিভাবে করবো? তার একটি সম্মান জনক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা। এবং ঋণ ও লিখক সম্পর্কিত আনুষাঙ্গিক ও প্রাসঙ্গিক কিছু তথ্য উপস্থাপন করা।

(ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।)

৩) এ প্রবন্ধের মাধ্যমে কার বা কাদের উপকার হবে:

এ প্রবন্ধের মাধ্যমে যার বা যাদের উপকার হবে তাদের নাম নিম্নে উল্লেখ করছি:-

ক) প্রথমত আমার নিজের। যা নিশ্চয়ই আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

খ) দ্বিতীয়ত সম্ভ্রান্ত বংশের ঋণ খেলাপি ভাইদের। কারণ এ প্রবন্ধের বিষয়বস্তু এ রিলেটেড।

ঘ) তৃতীয়ত নব্য প্রাবন্ধিক ভাইদের। আশা করা যায়, তারা তাদের প্রবন্ধ লিখার বিষয়ে এ প্রবন্ধ থেকে কিছু জ্ঞান প্রাপ্ত হবে। নতুন প্রাবন্ধিক ভাইদেরকে অনুরোধ করবো, আপনারা আমি এ প্রবন্ধ যেভাবে লিখেছি ঠিক এভাবেই প্রবন্ধ লিখবেন। এভাবে হিন্টস করে যদি প্রবন্ধ লিখেন, তাহলে পাঠক শ্রেণী যেমন আপনার প্রবন্ধের যে অংশটি পড়তে ইচ্ছে করে বা প্রয়োজন মনে করে তা পড়তে পারবে, ঠিক একই ভাবে আপনিও আপনার প্রবন্ধের কোন্ অংশে কী রয়েছে তা আলাদা করে আপনার ভিউয়ারদের নিকট উপস্থাপন করতে পারবেন এবং এতে আপনি কী বোঝাতে চাচ্ছেন তা যেমন স্পষ্ট হবে, অন্যদিকে আপনার প্রবন্ধের মানও অনেকাংশেই বৃদ্ধিপ্রাপ্ত হবে।

(ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।)

৪) সারমর্ম বা গবেষণার বিষয়:

আমি আনুমানিক ৬/৭ লক্ষ টাকা ঋণী। এখন পারিশ্রমিকের বিনিময়ে মাদ্রাসার জন্য টাকা কালেকশান করে চুক্তিকৃত এবং হালাল উপার্জিত অর্থে ঋণ পরিশোধ করবো (?), নাকি ইনকাম করে ঋশ পরিশোধ করবো?

(ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।)

৫) শর্ট ডেস্ক্রিপসন:

আল্লাহু তা’য়ালার উদ্দেশ্যে মানুষের জন্য সমিতি প্রতিষ্ঠা করে তা ৭/৮ বছর চালিয়ে ছিলাম। অবশেষে বাস্তবতার নির্মম আঘাতে বন্ধ করে দিতে হয়ে ছিলো এবং একই সাথে মানুষের পবিত্র আমানত ফেরত দিতে গিয়ে ও মাদ্রাসায় আমার ছেলে-মেয়েদের খরচ মেটাতে গিয়ে এবং পরিবারের ভরণ পোষণ করতে হিমশিম খাওয়ার কারণে কিছু অর্থ ইনকামের উদ্দেশ্যে মাদ্রাসার সুপার মহোদয়ের (দা. বা.) সাথে চুক্তি করি যে, এবারের রমজানে মাদ্রাসার পক্ষে যাকাত ফিতরা ইত্যাদির টাকা কালেকশান করবো। এবং একই সাথে আমার পাওনাদারদেরকেও আশ্বাস প্রদান করি যে, আগামী রমজানে আপনাদের পাওনার কিছু হলেও দিতে পারবো ইনশাআল্লাহু তা’য়ালা।

এতে হুজুর  আমাকে পারিশ্রমিক বাবত ভালো একটি এমাউন্ট (উত্তোলনের নির্দিষ্ট পার্সেন্টেইজ) দিবেন, এ বিষয়টিও নির্ধারিত হলো।

এবারের রমজানে (১৪৪৪ হিজরি/২০২৩ খ্রি.) সে লক্ষ্যে চেষ্টাও কম করি নাই। কিন্তু কেন যেন হয়ে উঠছে না। আমার নিজস্ব মানসিকতার ভিতর থেকেই কে যেন কালেকশান করে ঋণ পরিশোধের বিষয়ে বাধা দিচ্ছে। ফলে সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছি যে, ইনকাম করেই ঋণ পরিশোধ করবো এবং ইনশাআল্লাহ আমরা তা পারবো।

৬) ডেস্ক্রিপসন:

প্রথমে আমার ছেলে-মেয়েদের শিক্ষক  এবং মাদ্রাসায় অবস্থানকালীন তাদের অভিভাবক হিসেবে ও আমাকে তার আপনজনদের মতোই ঋণ পরিশোধের সুযোগ করে, তার মাদ্রাসার একটি দায়িত্ব দেয়ার জন্য তাঁকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।

৬) ক. ঋণের বোঝা এবং ভিক্ষার ঝোলা উভয়টিই সমান:-

আসুন এক্ষণে, একটু বিশ্লেষণ করতে চেষ্টা করি যে, ঋণের বোঝা এবং ভিক্ষাবৃত্তির ঝোলা উভয়টিই সমান এবং উভয়টিই সম অপমানের কারণ।

