Please share-

সর্বশেষ আপডেট: ১৫ অক্টোবর, ২০২৩ খ্রি.

[বি:দ্র: এ ঘৃণ্য কাজের বিবরণ সম্বলিত এ বাস্তব গল্পে উল্লেখিত চরিত্র সমূহের ব্যক্তিগণ যদি আমাকে ব্যক্তিগত ভাবে ফোন করেন এবং ইসলাম ও মুসলিম উম্মার নিকট মাফ চান ও এ কাজ আর করবেন না বলে কথা দেন, তবে আমি আপনাদের ফোন নাম্বার, ছবি, ভিডিও ও অডিও গুলো অপসারণ করে অন্য কোন ছদ্দ ওয়ে প্রকাশ করবো বলে কথা দিচ্ছি। কিন্তু সেটা এ গল্প প্রকাশের কমপক্ষে ৬ মাস পর সংশোধিত করা হবে ইনশা’আল্লাহ। তবে কেউ ফোন না করলে অথবা আমার কিংবা আমার সাইটের কোন ক্ষতি করতে চাইলে, তাহলে আর কখনো এ মোবাইল নম্বর, অডিও, ছবি বা ভিডিও অপসারণ করা হবে না। ধন্যবাদ।]

পড়া চালিয়ে যান অথবা নির্দিষ্ট অংশ পড়তে নিম্নে ক্লিক করুন-

১। গল্পের সূচনা:

আজকে শোনাচ্ছি, আলেম ও হাফেজ দ্বারা সংঘঠিত আমার জীবনে ঘটে যাওয়া একটি বাস্তব শয়তানি কর্মের বিবরণ সম্বলিত ছোট গল্প।

যারা গল্প পড়তে ভালোবাসেন, তারা আমার জীবন সংশ্লিষ্ট এ বাস্তব গল্পটি পড়তে পারেন এবং আলেম ও হাফেজ সাহেবদের কয়েকজন আমার সাথে কী কী শয়তানি কর্ম করেছে বা তারা এখানে কেমন বা কী কী শয়তানি কর্ম করছে বা করে চলেছে, তা জানতে পারেন এবং তাদেরকে অতি বিশ্বাস বা অতি ভক্তি করতে গিয়ে এ ধরনের ফাঁদে যাতে আপনিও না পড়েন, এ গল্পটি পড়ে এ ধরনের বিষয় গুলো থেকে  হতে পারেনে সতর্ক। এবং অর্জন করতে পারেন একটি সামাজিক ও ধর্মীয় শিক্ষা।

এর আগের গল্পে (এখানে ক্লিক করে আগের পল্পটি দেখতে পারেন) আমি লিখেছিলাম, আমি খাদ্যাভাবে দিশেহারা হয়ে কর্মের উদ্দেশ্যে ঢাকার পথে রওয়ানা হয়েছি।

তাই অনেকের মনে স্বভাবতই প্রশ্ন আসতে পারে, তাহলে আমি ঢাকায় গিয়ে কী খেয়েছি, কোথায় থেকেছি এবং আবার বাড়ি এসে কিভাবেইবা পরিবারের সদস্যদেরকে বাজার করে খাওয়াচ্ছি? কারণ ইতিপূর্বেতো আমি বলেছিলাম আমি অর্থাভাবে ও খাদ্যাভাবে ঢাকায় চলে যাচ্ছি। আবার ৩ দিন পরেই আমি অর্থ কোথায় পাই যে, আমি বাড়ি এসে পরিবারের সদস্যদের জন্য বাজার করতে পারি? আমি কি তাহলে পূর্বে মিথ্যা বলেছিলাম? তাছাড়া আমি ঢাকা থেকে, কেনইবা ফিরে আসলাম।

এ বিষয় গুলো নিয়ে অনেকেই আমাকে সন্দেহ করতে পারেন মনে করে, আপনাদেরকে বিষয়টি পরিষ্কার না করে, ঘর  থেকে বের হতে আমার লজ্জ্যাবোধ করছে বিধায় বিষয়টি সংক্ষেপে জানানোর জন্য, আজকে শত চিন্তার মাঝে আবারো কলম ধরেছি।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটি শেয়ার করতে পারেন)

২। ঢাকায় আমি কোথায় ও কী কাজে গিয়েছিলাম:

আমার অর্থাভাব ও খাদ্যাভাব যখন চরমে উঠলো, তখন ভাবলাম, যে কোথাও এবং সাধারণ মানের হলেও একটা চাকরি নিতেই হবে। তখন ফেসবুকের একটি গ্রুপে দেখলাম “মসজিদ মাদ্রাসার জন্য খাদেম আবশ্যক”। করলাম ফোন। নম্বরটি ছিলো ০১৬০৬৩১৫৮২৫। তখন এ নম্বর থেকে বলা হলো। “এটা মসজিদ মাদ্রাসার জন্য অর্থ কালেকশানের খেদমত। বেতন ১০,০০০/- টাকা। থাকা-খাওয়া ফ্রি। শুক্রবার ও শনিবার সকাল ৯টা/১০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এবং সপ্তাহের বাকি দিন গুলো আসরের পর থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত ডিয়োটি। অন্য সময় পার্সোনাল কাজ করা যাবে বা শুয়ে বসে দিন কাটানো যাবে।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটি শেয়ার করতে পারেন)

৩। কাজটি রিয়েল কিনা তা যাচাই করণ:

আমি তাকে বললাম, কাজটা কি আসলেই রিয়েল? তখন অপর প্রান্ত থেকে বলা হলো ১০০% রিয়েল। আমি তাকে বললাম, তাহলে আপনাদের কালেকশানের ম্যামো বইটির ১টি ফটো কপি ও অন্যান্য কাগজপত্র যদি থাকে, আমার হোয়াটস এ্যাপে এগুলো পাঠান। সংঙ্গে সংঙ্গে তিনি পাঠালেন এবং নিজকে সহীহ্ ও নির্দোশ প্রমাণ করতে চাইলেন। ম্যামো ও কাগজ পত্র গুলো হুবহু আপনাদের জ্ঞাতার্থে নিম্নে তুলে ধরলাম।-

মাদ্রাসার ক্যাশ ম্যামো ১

মাদ্রাসার ক্যাশ ম্যামো ১

মাদ্রাসার ক্যাশ ম্যামো ২

মাদ্রাসার ক্যাশ ম্যামো ২

মাদ্রাসার অনুমোদন ইকরা সনদ

মাদ্রাসার অনুমোদন ইকরা সনদ

আমার মনে মনে ভয়ছিলো, এরা মুখোশধারী কোন অপরাধী ব্যবসায়ী চক্র কিনা! তবু তাদের কাগজপত্র দেখে এবং আমার এ দৈন্য দশায় সিদ্ধান্ত নিলাম, হ্যাঁ আমি জয়েন্ট করবো। যেহেতু আমার এখন বেঁচে থাকার খাদ্যই নেই, আর মৃত্যুর সময় মরা উটের গোস্ত খেয়েও যেখানে জীবন ধারন করা জায়েজ। সেখানে যোগদান করতেতো কোন সমস্যা নেই। প্রয়োজনে দিনের বেলাতে তো প্রায় সারা দিনই রেস্ট রয়েছে আমার। যোগ্যতা অনুযায়ী পরে অন্য কোন চাকেরিতো ধরা যাবে। একবার ঢাকায় উঠে যাই।

(এই নামে প্রকৃতই কোন প্রতিষ্ঠান থেকে থাকলে, তাহলে আশা করি আপনারা সতর্ক হবেন এবং কিছু বলার থাকলে, তাহলে এ পোস্টের কমেন্টস সেকশনে আমাকে পরামর্শ দিবেন। আপনাদের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনে আমি পোস্টটি এডিট করবো)

৪। এ চক্রের সদস্যদের এবং তাদের কাজের রিয়েলিটির পরিচয় ও আমার রাত্রি যাপনের স্থান:

যে সিদ্ধান্ত সে কাজ। তাদের ডিরেকশান মোতাবেক দিনভর বৃষ্টি আর অসুস্থতা নিয়ে কাপড় চোপড় আর ২টি কাঁথা বহন করে প্রাকৃতিক এ বৈরী ও প্রতিকুল অবস্থার মধ্যে অনেক কষ্ট স্বীকার করে ৫ অক্টোবর পবিত্র এশার নামাজের পর পর আনুমানিক রাত সাড়ে ৮টার দিকে8৭ উঠলাম গিয়ে টঙ্গী তিস্তা বাঁধ জামে মসজিদের পাশে স্বপ্ননীড নামক ৭ তলা ভবনের ৭ তলায় ছোট একটি রুমে। সেখানে গিয়ে দেখলাম ২ জন হাফেজ সাহেব। একজনের নাম হাফেজ আবদুল্লাহ আল নোমান, আর অন্য জনের নাম হাফেজ মোহাম্মদ মোবারক। প্রথম জনের মোবাইল নাম্বার ০১৬০৬৩১৫৮২৫ এবং ২য় জনের মোবাইল নাম্বার ০১৯৫০৮১৭৩০৩। ২ জনই নাকি নতুন; এ মাসেই নিয়োগপ্রাপ্ত। ২ জন হাফেজ সাহেবকে দেখে প্রাথমিক অবস্থায় আমার মোটামুটি ভালোই লাগলো।

কিন্তু আমি যাওয়ার একটু পরেই শুনলাম ২য় জন নাকি চলে যাবেন। এ চাকরী করবেন না। ৫/৬ দিন করেছেন। আর করবেন না। কারণ হিসেবে শুনলাম, কোন এলাকায় কালেকশান করতে গেলে ঐ এলাকার মসজিদের মুয়াজ্জিন নাকি তাকে কিছু বলেছেন, এতে তার মন ভেঙ্গে গিয়েছে। তাই তিনি চাকরি করবেন না।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটি শেয়ার করতে পারেন)

যাক বড় হুজুরের (এ ঘৃণ্য কাজের পরিচালক) সাথে কিছু বাক-বিতন্ডার পর তিনি চলে গেলেন। শুনলাম অন্যান্য এলাকাতেও এ মানুষ রুপি শুয়োর লোকটা বিভিন্ন হাফেজ বা হুজুর সিস্টেমের লোক নিয়োগ করে এ কাজটি করায়। সে তার নিজ মুখেই আমাকে বললো, প্রতি মাসের ১০ তারিখে নাকি প্রায় ২ লক্ষ টাকা তার এ কাজের কর্মচারীদেরকে বেতন দিতে হয়। হয়তো কিছুটা চাপাবাজি করেছেন। তবে বিভিন্ন জায়গায় তার এ কাজের কর্মচারী রয়েছে এটা হয়তো ঠিক। তবে একেবারে সঠিক অবস্থাটি আমার জানা নাই যে, আসলে ২ লক্ষ টাকা বেতন বাবদ তিনি খরচ করেন কিনা। দেখলাম তারা প্রতিনিয়তই ফেসবুকে এড দিচ্ছে, আর লোকেরা দূর দূরান্ত থেকে তাদের কাছে আসছে। আসার পর কেউ থাকছে, আর কেউ চলে যাচ্ছে।

উপরে উল্লেখিত ১ম হাফেজ মানুষটি এ কাজকে মনেপ্রাণে মেনে নিয়েছে, তা আমি দেখতে পেলাম। আবার আমি এও বুঝতে পারলাম সারা দিনে তারা ১ ওয়াক্ত নামাজও পড়ে না। আমি ফজরের নামাজের জন্য মসজিদে যেতে চাইলে, আমাকে বলেন, নিচের গেইটে তালা দেয়া থাকে, তাই ফজরের নামাজে যেতে পারবেন না।

তাই ফজরের নামাজ আমি আমার ধোয়া লুঙ্গিটিকে জায়নামাজ হিসেবে বিছিয়ে রুমেই আদায় করতাম। কিন্তু আশ্চার্য হয়ে দেখেছি মোহতামিম হুজুর (মানুষ রুপি বড় শয়তান, যার নাম হিসেবে আমাকে বলেছে মাওলানা মাসউদুর রহমান এবং যার মোবাইল নাম্বার ০১৯৮২৮৭৪১৫১), আর এ হাফেজ ভাইটি (হাফেজ নামের কলংক)  নাক ডেকে ঘুমায়, নামাজ পড়ে না। এবং পরবর্তীতে অনুমান করতে পারলাম, এ দু’জন ব্যক্তি কোন নামাজই পড়ে না। অথচ বড় হুজুর নাকি দাওরা পাশ ও মাদ্রাসার মোহতামিম। এবং এও অনুমান করলাম ও বুঝতে পারলাম এদের সাথে ও পক্ষে আছে, জ্বীন জাতের দুষ্ট সদস্য। এছাড়া অন্যান্য স্থানের কালেকটর ভায়েরা নামাজ পড়ে কিনা তা আমার জানা হয়নি। ভাবলাম বিষয়টা কী!! মসজিদ মাদ্রাসার খেদমত করবে, অথচ নামাজ পড়বে না!! প্রতি মাসে ২ লক্ষ টাকা শুধু কালেকটরদের বেতন দিবে!! তাছাড়া মানুষদের বাসায় গিয়ে ইয়াতিম বাচ্চাদের জন্য কৌশল গত ভাবে শুধু কোরআন শরীফ চাইবে!! বাজারে বা কোন দোকানে কালেকশান করা তাদের পক্ষ থেকে নিষেধ থাকবে!! কেউ টাকা দান করতে চাইলে কৌশলগত ভাবে নিতে চাইবে না!! শুধুই মহা সাধুর পরিচয় দিবে!! অথচ কৌশলগত চাপাবাজিতে টাকা নিতে পারলেও পরবর্তীতে খুশি জাহির করবে!!

আমার বুঝতে আর বাকী রইলো না। এরাতো কোরআন নিয়ে, সুন্নাতি লেবাস নিয়ে মানুষকে করছে প্রতারিত। মানুষ, কোরআন এবং সুন্নাতি, এ নুরানী জিন্দিগী, তথা প্রাণের নবী মহানবী হযরত মুহাম্মদকে (সা:) এরা ভয়ানক ভাবে অপমাণিত করছে এবং ভূলন্ঠিত করছে ইসলাম ও মুসলিমের পরিচয়। কারণ দিবালোকের মতো বুঝে গেলাম, আসলেতো এদের মসজিদ মাদ্রাসা বলতে বাস্তবে কিছুই নেই। এটাতো অর্থ ইনকামের একটি অপকৌশল ছাড়া আর তো কিছু না। তাই মনে মনে এদেরকে ধিক্কার জানাতে থাকলাম।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটি শেয়ার করতে পারেন)

৫। হায় আফচোস! কী করবো এখন আমি?:

যে আলেম আর হাফেজ হতে না পেরে, দু:খ ভরা হ্নদে আজ কান্না যেন আমার ঘুমরে খায়; অথচ এরা এ শিক্ষা অর্জন করে, কেমন করে এ শয়তানি কর্ম চালায়!!?? কেমন করে আলেম আর হাফেজ, এ সম্মানী আর উন্নত অবয়ব আর চরিত্র গুলোকে সাধারণের চোখে প্রশ্নবিদ্ধ করে!! অবিশ্বাস আর অপমানের দোলা চলে, সাধারণের চোখে ভাসিয়ে দেয় প্রকৃত আলেম আর হাফেজ ভাইদের ব্যক্তিত্ত্ব, চরিত্র, গ্রহণযোগ্যতা আর মূল্যায়নকে!!

পকেটে টাকাও নাই যে, এর প্রতিবাদ করবো। আগেই ভেবে রেখেছিলাম, গ্রামে আর ফিরে যাবো না। যেহেতু গ্রামের মানুষ আমার কাছে টাকা পাবে, লজ্জ্যায় মসজিদে যেতে পারি না। টাকা ইনকাম করে ঋণ শোধ করার সামার্থ্য অর্জিত হওয়া ছাড়া গ্রামে যাবো না।

তাই সিদ্ধান্ত নিলাম তারচাইতে কোনরকম একটা চাকরী ধরে তারপর কেটে পড়বো। আসলে ঋণগ্রস্থতার লজ্জ্যা, খাদ্যাভাব, মানুষের অপমাণ ও অসহযোগিতা এবং পারস্পরিক ভূল বোঝাবুঝি, আমাকে এমন পর্যায়ে পৌছে দিয়েছে যে, যা আমি ভাবতে পারলাম এবং যে নিয়তের মাধ্যমে হয়তো স্থায়ী ভাবেই জাহান্নামের পথেই চলতে থাকতাম!