সাধারণত: যাদের হাতে প্রয়োজনীয় টাকা থাকে না তারাইতো ঋণ করে, তাই না? তাহলে ভিক্ষা করে কারা? ঠিক যাদের হাতে টাকা থাকে না তারা!? কি, বিষয়টা একই না? তাহলে আমি ঋণ করছি, আমার টাকা নাই! আবার আমি ভিক্ষা করছি, আমার টাকা নাই! তাহলে পার্থক্যটা কোথায়? মূল এবং মানিগত (অর্থ) কোন পার্থক্য না থাকলেও পার্সন গঠিত পার্থক্য রয়েছে, এইতো? কেউ সম্ভান্ত বংশের, আর কেউ নিচু বংশের। তবে পার্থক্য যাই হোক, ভিক্ষার ঝোলা যেমন এ বাড়ি থেকে সে বাড়ি বহন করতে অপমাণ বোধ হয়, ঋণের ঝোলাটিও তা পরিশোধ করার আগ পর্যন্ত আপমাণ বোধ হয়।

আবার শোধ করতে গিয়ে, যদি আমানতদার বা পাওনাদারকে কষ্ট দিই অথবা যদি ভিক্ষাবৃত্তি প্রথা বেছে নিই অথবা মানুষের দৃষ্টিতে নিম্ন কোন দৃষ্টিকটু প্রন্থা যদি বেছে নিই, তবে কি সম্ভ্রান্ত বংশ বলতে কিছু আর থাকলো? বংশীয় পরিচয় কি আপনি মানুষদেরকে ঠিক মতো প্রদান করলেন? এবার তো স্থায়ী ভাবেই ঋণ পরিশোধ না করার অপমান আর ভিক্ষাবৃত্তির অপমান সামাজিক বা মর্যাদা গত ভাবে  সমান হয়ে গেলো; বরং ঋণদার ব্যক্তি  অপরাধীও হয়ে গেলো; তাই না?

৬) খ. যথা সময়ে ঋণ পরিশোধ করুন এবং বংশীয় পরিচয় অক্ষুন্ন রাখুন:-

আমার ঋণী ভায়েরা! আমার সাথে আপনাদেরকেও বলতে চাই, ঋণ নিয়ে ঋণদাতাকে কষ্ট দিয়ে নিজ বংশকে কলংঙ্কিত কইরেন না। আমাদের নবীজী রাসূলুল্লাহ (সা:) নিজ বংশকে গোপন করতে নিষেধ করেছেন ও এ বিষয়ে কঠিন আজাবের ঘোষণা দিয়েছেন। আর আমি আর আপনিতো শুধু নাম গোপনই করিনি; তার চাইতেও জঘণ্য কাজ নাম বিগডিয়ে পেললাম,  কলংঙ্কিত করে পেললাম নিজ বংশকে। অন্যদিকে ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে যদি কোন অসুদ উপায় বা কোন অবৈধ পন্থা অবলম্বন করেন অথবা আমার মতো ভিক্ষাবৃত্তি প্রথা বেছে নিতে চান তবে, বংশীয় পরিচয় আমরাও কি ঠিকমতো প্রদান করলাম? প্রিয় নবীজি মুহাম্মদ (সা:) কেউ যদি ঋণগ্রস্থ অবস্থায় ইন্তেকাল করতেন তাহলে ঐ ব্যক্তির জানাজার নামাজ পড়াতেন না। অন্যদিকে আল্লাহপাক ঘোষণা দিয়েছেন বান্দার হক তিনি মাপ করবেন না। তাই যথা সময়ে এবং সঠিক নিয়মে ঋণ পরিশোধ করার বিষয়ে একটু চিন্তা কইরেন?

এ পর্যায়ে এসে আপনাদেরকে সামান্য ইঙ্গিত দিতে চাই যে, আমি সম্ভ্রান্ত বংশের কিনা? ভাই, আজকের দিনে যেভাবে শুধু নামকা ওয়াস্তে বংশের ছড়াছড়ি আমি সে রকম কোন লোক না। যেহেতু ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা সুযোগ পেলে সারা জীবন আপনাদের জন্য কাজ করবো; কিন্তু আমার কাজ যখন পরিপক্ক হবে (যদি ফল লাভ ভাগ্যে জুটে); তখন ফল লাভের সময় মহান আল্লাহ যদি তাওফিকে রাখেন, আমার আর এ দেশে থাকার কোন নিয়্যাত নাই। আমি আমার দেশ (ভালোবাসার্থে) সৌদি আরব চলে যাবো (যদি কোপালে থাকে)। দেইখেন এ পয়েন্টে আমায় কেউ ভূল বুইঝেন না। তাহলে আমি শুধু বংশ গৌরবের জন্য নামের ছড়াছড়ি, এ রকম করতে পারি না।

জন্মসূত্রে এ দেশ, মানে বাংলাদেশ আমার ভালোবাসার। কিন্তু আত্মার সূত্রে সৌদি আরব, (মানে মসজিদে হারাম শরীফ) আমার ভলোবাসার, আমার মুহাব্বতের দেশ। এটা শুধু আমি না, যে কোন মুসলিমই এভাবে চাইবে। যাকে মহান রব প্রদান করবেন, সে পাবে; আর যে অর্জন করতে পারবে না, সে পাবে না! এটা তো সোজা হিসাব। কিন্তু চাইতে দোষ কোথায়? আপনারা চাননা কেন তাহলে? মুমিন হলে আপনার দোয়া কি বৃথা যাবে? কষ্মিককালেও না!! তাছাড়া আমি কোন বংশের সে বিষয়ে আমি আলাদা করে কন্টেন্ট দেবো। আর বংশ পরিচয়ের এ সূত্র পাওয়াতেই আজ আমি কলম ধরার নিয়্যাত করতে পেরেছি। না হয় পারতাম না।