কিন্তু মন ও স্বাস্থ্য আমার বিপরীতে অবস্থান নিলো। দাস্ত ও দাস্তের সাথে রক্ত গিয়ে আরো দূর্বল হতে থাকলাম। একটা বেসরকারি পলিটেকনিক কলেজে চাকরি খুঁজতে গিয়ে, ভালো ব্যবহার পেলাম না; তারা অনেকটা তুচ্ছ করলো আমায়। দুপরের দিকে দেখি ভাত আর নিচের দিকে নামে না। কেমন যেন মনমরা হয়ে যাচ্ছি, মানসিক ও শারীরিক ভাবে শক্তি হারিয়ে ফেলছি।

বাড়ি থেকে বউ ফোন দিলো। তাকে সান্তনা আর অভয় দিতে ছোট্ট একটি গল্প শোনালাম। যা এ রকম ছিলো-

এক বাঘ শীকারের উদ্দেশ্যে একটি গরুকে ধাওয়া করলে, গরু দৌড়াতে দৌড়াতে পাশে একটি কর্দমাক্ত কুয়ো দেখে বেঁচে থাকার তীব্র আকাঙ্খায় ঐ কুয়োর মধ্যেই ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং এর পিছন পিছন ঐ হিংস্র বাঘটিও ঝাঁপিয়ে পড়ে। এখন এ দুই প্রাণিই কুয়োতে থাকা কাদার মধ্যে ডুবে যায় ও দু’জনই  প্রায় গলা পর্যন্ত কাদায় আঁটকে যায়। ফলে কেউ আর নাড়াচাড়া করতে পারে না। দিন শেষে গরুর মালিক খুঁজতে খুঁজতে গরুটিকে ঐ কুয়োর ভিতর কাদার মধ্যে দেখতে পেয়ে সেখান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে যায় ও তাকে প্রশান্তি দেয়। আর হিংস্র বাঘটি সেখানেই পড়ে রয়, তাকে বাঁচাতে তখন আর কেউই এগিয়ে আসে না এবং আর্তনাদ করতে করতে এক সময় সেখানেই তার মৃত্যু ঘটে।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটি শেয়ার করতে পারেন)

বউকে বললাম, দেখ গরুর মতো সকল মুমিনেরই অভিভাবক রয়েছে। তাই ভয় করো না; আমি যদি মুমিন হই, তাহলে নির্দিষ্ট সময় আর পরীক্ষার পর ঠিকই আমার রব ঐ গরুর মতোই আমায় উদ্ধার করবেন এবং দিবেন আমাদেরকে প্রশান্তি। বউ আমাকে আর কিছু বললো না।

এদিকে ভাবতে থাকলাম, কী করা যায়! কাজতো এটা আমি পারবো না।

অন্যদিকে আমার হাফেজ ভাইটি কী সুন্দর, মিষ্টি সরল চেহারা, দাঁড়ি টুপি, পরিষ্কার জুব্বা, পবিত্রতা, বাকপটুতা আর ব্যক্তিত্বের একটা সম্মানী লুক নিয়ে এবং মানসিক ভাবে এ কাজে সম্মত থেকে চাতুরতা আর কৌশলী ভাবে পারদর্শিতার সাথেই কাজটা চালিয়ে যাচ্ছে!! অথচ তার এ অবয়বটি আসলে মুখ নয়, এর পুরোটাই ক্রিম লাগানো মুখোশ ছাড়া আর কিছু দেখতে পাইনি আমি!!

আবার মানুষ রুপি বড় শয়তানটা (মোহতামিম!!) আমাকে বলে, আমার জন্য সে জুব্বা ছিলিয়ে দিবে, ভালো টুপি লোয়ে দিবে, পাগড়ি লোয়ে দিবে। ওগুলো পরে বের হতাম।

মনে মনে চিন্তা করতে থাকলাম, আল্লাহু তা’য়ালা কেন যে মানুষকে বুদ্ধি দিলো! আজ যদি এতো বুদ্ধি মানুষকে না দিতো, তাহলে যারা এতো বাজে বুদ্ধি মাথায় রাখে না, সে প্রকৃত বা সরল মানুষ গুলো হয়তো এতো প্রতারিত হতো না এবং এরাও সরল সহজ ও ভালো মানুষদেরকে এতো প্রতারিত করতে পারতো না। ক্রিম লাগানো এতো মুখোশ না দেখে, মানুষের মুখে মুখই দেখতে পেতুম!! কোনটি মুখ, আর কোনটি মুখোশ, এ সন্দেহ আর দ্বিধা-দ্বন্দে পড়তে হতো না সাধারণ মানুষদেরকে!

হ্যাঁ, বোধদয় হলো আমার, বুঝতে পারলুম মানুষের জন্য সৃষ্টি করা বুদ্ধি নামের এ মহান নেয়ামতই, আসলে রবের একটি মানুষকে পরীক্ষার অন্যতম উপকরণ ছাড়া আর কিছু নয়!! যেহেতু দুনিয়াটা পরীক্ষার স্থল!! তখন অবনত মস্তকে হয়তো মনের অজান্তেই বেরিয়ে এলো  আল্লাহু আকবার!!

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটি শেয়ার করতে পারেন)

মনে মনে তীব্র ভয় পেতে থাকলাম, ধাঁন্দাবাজদের বিভিন্ন মুখী নীল নকশার ফাঁদে পতিত হয়ে যেমন করে গ্রাম থেকে আসা হাজারো অবলা আর সরলা যুবক-যুবতি আর শিশুদের ক্ষুদিত আর্তনাদ সহ্য করতে করতে একসময় যেমন তাদেরকে মেনে নিতে বাধ্য হয় মানুষ রুপি এ জানোয়ারদেরকে বা তাদের কর্মকে; তাদের মতোই আমিও কি এক সময় এ হারামের সাথে মিশে যেতে বাধ্য হবো তাহলে!!?? হারিয়ে যাবো মানুষের রুপ থেকে!! জাহান্নাম হবে আমার আবাস স্থল!! এমনিতেই ভাবছি আমি কি আবার ফিরে যেতে পারবো আমার রবের পথে!? কারণ আমি যে ঋণগ্রস্থ!!

৬। স্ত্রীর প্রতি অনুরোধ:

এক ফাঁকে ফোন করে স্ত্রীর প্রতি অনুরোধ করলাম, সে যেন এবার বাপের বাড়ি একটু বেশি দিন বেড়িয়ে আসে। কারণ হাতে আমার টাকা নেই; আমার বাড়ি এসে খাবে কী তারা। তাছাড়া সে বছরের মাথায় এবার বেড়াতে গিয়েছিলো। আগে বাপের বাড়ি গেলে, তাকে বলে কয়ে অল্পদিনে আনতে আমার কষ্ট হতো। কিন্তু এবার সে থেকেছে মাত্র ১০ দিনের মতো। অর্থাৎ আগের মতোই বেড়িয়েছে।

এখন আমি যদি আবার ঢাকা থেকে না আসতাম এবং অল্প হলেও কিছু টাকা না পেতাম (কোথায় পেয়েছি পরে উল্লেখ করেছি), তাহলে সে যে কী খেতো, আমার মা (এ মাসে আমার দিকে মায়ের খানা ছিলো) ও শিশু সন্তানদেরকে কী খাওয়াতো এবং কোন্ সাহসে আমি টাকা দেয়া ছাড়া সে এলো, তা সেই ভালো জানে। আমার মাকে না হয়, আমার ভায়েরা খাওয়াতো; কিন্তু সে এবং আমার শিশু পুত্র-কন্যাদেরকে কে খাওয়াতো? যাক তার সাহসের তারিফ করি আমি। এমনতো না যে, তার বাবা গরীব বা কয়দিন বাড়তি করে থেকে এলে, তার সেখানে কোন অশান্তি হতো।

তাকে এ বিষয়ে, আমি যখন জিজ্ঞাসা করি, তখন সে আমাকে বলে, ছেলে-মেয়ের লেখা-পড়া নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তাই চলে এসেছে।

আমি তাকে বললুম, শিক্ষার আগে স্বাস্থ্য, তুমি যদি তাদের ভাতই খাওয়াতে না পার, তাহলে কিভাবে পড়া চালিয়ে যেতে। এতে সে শুধু দ্বীর্ঘ শ্বাস ছাড়ে আর মুখে বলে, আপনি না এলে আসলে কিভাবে যে, খাদ্যের ম্যানেজ করতাম, তা জানিনা।

আমি তাকে বললাম, ৬/৭ জনের পরিবার, কে তোমাকে এতো খানা দিবে বলো? এতে সে নির্বিকার!! যাক, আল্লাহু তা’য়ালা আপাতত ব্যবস্থা করেছেন। ইনশা’আল্লাহ সামনেও এই আল্লাহই ব্যবস্থা করবেন। কারণ তিনি আমাদের রব, আমাদের অভিভাবক।

ইয়া আল্লাহ!! আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদেরকে আপনি হেফাজত করুন। আমাদের প্রয়োজনীয় চাহিদা পূরনে কখনো কষ্ট দিয়েন না, ইয়া আল্লাহ! আমাদেরকে ঋণমুক্ত করুন। প্রিয় পাঠক, আপনাদের প্রতি অনুরোধ, আপনারাও আমাদের জন্য এ দোয়াটি করবেন।

৭। এরা কি আমায় বেতন দিতো:

ভাবছেন এরা কি আমায় আসলে মাস শেষে বেতন দিতো? আমার কিন্তু মনে হয়নি। কারণ প্রথম যেদিন গেলাম, এরা আমায় বললো, আপনি হোটেল থেকে খেয়ে আসেন। আমরা টাকা দিয়ে দেবো। কিন্তু কয়েকবার টাকা চাওয়ার পরেও এরা আমায় টাকা দেয়নি। অথচ মাত্র ৫০/- টাকা খেয়ে ছিলাম। আবার পরদিন বুয়াকে দেয়ার জন্য, আমাকে দিয়ে দিচ্ছি বলে, আরো ২০/- টাকা ধার হিসেবে নিলো আমার কাছ থেকে এবং রাতে মোহতম নামের বড় ইবলিশ রুপি মানুষটা আমায় বললো, আপনার যত টাকা খরচ হয়, তা লিখে রাইখেন; মাস শেষে দিয়ে দেবো। আমি বললাম, আমি টাকা কোথায় পাবো? আমার কাছে আপনি বেতন দেওয়া ছাড়া বাড়ি যাওয়ার ভাড়ার টাকাটাওতো নাই। এ কথা শুনে মনে হয় লোকটা খুশিই হলো, কারণ আমাকে আঁটকিয়ে রেখে, মানুষদেরকে আমাকে দেখিয়ে কালেকশান করাতে পারবে ভালো; এই তার মানসিক অবস্থা ছিলো মনে হয়। আবার তাকে শুধালাম, আমার কাছে মাত্র ৩০০/- টাকা আর খুচরা কয়েক টাকা আছে। যা আমার ঔষধের জন্য লাগবে এবং আপনি অগ্রিম বেতন না দিলে হয়তো ১০/১৫ দিন পর থেকে আমি ঔষুধও খেতে পারবো না।

পরদিন যখন কালেকশনে গেলাম, তখন নগদ প্রায় ৭/৮ শ টাকা উঠলো এবং আগামী মাসের ১০ তারিখে দিবে বা ফোন করে দিবে এ রকম চুক্তিতে কোরআন শরীফ বা তার সম পরিমাণ মূল্য (আসলে বুঝলাম, কোরআন শরীফ তারা নিবে না। এটাতো নুরানী কোরআন, হাফেজী না ইত্যাদি তাদের অজুহাত থাকবে হয়তো) ৩০০/- টাকা দিবে, এ রকম ১৬/১৭টি কুরআন শরীফ দেয়ার চুক্তিতে দান করলো সরল গোছের খেটে খাওয়া ও হয়তো চরম কষ্টে থাকা মানুষ গুলো।

নগদ উত্তোলিত এ টাকা থেকে যখন আমি তাদের জন্য আমার পকেট থেকে পূর্বদিনের খরচকৃত ৭০ টাকা কেটে রাখলাম, তখন আমার সাথে থাকা হাফেজ ভাইটি তা মানতে চায় না; আমিও তাকে দেই না। শুরু হলো কথা কাটাকাটি। এক পর্যায়ে আমি বললাম বড় হুজুর এর মিমাংসা করবে, আপনি তাকে বইলেন। রাতে বড় হুজুর নামের জানোয়ার রুপি মানুষটা রুমে এলে, সে আমাকে বললো, আপনি আপনার খরচকৃত ৭০/- টাকা পেয়েছেনতো? আমি বললাম পেয়েছি। তিনি আর কিছু বললেন না।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটি শেয়ার করতে পারেন)

পরদিন যখন আবার, কালেকশনে বের হলাম, এবং কিছু কালেকশন করে ফিরে আসার পথে দেখলাম, আমাকে জুতো কিনে দেয়ার জন্য হাফেজ ভাইটির প্রচন্ড আকাঙ্খা। যেন তিনি আমায় জুতো কিনে দিবেনই। আকারে ইঙ্গিতে আমাকে বোঝাতে চেষ্টা করলেন, এ রকম পুরোনো রাবারের জুতো পরে বের হলে, কালেকশান ঠিকমতো হবে না!!

অন্যদিকে আমি ভাবলাম, যেহেতু আমি একটা চাকরি খুঁজবো, আর চাকরি খুঁজতে গিয়ে এ ধরনের পুরোনো রাবারের জুতো পরে গেলে, হয়তো আমাকে অযোগ্য-অপদার্থ মনে করে দরজা দিয়েই ঢুকতে দিবে না; তাই আমার ১ জোড়া চামড়া বা রেকসিনের জুতো প্রয়োজন। ঢাকায় আসার দিন প্রায় অবিরাম ভারী বৃষ্টি হওয়ার কারণে চামডার জুতা আনতে পারিনি আমি। না হয় আমার নিকট চামড়ার জুতা ছিলো।

যাহোক, হাফেজ ভাইটি টঙ্গী রেল স্টেশন থেকে আমাকে ৩০০/- টাকা দিয়ে ১ জোড়া জুতো কিনে দিতে সমর্থ হলেন। জুতো কিনে যখন রুমে এলাম, তখন তিনি বললেন, এগুলো চোরাই জুতো, এ জন্য এতো সস্তা; না হয় আপনার এ জুতো ২টির দাম ছিলো কমপক্ষে ৫০০/- টাকা।

আমাকে মানসিক ভাবে আঘাত করার জন্যই হয়তো কথাটি তিনি আমায় বলেছিলেন। যেহেতু ইসলামে চোরাই কিছু কেনা নিষিদ্ধ।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

আমি বললাম, ভাই এগুলো চোরাই না–কী (?), তা সন্দেহ করে আমার এতো ভাববার প্রয়োজন নাই; এতোই যদি ভাবি, তাহলে আপনার সাথে যে কালেকশান করছি, এ কাজ গুলাও আমি পারবো না। উনি চুপ হয়ে গেলেন। কারণ তিনি আমাদের কালেকশানের এ কাজটি যে অবৈধ, তা এর মধ্যেই কৌশল গত কারণে আমাকে স্বীকার করেছেন। তারপরও তিনি বাধ্য হয়ে এবং একটু বেশি সুখের আশায় এ কাজটি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অনুমানে আমাকে বুঝালেন।

আসলে, হাফেজ ভাইয়ের আমাকে জুতো কিনে দেয়ার এতো আগ্রহ কেন ছিলো, আপনারা কি তা বুঝতে পেরেছেন? আমিও প্রথমে বুঝি নাই। কিন্তু পরে বুঝলাম (না আবার অতি বোধদয়ের কারণে ভূল বুঝলাম কিনা তাও জানি না, হাফেজ ভাইয়ের মনের প্রকৃত অবস্থা আল্লাহই ভালো জানেন), আমার মনে হয়, আমার সব টাকা শেষ করে দিয়ে আমাকে দূর্বল ও তাদের সাথে কালেকশানে অবিচল রাখাই ছিলো তার প্রকৃত উদ্দেশ্য।

কারণ সে আমাকে এ সবের প্রতিবাদ করে বসি কিনা, মনে মনে ভয় করছিলো বোধ হয় (যা স্পষ্ট তাদের চোখে মুখে দেখতে পেতুম, কারণ তারা স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছিলো, আল্লাহর রহমতে আমি ঈমানদার (আলহামদুলিল্লাহ), আমি শিক্ষিত মানুষ; আমার ইউটিউব চ্যানেল, ওয়েবসাইট, ফেসবুক পেজ ও গ্রুপ ইত্যাদি রয়েছে এবং আমি গুছিয়ে লিখতে জানি)

তাই যতক্ষণ পর্যন্ত আমার মন থেকে তাদের এসব কর্মকে মেনে নিবো না, আর এর মূল পরিচায়ক হিসেবে নামাজ পড়া বন্ধ করবো না, ততক্ষণ পর্যন্ত এরা আমার বেতন দিবে কিনা, এ বিষয়টিও হয়তো আমার কাছে নিশ্চিত ছিলো না।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

৮। আমি কোথায় টাকা পেলাম এবং এ ঘৃণ্য কাজের প্রতিবাদ করতে পারলাম ও বাড়ি এসে পরিবারের জন্য বাজারও করতে পারলাম:

জুতা কিনে আমার হাতে আর মাত্র ১২ টাকা কি ১৫ টাকা অবশিষ্ট ছিলো। আর এতে সে মনে হয় তার মনের আশাটিই পূর্ণ করলো। কারণ এবারতো আমি শক্তিহীনা!! এখনতো আমি আর হয়তো ফিরে আসতে পারবো না। যেহেতু আমি তাকে পূর্বে জানিয়ে ছিলাম, নিজেদের কাউকে আমি আমার কোন বিষয়ই জানাবো না এবং গ্রামের টাকা শোধ করা ছাড়া গ্রামে আর ফিরে যাবো না। ফলে বাধ্য হয়ে তার সাথে, আমি এ কাজটি করে যাবো!