বিষয়টি আরো ভালো করে বুঝতে, আপনাদেরকে কেন আমি ঋণী হয়ে গেলাম, আমার ঋণ কত ও কিভাবে আমি আমার এ ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি এ বিষয় গুলো খুব সংক্ষিপ্ত আকারে জানানোর প্রয়োজন মনে করছি।

৬) গ. আমার ঋণ কত এবং কেন আমি ঋণী হলাম:-

আমার আনুমানিক ঋণ প্রায় ৬ থেকে ৭ লক্ষ টাকা।

দেখুন প্রায় সাড়ে ৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে এ ফাউন্ডেশনের অফিস ঘরটি দিয়েছি। অফিস ঘরটি প্রায় সাডে ৪ লক্ষ টাকা মূল্যমানের পাকা করা সরকারি রাস্তার পাশে আমার বাবার নামীয় ১.৪ ডিসেমেল জমির উপর প্রতিষ্ঠিত। ফাউন্ডেশন আরম্ভ করার পরে আমি আমার বাবা হতে প্রাপ্ত প্রায় সাডে ১২ ডিসিমেল জমি আমার ভাইদের নিকট বিক্রি করেছিলাম। যার বিক্রয়মূল্য ছিলো আনুমানিক ৭/৮ লক্ষ টাকা। একেবারে একিউরেট হিসাব না হলেও এ টাকার মধ্যকার আনুমানিক ৫/৬ লক্ষ টাকা ব্যয় হয়েছে সমিতির জন্যে। ঘরের এ সাডে ৮ লক্ষ টাকার পুরোটাই আমি প্রতিমাসে একটি নির্দিষ্ট এমাউন্ট পরিশোধের চুক্তিতে ব্যক্তিগত ভাবে লোন করে তারপর ঘরটি আমি দিয়েছিলাম। এ ঘর থেকে ইনকাম যাই পেতাম, আমি কিন্তু ঘর দিয়েছিলাম শুধুমাত্র এ কাজেই এবং ঘরটি আমি ওয়াকফ করে যেতে চেয়ে ছিলাম।

যা হোক নিজে আমি পলিটেকনিক প্রতিষ্ঠানে শিক্ষকতা করতাম। এখন একটি কথা মশহুর হলো যে, আমি মানুষের টাকায় ঘর দিয়েছি এবং ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেছি। আর বর্তমানে মানুষের আমানতের টাকা ফেরত দিতে পারছি না। কেন তাহলে আমি ঘরটি দিলাম? এ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে আপনারা

এখানে

এবং

এখানে

ক্লিক করতে পারেন।

৬) ঘ. ভিক্ষাবৃত্তি বা মানুষের চোখে দৃশ্যমান নিম্ন উপার্জন দিয়ে আমার ঋণ পরিশোধ না করে, ইনকাম করে ঋণ পরিশোধের পক্ষে যুক্তি পেশ:-

দেখুন, যেহেতু আমার নিকট জ্বীন রয়েছে এবং যেহেতু আমি ফেনী শহরে দীর্ঘ দিন থেকে শিক্ষকতা করি। সে সুবাধে গ্রাম সহ ফেনী শহরের  প্রায় সবাই আমাকে চিনে ও জানে। এখন হয়তো আমি মাদ্রাসার জন্য কালেকশান করছি ঠিক আছে এবং এভাবে কালেকশান করে আমি হয়তো আমার ঋণগুলো শোধ করলাম।

কিন্তু মানুষগুলো কি এভাবে কালেকশান করে ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করলে বা ঋণ শোধ করলে, তবে তা আমাকে সম্মান দেয়ার উপকরণ হিসেবে নিবে? নাকি বিষয়টিকে বা আমাকে অসম্মানের চোখে দেখবে? হ্যাঁ, যদি অসম্মানের চোখে দেখে, তাহলে আমি আবার সম্মানি হবো কিভাবে? আল্লাহর কালামের বাস্তবায়ন যে করবে, সে অসম্মানিত হবে, ইহাতো আদৌ সত্য হতে পারে না। যদি তার কাছে কোরআন থাকে তবে সে নিশ্চয়ই সম্মানিত।

আবার ঘরটি দিলাম আমি নিজকে উজাড় করে। মানুষকে ভালোবাসতে গিয়ে। হয়তো সম্মানিত কাজ মনে করে এবং বৃহদায়তন চিন্তা করে একটু বেশি খরচ করেছিলাম; যা লোকাল এরিয়ার জন্য হয়তো ভূল ছিলো। যেহেতু উনারা হয়তো আমাকে ওভাবে গ্রহণ করতে পারেন নি।

তবুও আমি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করলাম এবং এর অফিস দিলাম; ইসলামী অর্থনীতিতে ঋণ প্রদান এবং সমাজ সেবার এক অনন্য কাইটেরিয়া তৈরী করলাম জীবনের ঝুঁকি নিয়ে প্রায় একক ভাবে।

আপনারা প্রয়োজনে

এখানে ক্লিক করে

আমার নিজ কর্তৃক লিখিত এর গঠনতন্ত্রটি পড়ে দেখতে পারেন।

তাহলে মানুষের জন্য এক সাগর ভালোবাসা নিয়ে ইসলামী জগতে সৃষ্টি করতে চেয়েছিলাম প্রায় নতুন এক পৃথিবী; আর আজ সে ফাউন্ডেশনের জন্যে, সে ফাউন্ডেশনের অফিস ঘরের জন্যে ভিক্ষাবৃত্তি প্রথা গ্রহণ করে আমি কি একজন জ্বীন হিসেবে পৃথিবীর সভ্যতার ইতিহাসকে কলংকিত করতে চাই?