আমি আসার পূর্বদিন কালেকশান করতে গিয়ে রিসিট কাটা হয়েছিলো মাত্র ৬টি, আর আমি আসার পর আমাকে নিয়ে প্রথম দিনই কাটা হয়েছিলো ২০টি।

ঠিক এ মূহুর্তে আল্লাহু তা’য়ালার কী এক ইশারায় আমার নগদ এ্যপ্লিকেশনে কোন টাকা আছে কিনা তা দেখতে ডাউনলোড ও ইনস্টল করলাম এ্যপ্লিকেশনটি। মোবাইল ব্যাংকিং এ এপ্লিকেশনটির ব্যবহার বন্ধ করেছিলাম প্রায় ১ বছর পূর্বে। এটা বন্ধ করার কারণ ছিলো, একবার ব্যবসা করার উদ্দেশ্যে চা পাতা কিনেছিলাম অনলাইনের মাধ্যমে উত্তর বঙ্গের কোন একটা ব্যবসায়ি থেকে মনে হয়। কিন্তু টাকা পাঠানোর সময় ঐ ব্যবসায়ির যে নাম্বারে নগদ করা ছিলো, সে নাম্বারে না পাঠিয়ে, ভূল ক্রমে তার যে নাম্বারে নগদ রেজিস্ট্রেশন ছিলো না, ঐ নাম্বারে পাঠিয়ে দিয়েছিলাম আমি। এরপর যত চেষ্টা করলাম নগদ থেকে টাকাটা আর রিটার্ণ পেলাম না। ঐ ব্যবসায়িও নাকি টাকাটা তুলতে পারে নাই। পরবর্তীতে তাকে টাকাটা আবার পাঠাতে হয়েছিলো।

রাগে, দু:খে নগদ এপ্লিকেশনের ব্যবহার এতোদিন বন্ধই রেখেছিলাম আমি। তবে আমি সিউর ছিলাম ও মনে মনে স্থির ছিলাম যে, নগদ একাউন্টে আমার কোন টাকা নেই।

কিন্তু এদিন এপ্লিকেশনটি যখন ওপেন করলাম, তখন আশ্চর্য হয়ে দেখলাম অল্প কিছু টাকা আছে। যা দিয়ে অন্তত বাড়ি ফিরে যাওয়া যাবে এবং এ জঘণ্য কাজের প্রতিবাদ করা যাবে। বা অল্প কিছু হয়তো বাজারও করা যাবে। এ টাকা যে এখানে ছিলো, সত্যিই আমি জানতাম না। জানলে কখনোই আমি, এরচাইতে ভালো চাকরি ধরা ছাড়া বাড়ি থেকে ঢাকায় যেতাম না। খুব মনোযোগের সহিত চিন্তা করতে থাকলাম, এ টাকা এখানে এলো কোত্থেকে। আমিতো জানতাম, আমার কোথাও কোন টাকা নেই। কিন্তু চিন্তা করে কোন কুল কিনারা বা সদুত্তর পেলাম না।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

৯। আমি এ ঘৃণ্য কাজের প্রতিবাদ করলাম যেভাবে:

শুধু বুঝতে শিখলাম, মহান রব যদি ৫ টাকাও দেন, তবে সে ৫ টাকা রবের নির্দেশিত পথেই ব্যয় করতে হবে। মানে এখন আমাকে প্রতিবাদই করতে হবে। স্পষ্ট বুঝতে পারলাম রবের পক্ষ থেকে এখন আমাকে এ নির্দেষই দেয়া হয়েছে।

প্রিয় পাঠকবৃন্দ আপনারা মনে কইরেন না যে, আমি অনেক টাকা ফিরে পেয়েছি। আর যারা আমার কাছে টাকা পাবেন, তাদেরকে এ টাকা থেকে আসলে দেয়ার মতো কোন এমাউন্ট আমি পাইনি।

আপনারা আমার জন্য অনেক সহ্য করেছেন, যা আসলে অনেকটা ইতিহাস ও রেয়ার। কারণ এ জগতে অনেক স্থানেই যেখানে ভাই, ভাইয়ের জন্য; পিতা তার পুত্রের জন্যে পর্যন্ত কনসিডার করতে পারে না বা করে না; সেখানে আপনারা আমাকে অনেক ছাড় দিয়েছেন; যার তুলনা সত্যিই বিরল। আপনাদেরকে আজ হোক কাল হোক টাকা দিয়ে দিবো ইনশা’আল্লাহ। আর এবটু দয়া করুন আমাকে!! আর কিছুদিন সুযোগ দিন আমাকে!!

এবার মানসিক ভাবে একটু প্রাণ ফিরে পেলাম। ভাবলাম যদি মুমিন হই, তাহলেতো আমাকে এর প্রতিবাদ করতেই হবে। আর প্রতিবাদই যদি না করি তাহলেতো মুমিনের পরিচই আমার থাকলো না। সে ক্ষেত্রে আল্লাহু তা’য়ালাকে কি আমার অভিভাবক হিসেবে আর ঐ ভাবে পাবো?

আর তাই স্থানীয় মসজিদের ঈমাম সাহেবের ফোন নাম্বার কালেকশান করলাম মসজিদের পাশের এক দোকানী থেকে। মনে করলাম কী করা যায়, হুজুরের সাথে একটু পরামর্শ করি! (?), হুজুকে জানাই। যেহেতু মসজিদ এলাকায় হুজুরের দায়িত্ব রয়েছে।

সে লক্ষে হুজুরের কাছে ফোন করলাম। মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম থেকে আমাকে জানানো হলো, নাম্বার ইজ নট ইউজ।

বিশাল মসজিদ। মসজিদের নাম তিস্তা বাঁদ জামে মসজিদ। ৫/৬ তলা হবে মনে হয়।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

হুজুরকে বলার বা হুজুর থেকে পরামর্শ নেয়ার উদ্দেশ্যে আসরের নামাজে একটু আগেই গেলাম। বসলাম মুয়াজ্জিনের সাথেই প্রায়। আগে আমি যখন মসজিদে নামাজ পড়তে যেতাম, তখন এ জায়গাতেই বসতাম। কিন্তু ধীরে ধীরে মানুষের বাজে দৃষ্টি, বাজে ব্যবহার (যেহেতু আমি সার্টিফিকেট ধারী আলেম নই, যেহেতু আমাকে দেখতে আলেম আর আমার মাঝে তেমন কোন পার্থক্য দেখা যায় না, বরং আমার কিছু কিছু ব্যবহার আলেমকেও ছাড়িয়ে যায়) এবং পরবর্তীতে আমি ঋণী হয়ে যাওয়ায় আমি নিজ থেকেই এ জায়গায় বসি না আর। আপনাদের সকলের নিকট দোয়া চাই, আমি যেন ঋণমুক্ত হয়ে পুনরায় এ জায়গায় বসতে পারি!!

১০। মসজিদের হুজুরকে এ ঘৃণ্য কাজ সম্পর্কে জানানোর পর তিনি কী করলেন!! যা একজন আলেমের দ্বারা কখনোই কাম্য ছিলো না।

আসরের নামাজ শেষে, যখন হুজুরকে সম্মানের সহিত এ ঘৃণ্য কাজ সম্পর্কে জানাতে চেষ্টা করলাম; তখন তিনি সামান্য শুনেই বিষয়টি বুঝে ফেললেন এবং আমাকে বললেন “চুপ, চুপ, চুপ।; শব্দ কইরেন না।” আমি জোস ও আক্ষেপের সহিত আরো একটু বললাম, “হুজুর এরাতো বাসা-বাড়িতে গিয়ে তাদের মাদ্রাসার এতিম বাচ্চাদের জন্য শূধু কোরআন চায়!! আসলে পুরো ব্যাপারটাই ভুয়া।”

হুজুর আমাকে আবারো বললেন,“চুপ-চুপ।” তখন আমি তাকে বললাম, “ঠিক আছে যখন আপনার শক্তিই নেই, তাহলে আর চুপ না করে কী করবো!!”

কিন্তু আমি বুঝলাম না, এ হুজুরটি নাকি স্থানীয় মাদ্রাসারও শিক্ষক। ভেবে কুল পেলাম না, দুনিয়ার মুহাব্বত, এ হুজুরটিকেও কেন এভাবে গ্রাস করলো!? তিনি কি পারতেন না (?), ২/৪ জন সহ গিয়ে অন্তত একটি সাক্ষাতকার নিতে? তারা কিসের কালেকশান করে, অন্তত তা পরিষ্কার করতে? এবং এও পারতেন, তাদেরকে একটা উচিৎ শিক্ষা দিতে, এতে কিছু মানুষ হলেও সতর্ক হতে পারতো। হয়তো নিজের সম্মান বা রুটি-রুজির উপর কিছুটা হস্তক্ষেপ আসতো হুজুরের। এর বেশি কিছুতো হয়তো হুজুরের হতো না। জানিনা এদের কালেকশানের ভাগ এ হুজুরও পেতো নাকি!!

অবশ্য হুজুরকে দেখে আমার তা মনে হয়নি। আমার মনে হয়েছে, হুজুর এসবের প্রতিবাদ করাকে তার আরাম-আয়েশ বা সম্মানী জীবনের উপর একটি বাড়তি ঝামেলা বা বিপরীত হস্তক্ষেপ মনে করেছিলো; তাই আমাকে চুপ থাকতে বলে ছিলেন। অর্থাৎ তিনি তার পদ ও সম্মান হারানোর বা মান-ইজ্জত খর্ব হওয়ার ভয় করছিলেন হয়তো।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

আমি বুঝতে পারি না, এ সামান্য জেহাদ টুকুও যদি হুজুর না করতে পারেন; তাহলে রাস্তায় জাতীয় রাজনীতীর কারণে এবং কোন্ ঈমানী বল নিয়ে, এ ধরনের হুজুর গণ মিছিল মিটিং করতে যায়!! আর ওয়াজ মাহফিলে লম্বা লম্বা বুলি আওডায়! ও ঈমানী জজবা দেখায়!!

আর আমি কি বাঙ্গাল হয়ে, এ ধরনের কথা ও কাজ কি বলছি না!? হয়তো আপনার বা আপনাদের মতো সুস্থ ও সবল থাকতে পারছি না, এই আরকি!! এতে হয়তো আমাকে দূর্বল থেকে দূর্বলতর করার চেষ্টা করা হচ্ছে!! আমার চ্যানেল ও সাইটকে হয়তো এ্যটাক করার বা পপুলার হতে বাধা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারপরও কি আমি অব্যাহত ভাবে চালিয়ে যাচ্ছি না?

তবে হুজুর শুনেন, আপনি এবং আপনার মতো হুজুরেরা, আজ শুধু ওয়াজ নসিহতই করে যাচ্ছেন, ইসলামী দ্বীন কায়েমের এবং সমাজ পরিবর্তনের ফলপ্রসু কোন বাস্তব কর্ম কিন্তু করছেন না। আর তাই মানুষ মূলত আপনাদেরকেও আজ বিশ্বাস করে না। চিন্তা করুন, আপনি বা আপনার মতো হুজুরদেরকে মানুষ হয়তো একবেলা দাওয়াত করে ভাত খাওয়ায়, সালাম দেয়; কিন্তু ৫০০/- টাকা বা ১০০০/- টাকা আপনার কাছে আমানত রাখতে সাধারণ মানুষ কি ঐ ভাবে আপনাদেরকে আর বিশ্বাস করে!? মানুষের ইজ্জত, আবরুর হেফাজতকারী হিসেবে কি আর সাধারণ মানুষের কাছে আপনারা আজ বিশ্বস্থ?

সোজা উত্তর হলো, মোটেই না। মানুষ থেকে আপনারা যে টুকু পাচ্ছেন, এটা অনেকটাই আপনাদের চেয়ারের সম্মান, এটা আপনাদের সম্মান নয় (বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই)। আর আপনাদের এ ধরনের সম্মান, মানুষগণ ডিসি এসপিকেও করে।

আমার আশ্চর্য লাগে, আমি এতো দূর থেকে গিয়ে প্রতারিত হলাম, আর যাদের কাছে প্রতারিত হলাম, এরা এ কাজের মাধ্যমে শুধু আমাকেই প্রতারিত করছে না, এরা হোল ইসলাম ও মুসলিমকেই প্রতারিত করছে।

যে প্রতারণার বিষয়টি বুঝতে পেরে আমি প্রায় নি:স্ব মানুষ প্রতিবাদ করছি; আর ঠিক সে বিষয়টি শুনে আপনি সবল মানুষ হিসেবে চুপ থেকেছেন, এবং আমাকেও চুপ থাকতে বলেছেন। আল্লাহ্ তুমি স্বাক্ষি থেইকো!!

বাহ্ হুজুর বাহ্। এ বিষয়ে ভালোইতো দেখলাম আপনাকে। তাহলে থানা, পুলিশ, কোট, কাঁচারি, মসজিদ, মন্দির, গীর্জা সকল স্থানেই বুঝি আপনাদের পকেট আগে ভারী হতে হবে; এর পরে মানবতার আর্তনাদ শুনতে পাবেন, তাই না?

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

আমি এতোদূর থেকে গিয়ে মজলুম হলাম, আর আপনি শুনতেও চাইলেন না (?) আমি কোথা থেকে এসেছি বা এদের নিকট কেমন আছি!? এ বুঝি মুসলিম ভাই হিসেবে আমার প্রতি আপনার কর্তব্য ছিলো!? তাহলে এতে তো মানুষের প্রতিই আপনার ভালোবাসার যথেষ্ট অভাব প্রমাণিত হয়েছে।

তবে মানুষকে কিসের ওয়াজ নসিহত শুনান!? এ শুধু আপনাদের বিদ্যা, বুদ্ধি আর কৌশল, তাই না? কোন্ কথা বলে মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারবেন, শুধু এই ধান্দা?

যাক হুজুর, আমার এ লিখা গুলো আপনি পাবেন কিনা, আমি জানি না; কিন্তু আপনার মতো হুজুরদের স্পষ্ট জানা উচিৎ শুধু মাদ্রাসার বড় সার্টিফিকেট, হাফেজ বা আলেম হওয়া, বিদ্যা-বুদ্ধি, বাহ্যিক সুন্নতি পরিচয়, এ সবই নাজাতের জন্য যথেষ্ট নয়।

আসলে একজন দ্বীনের দায়ী হিসেবে আপনার এক্টিভিটিজ মোটেই ভালো লাগে নাই আমার কাছে।

ভাই, রাগে দুখে, ঈমানের পরিচায়ক হিসেবে অনেক কথা বলে ফেলেছি। এখানে আপনার সাথে আমার ব্যক্তিগত কোন ফ্রিকশান নেই। আমি একজন সাধারণ মানুষ। সার্টিফিকেটের অভাবে মাদ্রাসার মুয়াজ্জিনের চাকরিটা যেখানে আমি পাচ্ছি না, সেখানে আপনার মতো হুজুরকে নিয়ে কথা বলার অধিকার আমার নেই।

তাই আপনার নিকট বিনীত ভাবে আমি মাফ চাই। প্লিজ পারডন মি!! বা আপনি মূলত কী কারণে বা সেখানকার কোন্ পরিস্থিতির কারণে এতো নিচ্ছুপ, তাতো আর আমি জানি না। তাই আপনার নিকট আমি আবারো ক্ষমা চাই।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

১১। আমি আর এ ঘৃণ্য চাকরি না করার সিদ্ধান্ত জানানোর পরে কী হলো:

এদিকে মসজিদের হুজুরের নিকট আসার আগেই, রুমের হাফেজ ভাইকে জানিয়ে দিলাম, আমি আর চাকরি করতে পারবো না। কারণ এ হারাম চাকরি আমার দ্বারা আর সহ্য হচ্ছে না; আমি অসুস্থ হয়ে যাচ্ছি।

তিনি সাথে সাথে তার শয়তানি কর্মের পরিচালক মোহতম হুজুরকে ফোন করলেন এবং আমার বিষয়টি বললেন। সব শুনে তিনি আমার সাথে কথা বলতে চাইলেন, আমি ফোনটি হাতে নিয়ে বললাম, এই যে ৩দিন থেকেছি, আমার বেতন দিতে হবে?

তিনি বললেন আপনি যাচ্ছেন কবে? আমি বললাম কালকে সকালে। আজকে ট্রায়াড লাগছে, একটা কলেজে গিয়েছিলাম, জার্নি করেছি; তাছাড়া শরীর আমার অসুস্থ।

তিনি খুব অসোন্তস প্রকাশ করলেন; কিছুটা বাক্-বিতন্ডাও হলো এবং তার চাকরি করতে এসে কেন আমি অন্য চাকরি খুঁজতে গেলাম, তা তিনি জানতে চান। অবশেষে বললেন, রাতে তিনি আসবেন, তখন বলবেন যা বলার।

অন্যদিকে আমি চলে আসার সিদ্ধান্ত যখন নিয়েছি, চলেই আসতাম। মসজিদের হুজুরের সাথে কথা বলার পর পরই বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিয়ে দিতাম। কারণ এ হারাম চাকরির স্থলে ১ মিনিটও আমার সহ্য হচ্ছিলো না!!

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

থেকেছি আসলে আমাকে এ ৩ দিনের বেতন দিবেন, এ আশায় নয়; কারণ তিনি যে আমায় বেতন দিবেন না, তা আমি জানতাম। আমার ইচ্ছে ছিলো কোনমতে যদি তার একটা স্বাক্ষাতকার নেয়া যায়!! তাহলে তা সোস্যাল মিডিয়ায় তুলে ধরে এ অপকর্মের বিচার চাইবো এবং করবো মানুষদেরকে এ থেকে সতর্ক। এ বিষয়ে চেয়েছিলাম মসজিদের হুজুরটা আমাকে সহযোগিতা করবে! কিন্তু তাকে তো আর পেলাম না!!!