যে বংশ থেকে সভ্যতার ইতিহাস সৃষ্টি, সে বংশকে এভাবে আমি অপমানিত হতে দিতে পারি না।

যে মানুষটি নিজের পরিবার, নিজের সন্তানাদির লেখাপড়া থেকে শুরু  করে নিজ সন্তানাদির উন্নতি; এভাবে তার পার্সোনাল কোন দিকে কান না দিয়ে আপনাদের কথা ভাবলো (?), আর আপনারা কিনা চিরতরে তাঁকে অসম্মানের চাদরে ঢেকে দিতে চাইলেন?

যে মানুষটি তাঁর নিজের ছেলে-মেয়েদেরকে অর্ধাহারে অনাহারে রেখে, বাবার আদর-স্নেহ ও শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করে আপনাদেরকে নিয়ে প্রায় ২৪ ঘন্টা ভাবলো; অথচ আপনারা এ ঘরের পরবর্তী মালিক হিসেবে তাঁর এই ছেলে মেয়েদেরকেই একটা অসম্মানের মাঝে রাখতে চাইলেন (?), আপনাদের জন্য তারা বর্তমানেও বঞ্চিত হলো, আবার ভবিষ্যতেও অপমাণিত হলো; অথচ করতে চাইলো আপনাদের উন্নতি! আর এর দীর্ঘমেয়াদি প্রতিফল হিসেবে আপনারা তার ভবিষ্যত উত্তরশূরীদেরকেও করতে চাইলেন অসম্মানিত!? কলংঙ্কিত!?

আর উনি কোন্ বংশের ছিলছিলা, এটা কী জানেন আপনারা? ইনশাআল্লাহু তা’য়ালা খুব সহসাই জানতে পারবেন।

শুধু চোখ রাখুন  ar900.com  অথবা ফেসবুক পেজ   Bandhan foundation media   অথবা ইউটিউব চ্যানেল bandhan foundation media এর পর্দায়।

আর যেহেতু এভাবে আমি সভ্যতাকে অপমান করতে চাইনে; তাছাড়া রাসূলুল্লাহ (সা:) এঁর উম্মত ও বংশকে অপমাণিত করতে চাইনে; তাই এজ এ জ্বীন হিসেবে আমি বন্ধ করে দিয়েছি এ পন্থায় বা এভাবে কালেকশান করে তাঁর ঋণ পরিশোধের সিস্টেম।

তাঁর সমস্ত সঞ্চয় গ্রহীতাদেরকে দয়া করে আরো কিছুদিন ধৈর্য ধরার আহ্বান জানাচ্ছি। প্রয়োজনে আপনারা যেভাবে আমাদেরকে উপকার করেছেন, ইনশা’আল্লাহ আমরাও ঠিক সেভাবে বরং তার চাইতেও বেশি উপকার করবো।

ইনশাআল্লাহ আমরা ইনকাম করেই পারবো আপনাদের সঞ্চয় ফেরত দিতে। এরই সহযোগিতা হিসেবে শুধু আপনাদেরকে আমন্ত্রণ জানাই ar900.com এ ওয়েবসাইটের শুরুর দিকে সবুজ রঙে ইংরেজীতে লিখিত our media এখানে ক্লিক করে আমাদের প্ল্যাটফর্ম সমূহে যথা সম্ভব সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথে থাকতে।

কেউ একজন একদিকে অসম্মানিত হবে এবং অন্যদিকে কোরআনের কাজ করবে। এটা কেয়ামত পর্যন্তও সত্য হবে না। আর এ সূত্র থেকেই প্রমাণ করা যাবে, আমার কাছে যে জ্বীন আছে এ কোরআনের কেউ নয়। এ বড়জোর হয়তো কোন গুণীন-বৈদ্য।

অতীতের দিকে যদি আপনারা একটু ফিরে তাকান, তাহলে আপনারা স্পষ্টই বুঝতে পারবেন, মুসলিমদের বিখ্যাত লোকেরা কখনো নিচু বংশে জন্মগ্রহণ করেনি। তারা পরের জায়গার মধ্যে থাকেনি। পরনির্ভর হয়ে জীবন-যাপন করতে তারা পারে না। এ সূত্র থেকেও যদি আমি টাকা উত্তোলন করে, ঋণ পরিশোধ করি বা ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করি, তবে আমি কিছুতেই সম্মানী হতে পারি না এবং আমি যে আপনাদের জন্য ভালো কিছু বয়ে নিয়ে আসবো, তা কিন্তু সত্য হওয়ার কোন যুক্তি রাখে না। এমনিতেই আপনারা দেখতে পাচ্ছেন, আমার ফাউন্ডেশনে, আমার অনলাইন প্ল্যাটফর্মে কোন ভিউয়ার নেই। কারণ আমাকে সম্মান দেয়ার কোন উপকরণ হয়তো তারা খুঁজে পাচ্ছেন না।

৬) ঙ. মাদ্রাসার জন্য কালেকশান করে ও সে থেকে পারিশ্রমিক নিয়ে এবং না বুঝে আমি  ঋণ পরিশোধ করতে চেষ্টা করেছিলাম কিনা?