যাক রাতে এ শয়তানি কর্মের হোতা লোকটা আসলো এবং শুরু হলো আমার সাথে কথা কাটাকাটি ও কিছুতেই আমাকে বেতন দিতে রাজি হলেন না তিনি। এবার আমি আমার টার্গেট মোতাবেক বললাম, ঠিক আছে হুজুর, তাহলে আপনি আমাকে একটা স্বাক্ষাতকার দেন। এ বলে যখনই মোবাইল ক্যামেরাটি ওপেন করলাম, ঠিক তখনই উনি আমার প্রতি মারমুখী হয়ে গেলেন। আমি আসলে একটু বেশি সাহসী (!!!) হওয়ায় এবং যদিও লোকগুলো খারাপ কাজ করছে, তবুও রক্তারক্তি করবেনা মনে করে এবং ইতিপূর্বে ব্যাকগ্রাউন্ডে কখনো ভিডিও করার অভিজ্ঞতা না থাকায়, সরাসরিই করতে চেয়েছিলাম।

এতে শুধু ক্ষণকালের ভিডিও ও অল্পসময়ের অডিও করতে সমর্থ হয়েছিলাম।

ভিডিও ক্লিপটি দেখতে-

এখানে ক্লিক করতে পারেন

এবং অডিও ক্লিপটি শুনতে-

এখানে ক্লিক করা যেতে পারে

(নিজের ফোনে অবশ্যই গুগল ড্রাইভ এবং যে কোন অডিও ও ভিডিও ভিউয়ার , এ এপ্লিকেশন গুলো প্লে স্টোর থেকে বিনা মূল্যে ইনস্টল দিয়ে নিবেন। নতুবা অডিও ও ভিডিও সমূহ ওপেন নাও হতে পারে।)

অন্যদিকে আমার সহকর্মী হিসেবে হাফেজ ভাইটির কোন ছবি বা ভিডিও নেয়া আমার দ্বারা স্বম্ভব হয়নি। এ হাফেজ ভাইটিই মূলত, উপরে উল্লেখিত এ অপকর্মের পরিচালক (ভিডিওতে যাকে দেখতে পাচ্ছেন) এর পক্ষে ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে এড দিয়ে সরল, ঈমানদার ও বেকার ভাইদেরকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে এবং মানুষদেরকে হয়রানি করছে ও কষ্ট দিচ্ছে।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

এবার মোহতম হুজুরকে একটু ঠান্ডা মাথায় বললাম, এতো উত্তেজিত হচ্ছেন কেনো। স্বাক্ষাতকার দিতে না চাইলে দিবেন না। সমস্যা নেই আমি সুইচ অপ করে দিচ্ছি। তিনি বললেন, এখনই অপ করেন। আপনাকে কে অনুমতি দিয়েছে, ছবি তোলার। উনি মনে করছিলো আমি ছবি তুলছি। এ বড় হুজুরটি দেখতে অতোটা মানান সই নয়। কিন্তু তার পক্ষে কাজ করা হাফেজ ভাইটি যথেষ্ট মানান সই এবং কাজেও সে যথেষ্ট বিচক্ষণ।

দেখুন না, সে আমাকে বললো, নাহ্ মানুষকে হয়রানি আর করবো না। আমার সব পোস্ট ডিলিট করে দিচ্ছি। সত্যি! এখন আমি ফেসবুক ঘেঁটে, কোন্ পোস্টটা পেয়ে ঢাকায় গিয়ে ছিলাম, চেয়েছিলাম সে পোস্টটা আপনাদের জ্ঞাতার্থে প্রকাশ করি। কিন্তু সম্ভব হয় নাই। তার এ ধরনের পোস্ট আমি আর একটিও খুঁজে পেলাম না। কারণ তিনি জানতেন, তার এ ধরনের পোস্টকে নিয়ে আমি তাদের বিরুদ্ধে পোস্ট ছাড়বো। তাই এর আগেই তার এ ধরনের সমস্ত পোস্ট ডিলিট করে দিয়েছেন সে।

এখন শুরু করবে হয়তো অন্য আইডি দিয়ে এবং নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির ভাষা ও স্টাইল হয়তো পরিবর্তন করে মানুষদেরকে কষ্ট দেয়ার ভিন্ন সিস্টেম!!

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

১২। মহান রবের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা:

ইয়া আল্লাহু তা’য়ালা! ৩টি দিন আমি এ হারামখোর মানুষদের সাথে একত্রিত হয়ে তোমার ইয়াতিম বাচ্চাদের হেফজ্ করানোর কথা বলে সাধারণ মানুষের বাসা-বাড়ি থেকে পবিত্র কোরআন শরীফ কালেকশান করেছি এবং মাদ্রাসার উন্নয়নের কাজ চলছে বলে নগদ টাকাও উত্তোলন করেছি। যা ছিলো সম্পূর্ণ ভূয়া এবং তুমি ও তোমার বান্দাদের সাথে প্রতারণা ও জুলুম। তুমিতো জানো, এ কাজ গুলো আমি স্ব-ইচ্ছায় করিনি; বাধ্য হয়ে করেছি এবং আলহামদুলিল্লাহ পরবর্তীতে আমি প্রতিবাদও করেছি; দেশবাসিকে সতর্ক করতেও প্রচেষ্টা চালিয়েছি বা চালাচ্ছি। আর এ প্রতিবাদ করতে গিয়ে এবং তোমার সাথে আমার প্রেমের আতিসয্যে, তোমার ঘরের দায়িত্বে নিয়োজিত ঈমাম সাহেবেরও অনেক সমালোচনা করেছি। জানি না ওখানকার পরিস্থিতি আসলে কী ছিলো! যাই হোক এ কাজ গুলো আসলে ভালো করিনি; যা বাধ্য হয়ে করেছিলাম। আসলে এ ঘৃণ্য কাজে জড়িয়ে আমি আমার নিজের উপরই জুলুম করেছি। এখন আমি আমার এ কৃতকর্ম সমূহের জন্য তোমার কাছে এবং সে সব ভায়ের কাছে, যাদের কাছে মিথ্যা কথা বলে, মিথ্যা অভিনয় করে এ কালেকশান গুলো করেছিলাম, তাই আপনাদের ও যাদের কাছ থেকে কালেকশান করেছি, এঁনাদের সকলের কাছে করজোড়ে ক্ষমা চাচ্ছি, মাফ চাচ্ছি। তুমি এবং তোমার এ বান্দারা যদি আমায় ক্ষমা না করো, তাহলে আমি কার কাছে ক্ষমা চাইবো ও কিভাবেইবা নাজাত পাবো!! তাই তোমার কাছে অনুরোধ আমার এ লিখাটুকু, তাদের কাছে পৌঁছিয়ে দিবে, যাদেরকে ধোকা দিয়েছিলাম আমি; যারা আমাকে বিশ্বাস করেছিলো; আর তাদের সে বিশ্বাসকে পুঁজি করে আমি আমার অবৈধ স্বার্থসিদ্ধি করেছি। যা জীবনে কখনো আমি কামনা করিনি। তোমার প্রতি প্রার্থনা, তুমি তাদের থেকে আমাকে ক্ষমা লোয়ে দিবে এবং ভবিষ্যতে কোনদিন আমাকে দিয়ে এ ধরনের ঘৃণ্য পাপের কাজ করাবে না এবং ঈমাম-মুয়াজ্জিনদের সাথে যাতে অবৈধ কোন বিষয় নিয়ে কোন ধরনের তর্ক-বিতর্ক করতে না হয় এবং তাদের কোন কাজে যাতে সমালোচনা করতে না হয়, আমাকে সে পথে পরিচালিত করবে। হে আল্লাহ্! আমার এ মুনাজাত টুকু তুমি কবুল কর। আমিন।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

১৩। রিক্সএ্যবল একটি জেহাদ থেকে কিভাবে বাড়িতে ফিরে এলাম:

তো মোহতম হুজুর আমায় বললেন, আপনি যাবেন কখন? আমি বললাম, আমি আসলে মানুষকে কষ্ট দিয়ে বা মানুষের বিপরীত কোন কিছু করতে চাই না এবং করিও না। আপনার যদি আমার থাকার বিষয়ে বা আগামী কাল যাওয়ার বিষয়ে মনে কষ্ট থাকে এবং আপনি যদি চান, তাহলে আজকেই আমি চলে যাবো।

তিনি বললেন, ঠিক আছে আপনার ব্যবস্থা আমি করছি। তিনি কোথায় যেন মোবাইল করলেন এবং মোবাইল শেষ করে আমাকে বললেন রাত ১০ টায় ফেনীর ট্রেন আছে, আপনি এখনি চলে যান। বললাম, ঠিক আছে, আমি এখনি চলে যাচ্ছি। তবে রাত ১০ টায় যে ট্রেন আছে বললেন, তা ঠিক আছে তো? তিনি অনেকটা তাচ্ছিল্ল্য আর উত্তেজিত ভাবেই বললেন, আমি কি না জেনে বলেছি?