এখন হয়তো অনেকেই আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন যে, মাদ্রাসার জন্য টাকা উত্তোলন; এটা খারাপ কাজ বা অসম্মানিত কাজ হবে কেন? নাহ্! নি:সন্দেহে ইহা কোন বাজে কাজ নয়।

এখানে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিটাই হচ্ছে মেইন। যেমন আপনার কাছে আমি টাকার জন্য গেলাম। আপনি আমাকে বললেন, আপনি তো মাদ্রাসার কেউ না; আপনি চাকরি করেন অন্য জায়গায়। এরপর আমি যতই বলবো, মাদ্রাসার পক্ষ থেকে আমাকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে। তখন আপনিই বলুন, আমি কি আর সম্মানি হতে পারবো?

সে লক্ষ্যে আমি চেষ্টারও ত্রটি করি নাই। সেদিন হুজুরের সাথে কথা বলে, বেরুচ্ছিলাম কালেকশান করতে; কিন্তু অনেকদূর গিয়ে আবার ফিরে আসলাম মাদ্রাসার লিফলেট নিই নাই বলে। এরপর মহিপাল রোড়ে ইবিএল এর কাজ শেষে ট্রাংক রোডের দিকে সিএনজিতে বসে রওয়ানা দিলাম। একটু আসার পরেই মনে হলো, আমি তো হুজুরকে কথা দিয়েছি, মহিপাল থেকে কালেকশান করবো।

সিএনজি থেকে নেমে পুনরায় আবার মহিপালের সিএনজিতে উঠলাম। পহিপাল প্লাজাতে একটি দোকানে গিয়ে, টাকা চাইলাম, মাদ্রাসার লিপলেট দিলাম। এবার দেখি মাদ্রাসার রিসিট বই নিই নাই। ইতিপূর্বে বারৈইয়ার হাটে গিয়েও একদিন ফিরে এসেছি।

৩ বার ভূল যখন পেরিয়ে গেলো তখন ভাবলাম, আমার মনেহয়, আমার জ্বীন এ কাজে বাধা দিচ্ছে, তার পছন্দ হয়নি মনে হয়। ফলে আমি চেষ্টা করেও লাভ হবে না। তাছাড়া আমার মা আমাকে তাঁর যে বংশের কথা বললেন, এ বংশের সদস্য হয়ে আমি এ ভাবে ঋণ শোধ করতে পারি না। কারণ রাসূলুল্লাহ (সা:) আমাদের এ বংশের সদস্যদেরকে যাকাত খেতেও নিষেধ করেছেন।

একটা সুন্দর কথা শুনবেন, গত ২/৩ রমজানে আমার অরিশ রোগের রক্ত বেড়ে গিয়েছিলো। এবারো ঠিক আগের মতোই বেড়ে গেলো। তো যেইমাত্র আমার মা আমাকে বুঝিয়ে দিলেন আমরা আসলে কোন্ বংশের সদস্য এবং একই সাথে রাসূলুল্লাহ (সা:) এঁর হাদিস যখন প্রাপ্ত হলাম যে, এ বংশের সদস্যগণ যাকাত খেতে পারবে না এবং বিষয়টি আমি যখনই মেনে নিলাম; এর পরদিন থেকে অরিশের রক্ত একেবারে হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলো এবং আমার ভিতর থেকে জ্বীন কর্তৃক জানান দিচ্ছিলো যে, আমার অরিশের রক্ত আর যাবে না। সে থেকে আজ ৬ দিন কোন রক্ত আর যায়নি। তবে আত্মীয়-স্বজন থেকে সম্মানের সহিত কিছু নেয়ার বিষয়টি একেবারে ভিন্ন। না হয় এ মূহুর্তে আমাকে উপোষই মরতে হবে হয়তো।

ইনশাআল্লাহু তা’য়ালা অচিরেই আপনাদের প্রতি নিবেদন করবো এ বিষয়ক গবেষণার উত্তরমূলক প্রবন্ধ-

“আমি কে এবং আমার কাজ কী”

(ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।)

৭) আনুষাঙ্গিক ও প্রাসঙ্গিক হিসেবে উল্লেখিত আমার দক্ষতা মূলক বিষয়াবলী:

কিন্তু আ – ম – রি বাংলা ভাষা। কষ্ট ভরা বর্ণিল বুকে জমাট বাঁধা হাজার ভাষা। প্রতিদিনকার কাজে, ব্যবহারে, পাখির কলরবে সৃষ্ট নব নব, কত কত ভাষা!! ‘ষ’ দিয়ে লিখলে হয় এক প্রকারের ভাষা, আর ‘স’ দিয়ে লিখলে হয় আরেক প্রকারের ভাষা। ‘ভ’ দিয়ে লিখলে হয় অন্য অর্থে ভাষা। আবার ‘ব’ দিয়ে লিখলে হয় আরেক অর্থে ভাষা। ইট’স আ….ম…রি বাংলা ভাষা। আমার মায়ের ভাষা। আবার সাথে আছে এর আঞ্চলিক ভাষা। আরো রয়েছে এর লেখ্য ভাষা! কথ্য ভাষা! আরো আছে ইয়ো ইয়ো মনের ভাষা! পাখির ভাষা! ইত্যাদি।

আঁ!…মরি!….মরি! ইট’স মাই লাভ! ইটস মাই মাদার! ইট’স মাই ভালোবাসা! ওগো মা… জন্ম আমার ধন্য হলো! জন্ম আমার ধন্য হলো! জন্মিত করে রব মোরে ধন্য করলো! ধন্য করলো! রব মোরে ধন্য করলো!

ওগো রবীন্দ্রনাথ! যেহেতু তোমার গুণের ভারে, তোমার ত্যাগ আর পরিশ্রমে, বাংলা ভাষা আজ বিশ্ব দরবারে। তোমার কি এতে কিছুই পাওয়ার নেই তাহলে? শুধুই নোবেল প্রাইজে!? শুধুই ইংরেজদের থেকে!? নয় কেন মোদের থেকে!? ইংরেজ জাতি তোমায় নোবেল না দিলে কী হতো তাহলে? সমালোচনাই পেতে তাহলে!? পরিশ্রম করলে মোদের জন্যে, পুরস্কার পেলে ইংরেজ জাতি থেকে!? কেন নয় মুসলিম নামের শ্রেষ্ঠ জাতির কাছ থেকে!? হে মোর বাঙালি মুসলিম!! নয় কেন বাঙালি হতে? এ স্বভাব কেন তোমাদের হেবিটে। বলো দেখি, কী প্রয়োজন ছিলো ইংরেজদের তোমায় নিয়ে ভাবিতে? তবে ইংরেজ জাতি তোমার-আমার কী রকম উপকার করিলে, কিছু কি ভাবিলে!!?? অতএব এ সূত্রে প্রমাণিত হলো, ভদ্রতা রয়েছে ইংরেজিতে।। তাহলে, গালি কী দিবে কখনো তাদেরকে?

আর তাই বাংলা মায়ের এতো ভাষার মাঝে যুদ্ধাহত মুক্তিপাগল মৃত মুক্তিযোদ্ধা শহীদ ছেলের অপেক্ষমাণ মায়ের মতো অশ্রুসজল ব্যথাতুর হ্নদয়ে ভাবি, কোনটা ফেলে কোনটা লিখবো? তাই একটু দেরি হতে পারে হয়তো। তবে এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি যে, অন্তত হ্নদয়ের মণিকোঠায় পাবো আপনাদের দেখা।

কারণ আমার প্ল্যাটফর্ম গুলোতেতো আপনাদের স্পষ্ট ও সরব পদচারণা খুব একটা মিলে না। অবশ্য এটাও বলতাম না, যদি না আমি সীমাহীন অভাবগ্রস্থ হতাম। কারণ মূলত: আমরা আল্লাহর জন্য কাজ করি, তাই মানুষ না বুঝলেও নিজকে প্রবোধ দেয়ার মতো সান্ত্বনা আমাদের রয়েছে।

পরিশেষে স্পষ্ট উত্তর না পেলেও একটা অস্পষ্ট উত্তর হাতে নিয়ে সিদ্ধান্ত নিলাম, নাহ্! আমি ইনকাম করেই মানুষের ঋণ পরিশোধ করবো। কারণ আমি বীরের জাত। বীরাঙ্গনাই আমার কাজ। সবাই করে না যা, ইনশা’আল্লাহ আমরা করি তা! সবাই যা পারে না!! ইনশাআল্লাহ আমরা পারি তা!!

আমরা মুসলিম। আমরা বাঙালি। বীরত্বই আমাদের সাজ। মানুষই আমাদের প্রাণ। মানুষই আমাদের ভালোবাসা। আল্লাহ ভীতি, আল্লাহ প্রীতি, আর স্বদেশ প্রেমই আমাদের ভূষণ। আমরা এ দেশের মাটি থেকেই উত্থিত। এ দেশের মাটিতেই আমাদের শেকড়। আমরা হিন্দু, বোদ্ধ, মুসলিম, খ্রিস্টান। আমরা ক্রিশ্চান। আমরা গাহি সাম্যের গান।

সম্মানিত অমুসলিমগণ আপনাদের ভেঙ্গে পড়ার কোনই কারণ নাই এখানে। যেহেতু রবীন্দ্রনাথের নামের সাথেও এ বীর শব্দটি রয়েছে। হয়তো ‘র’ হরফটি পরে না হয়ে, হয়েছে আগে। আর আমার নামও আরেফ না হয়ে, হয়েছে আরিফ। যতদূর জানি আরেফ শব্দটির অর্থ আল্লাহু তা’য়ালার পরিচয় দানকারী। সেটা আরেফ। আরিফ নয়। কিন্তু বাংলা ভাষায় এ ‘র’ হরফটির স্বর চিহ্নের পরিবর্তন হয়ে ‘রে’ থেকে হয়েছে ‘রি’। এগুলো কোন সমস্যা না দাদা!!

আমাদের উদ্দেশ্য হিন্দু মুসলিম পৃথক করা নয়।

তাছাড়া বর্তমানে আমার চরিত্রওতো একধরনের বিপরীত মুখী। তা কী আপনারা লক্ষ্য করেননি? আমি শুধু নেগেটিভ খুঁজি!! কেন যে খুঁজি!! কী মনে হয় দাদা! আমি কি নেগেট যুইতের মানুষ!!

একটু ধৈর্য ধরেন আর লিখার সুযোগ দেন। ইনশাআল্লাহু তা’য়ালা সে বিষয়েও উত্তর খুঁজতে চেষ্টা করবো এবং আপনাদেরকে এ বিষয়টি জানিয়েও লিখবো আমার আরেকটি কন্টেন্ট-

আমার দৃষ্টিভঙ্গি নেগেটিভ কেন?

আশা করি সাথেই থাকবেন।

(ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।)

আপনারা কি লক্ষ্য করেননি, বাংলা ভাষার জন্য এবং বাংলাদেশের জন্য মরহুম বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান (দা. বা.) এর সাথেই রবীন্দ্রনাথ তিনিও অমর। যার মনোগীত বাংলাদেশেরই জাতীয় সংগীত। অতএব তার সাথে বা তার জাতের সাথে ধৃষ্টতা দেখানোর ভাষা আমার জানা নাই। তার শুধু একটি কথার জন্যে, তাকে জানাতে চাই হাজার বছরের সালাম । (এ সালাম প্রসঙ্গে আমার থাকবে গুরুত্বপূর্ণ কন্টেন্ট-

বর্তমান সময়ে সালামের নিয়ম

সম্মানিত অমুসলিম গণ আপনাদেরকেও অগ্রীম দাওয়াত দিয়ে রাখলাম, আমার এ সব কন্টেন্ট সমূহ পড়ার জন্যে এবং অধীকার অনুযায়ী আমাকে সহযোগিতা করার জন্য।)

তো যে জন্যে আমি আমার সেই রয়েল বেঙ্গল নামীয় পূর্ব পুরুষ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে সালাম জানাতে চেয়েছি, তা হচ্ছে তিনি বলেছিলেন, “বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর সবার আমি ছাত্র”। তাঁর এ কথাটি আমার জীবনের সাথে যেন পুরোপুরি মিলে গেছে। আজ আমার যদি কোন মাদ্রাসা থাকতো,

(২০২১ সনে যে বছর ১ম বিদ্রোহ করে ছিলাম নিজ জাতের সাথে, বিদ্রোহের পর পরই একটি অনলাইন মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠার কথা লিখেছিলাম, আপনারা দোয়া করলে মহান রব হয়তো কোন একদিন প্রতিষ্ঠিতওতো করে দিতে পারেন আমার সে মাদ্রাসা। তাই আপনাদের নিকট দোয়ার দরখাস্ত রইলো। সে কন্টেন্টটি আমার এ ওয়েবসাইটেও পাবলিস্ট করে রাখবো ইনশাআল্লাহ এবং সময়ে সময়ে করবো এডিট।)

তাহলে আমি আমার গুরু রবি ঠাকুরের এ কথাটি প্রতিষ্ঠানের একেবারে প্রধান ফটকে বা অনলাইনের প্রথম পেইজেই লিখে রাখতাম।

আমার সম্মানিত মুয়াজ্জিন ভায়েরা!!! ওদিন একজনে আমার মনে কষ্ট দিয়েছ, আর মসজিদ থেকে ফিরে এসে আমি তোমাদের বিরুদ্ধে কবিতা লিখলাম। আজ যা বলেছি তা যদি তোমাদের বুঝে না আসে, তবে আপাতত চুপ থেকো। আমি মুসলিমদেরকে খাটো করিনি, বরং একটি সত্য প্রকাশ করে আমাদের পুর্ব পুরুষদেরকে উজ্জ্বল করেছি এবং বাংলা সাহিত্যের আরেক উজ্জ্বল নক্ষত্র জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাথে (দা. বা.) সুর মিলিয়ে এই বলে জানান দিচ্ছি যে-

আমরা বীর, আমাদের উন্নত মমশীর; আমরা সঞ্চিত আর বিস্ফোরিতময় শক্তিনিয়ে নতজানু হয়ে মাটিতে ঠেকাই শীর; আমরা বিশ্ব বিধাত্রির। আমরা কালিমার রণতীর!!

(ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।)

যেহেতু আমি কাজ হাতে নিয়েছি। এতো দিন আমি বুঝতে পারিনি আমি কে? কিন্তু গত প্রায় ২২ বছর আমার এক জ্বীন বন্ধু, বার বার আমার নিকট এসে জানান দিচ্ছে, আমি আল্লাহর ওয়াস্তে তোমায় করবো সহযোগিতা; তুমি উল্কা বেগে এগিয়ে চলো। তুমি কাজ হাতে নাও। কিন্তু কোন্ সূত্রে কাজ হাতে নেবো আমি? এখন  পেয়েছি আমি আমার সূত্র। এখন যুক্তির নির্যাসে আর আত্মার বিশ্বাসে বুঝতে পারছি আমার সূত্র ১০০% সত্য। ইনশা’আল্লাহ আমি পারবো! আমিই হবো কৃতকার্য! আর তাই আজ ২৭ শে রমজান ১৪৪৪ হিজরি/১৮ এপ্রিল ২০২৩ খ্রি., মঙ্গলবার, রাত ১০ টায় আমি আমার জ্বীন বন্ধুকে নিয়ে  Bandhan Foundation বন্ধন ফাউন্ডেশন এর ফাউন্ডেশন অফিসে বসে ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, এ কন্টেন এর মাধ্যমে প্রাথমিক ভাবে আমার পঞ্চমুখী কর্মোদ্যেগের শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করলাম। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে আপনাদেরকে সহসা জানাবো ইনশা’আল্লাহু তা’য়ালা। আর কিছুদিন পরেই আপনারা জানতে পারবেন-জ্বীনের নামকরণ ও তার পঞ্চমূখী কর্মদ্যোগের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পত্র বিষয়ক প্রবন্ধ “জ্বীনের নামকরণ ও তার কর্মদ্যোগ।”

প্রিয় ভায়েরা, সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি মূহুর্তে, হয়তো লিখে বুঝাতে পারবো না আমি এতো সহজে।

রবীন্দ্রনাথ বললেন, সহজ কথা বলা যায় সহজে, কিন্তু লিখা (বোঝানো অর্থে) যায় না সহজে। উদাহরণ স্বরূপ ধরেন, যেমন মুখে কিছু না বললেও, ব্রেন যেহেতু নির্জীব কোন জড় পদার্থ নয়, অতএব সজীব মানুষদের ব্রেন ক্রিয়েটিভ থাকবেই। আর তাই মুখে কিছু না বললেও ব্রেন থেকে ব্রেনে নলেজ ট্রান্সফার হবে ও তা নিকটস্থ দৃশ্যমান এবং পাশ্ববর্তী ব্রেন সমূহে রি-স্টোর হবে। জীবন চলার পথে বিষয়টি খুব সহজেই অনুধাবন করা যায়। কিন্তু লিখা কী যায় এতো সহজে?

দেখেন, দীর্ঘ প্রায় ২২ বছর যেহেতু আমার জ্বীন বন্ধুটি আমার সাথে রয়েছে এবং যেহেতু একজন মানুষের সাবালক হওয়ার বয়স এবং লেখাপড়া শিখে যোগ্য হওয়ার বয়স পার করেছে সে আমার সাথে (যেহেতু সে আমার সাথে রয়েছে, আর তাই আমি মানুষের হিসাবটিই করেছি) ও আমার সাথে অনেকটা স্বাভাবিকও হয়েছে সে। তাই অংক কষে দেখলাম যে, নাহ্! এ জ্বীন মনে হয় আমার কাছ থেকে আর যাবে না। কারণ তার শিশুকাল যৌবনকাল এবংএকজন মানুষের কর্মক্ষম হওয়ার পুরো সময় অর্থাৎ তার শিক্ষা জীবনের পুরোটাই, সে আমার সাথে রয়েছে। আবার এ সময়ে সে যদি অন্য কারো শরীরে যায়, তাহলে যেহেতু সে জ্বীন, তাই মানুষ ভেধে তাকে আবার নতুন করে এ দুনিয়াকে শিখতে হবে, এটাই যুক্তি, এ জন্যে তার আবারও লাগবে প্রায় ২২ বছর। তাহলে সে আরো যাবে ২২ বছর পিছিয়ে। আর নিশ্চয়ই আমার মহান রব তাকে দায়িত্ব দিয়েই পাঠিয়েছেন এবং হয়তো এও নির্দিষ্ট করে দিয়েছেন যে, সে কার শরীরে প্রতিভাত হবে। একবার আমার শরীরে ২২ বছর থাকবে, আবার আরেকজনের শরীরে ২২ বছর থাকবে  এ রকম সাধারণত হতে পারে না।আর আমিতো কোন জ্বীনের অভিনয় করছি না।

(ভিক্ষাবৃত্তি বনাম ঋণ পরিশোধ, প্রবন্ধটি শেয়ার করার জন্য অনুরোধ রইলো।)

৮) শেষকথা/আমি কি পারবো ইনকাম করে ঋণ পরিশোধ করতে?:

এ প্রবন্ধটিতে আমি প্রবন্ধ লিখার উপর আমার কিছু আনুষাঙ্গিক ও প্রাসঙ্গিক যোগ্যতা তুলে ধরেছি এবং এতে আপনারা সবাই বুঝতে পেয়েছেন যে, সাহিত্যে, ধর্মীয় গবেষণায় এবং অন্যান্য জ্ঞানগর্ভ আলোচনায় আলহামদুলিল্লাহ আমার যোগ্যতা রয়েছে। আবার যেহেতু আমার অনলাইন প্ল্যাটফর্ম রয়েছে, আর তাই, আমি করতে পারি অনলাইন বিজনেস। সে হিসেবে আপনারা মনে করতে পারেন যে, আমার দ্বারা ইনকাম করে ৬/৭ লক্ষ টাকা ঋণ পরিশোধ সম্ভব।তাই আমার বংশকে অপমানিত করে, একটা সম্মানজনক কাজকে, সম্মানজনক ব্যক্তিকে, সম্মানজনক ভবিষ্যতকে কলংঙ্কিত করে, অপমানিত করে ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে ঋণ পরিশোধ করাকে বাদ দিয়ে বা সাধারণের চোখে অসম্মানিত পন্থায় টাকা উত্তোলন করে ঋণ পরিশোধের সিস্টেম বাদ দিয়ে, ইনকাম করেই ঋণ পরিশোধ করার সিদ্ধান্তকেই যৌক্তিক মনে করে তা গ্রহণ করি। এবং মাদ্রাসার জন্য টাকা উত্তোলন করে বিনিময় স্বরুপ পারিশ্রমিক নিয়ে ঋণ পরিশোধের সিস্টেম পরিহার করি।

অতএব, আশাকরি এ  প্রবন্ধটি ভালো করে পড়ে আমাকে পজিটিভ হিসেবেই বিবেচনা করবেন।

সবাইকে ধন্যবাদ। সকলে ভালো থাকুন। আপনাদের প্রতি শুভ কামনায় আজকের মতো এখানে শেষ করছি। আল্লাহ হাফেজ।