তখন রাত প্রায় পোনে ৮ টা বাজে। এ সময়ে টঙ্গী রেল স্টেশনে এসে টিকেট কাউন্টার থেকে জানতে পারলাম একটি লোকাল ট্রেন রয়েছে রাত ১১ টায়।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

এরপর সিদ্ধান্ত নিলাম আবদুল্লাহপুর এসে স্টারলাইনে করে আসবো। কারণ ঢাকায় যা যানজট!! অল্প টাকার জন্য সায়েদাবাদ আসতে আসতেই আমার হয়তো রাত প্রায় ১১ টা পার হয়ে যেতে পারে। তাছাড়া রাতের বেলা বলে কথা! তাই এ সময়ে স্টারলাইনকেই নিরাপদ, কম্পোটেবল ও উপযুক্ত মনে করলাম।

এবং আবদুল্লাহ পুর এসে স্টারলাইনের টিকেট কেটে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওয়ানা দিলাম।  নিম্নে স্টারলাইনের এ টিকেটটি (বাড়ি আসার জন্য যে টিকেটটি কেটে ছিলাম) আপনারা দেখতে পারেন। আমি আপনাদের জ্ঞাতার্থে টিকেটটিও পাবলিস্ট করে দিলাম। কারণ আপনাদের অনেকের বিশ্বাস-অবিশ্বাস এবং সামাজিক গীবত-চোগলখুরী, চাটুকারিতা, চাপাবাজিতা, ফোন আর ইশারা ইঙ্গিতের কারণে আজ আমি প্রায় জর্জরিত।

আমার সঠিক যোগ্যতা বা আমার সঠিক মূল্যায়ন আজ আর মানুষদের অনেকের কাছেই নেই। কারণ মূর্খ আর গ্রাম্য অনেক গুলো মানুষদের দৃষ্টিতে আমি কোন আলেম নই; আমি হলাম জ্বীন গ্রস্থ বা রোগী!! আমার কোন ধর্মীয় প্রাতিষ্ঠানিক বিদ্যা নেই!!

তাই আমি স্পষ্ট বুঝতে পেরেছি অনেক গুলো মানুষ হয়তো আমাকে সহযোগিতা করার পরিবর্তে আঁটকিয়ে রাখাকেই তাদের ও সমাজের ভদ্রবেশি মানুষদের উন্নতির পথে একটা সোফান মনে করছেন এবং কেউ কেউ আমাকে নিয়ে হয়তো তাদের মুখোশ উম্মোচিত হওয়ারও ভয় করছেন!! আবার কেউ কেউ হয়তো এও ভয় করছিলেন যে, কিভাবে আমার মতো ছোট মানুষকে তাদের সমান বা তাদের চাইতে বড় হিসেবে মেনে নিবেন বা শ্রদ্ধা করবেন!!

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

আবার যেহেতু আমার মুখ একেবারেই নাছোড় বান্দা ও মুক্ত মনের; সে কখনো গ্রুপিং আর লেয়াজুর ধার ধারে না। ঠিক যা সত্য, তাই বলে দেয়। আর তাই এ জন্য আমি হয়েছি আজ অনেকের চোখে হয়তো কালারিং মানুষ। অন্যদিকে আমার অর্থাভাব, ঋণগ্রস্থতা ও বেকারত্বের সুযোগে তারা হয়েছে চালাক, যোগ্য আর সমাজের দৃষ্টিতে ভদ্র ও সামাজিক মানুষ। তাই ভবিষ্যত রেফারেন্সের উদ্দেশ্যে টিকেটটিও পাবলিস্ট করে রাখলাম।

স্টারলাইন টিকেট ঢাকা টু ফেনী

স্টারলাইন টিকেট ঢাকা টু ফেনী

এবং রাত প্রায় ৩ টার দিকে আমার বাড়ির সামনে বন্ধন ফাউন্ডেশনের অস্থায়ী অফিসে এসে পৌঁছালাম ও এ যাত্রার পরিসমাপ্তি ঘটালাম।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

১৪। গল্পটির সত্যতার প্রমাণ ও যাদের চোখে আমি আজ সবচাইতে বেশি অপমানিত:

দেখা যাবে তারা হয়তোবা স্থানীয় কোন দোকানদারের বালক ও অশিক্ষিত কর্মচারী। নতুবা স্থানীয় কোন দোকানী। নতুবা কোন দোকানের মেচিয়ার কিংবা ওয়েটার। নতুবা কোন রিক্সা বা সিএনজি ড্রাইভার। অথবা কোন তাবলীগ কিংবা ধর্মীয় কোন রাজনৈতিক পার্টির মূর্খ সদস্য অথবা গীবত-চোগলখুরী, ফোন আর ইশারা ইঙ্গিতের কারণে সমাজের কোন প্রতিষ্ঠিত মানুষ। এদের চোখেই আমি আজ সবচাইতে বেশি অপমাণিত।

তবে এদের বেশির ভাগই অশিক্ষিত ও মূর্খ মানুষ। এদেরকে বলেন, শুধু আমার মতো এভাবে একটা প্রবন্ধ লিখো বা তুমি কোন্ দিক দিয়ে এ গল্পের লিখক আরিফ ভাইয়ের চাইতে বেশি চালাক তা জানাও; তখন এরা না শুধু, এদের দাদারাও হয়তো এর সমকক্ষ কিছু নিয়ে আসতে পারবে না।

হ্যাঁ একটা কিছু বলতে পারবে। সেটা হচ্ছে তাদের কাছে, পয়সা আছে, আমার কাছে পয়সা নেই; তাদের কাছে চাপা আছে, সত্য-মিথ্যায় মিলিয়ে বলতে পারে, আমি তা পারি না। তারা গীবত-চোগলখুরী, ফোন-ইশারা-ইঙ্গিত ইত্যাদির মাধ্যমে মানুষদেরকে মিথ্যা আর নিজেদের অবৈধ স্বার্থের দিকে মোটিভেট করতে পারে, তাই তাদেরকে লোকে চালাক বলে; আর আমি এগুলো পারি না।

এবার তাদেরকে বলুন, তাহলে কেনো তোমরা নিজের ব্যক্তিগত চিন্তা না করে, উনার সাথে তোমাদেরকে তুলনা কর? তোমরা যদি তার সমানই না হও তাহলে কেন তোমরা তাকে নিয়ে বিবেচনা করবে? মানসিক ভাবে তাকে অপমাণিত করবে? তখন ওরা উত্তর না দিলেও, উত্তর একটিই বেরিয়ে আসবে, আসলে তারা অশিক্ষিত, মূর্খ, অযোগ্য, অল্প বয়স্কা বালক শ্রেণী অথবা ধুরন্ধর।

ভাই-বোন-বন্ধুরা এরা তাদের দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে বা মানসিক ভাবে আমাকে অপমান করছে বা আশপাশের মানুষদেরকে আমার অযোগ্যতা প্রকাশ করছে, আমাকে সকলের কাছে কালারিং করছে, ইহা এ জন্য না যে, আমি ঐ সকল দোকানীর বা অন্য কোন দোকানীর টাকা মেরে খেয়েছি, বা আমার কাছে কোন দোকানি টাকা পাবে সে জন্যে। আমার এ ৪৬ বছর বয়সে, আমি কোন দোকানদার থেকে বাকি করিনি। শুধু এবার প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করতে গিয়ে, প্রাতিষ্ঠানের জন্য অল্প কিছু বাকি করেছিলাম। তাও এখন শুধু ১ জন হার্ডওয়ার দোকানদার ১ হাজার টাকা এবং ১ জন গ্রীল ওয়ার্কশপ দোকানদার ৩ অথবা ৪ হাজার টাকা পাবে। আর কোন টাকা কোন দোকানদার পাবে না। অথচ সাডে ৮ লক্ষ টাকা ব্যয় করে আমি বন্ধন ফাউন্ডেশনের অস্থায়ী অফিস ঘর দিয়েছিলাম।

তাহলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন আসতে পারে, তবে এ দোকানী গুলো বা দোকানের মূর্খ বালক কর্মচারী গুলো আমাকে মানসিক ভাবে অপমান করে কেনো?

এর উত্তর হচ্ছে এরা আমাকে সরল ও একটু বোকা টাইপের মনে করে। যার জন্য এরা আমাকে অনেক সময় ঠকাতে পারে বা পেরেছে এবং এ একই কারণে অনেক সময় তারা আমাকে অবহেলা করতে পেরেছে। দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে রাখতে পেরেছে।

আসলে আমি এতো ঝগড়া প্রিয় নাতো, বা বাহুবল বা চাপার বল এসব দেখাই নাতো, তাই তারা হয়তো পারছে অথবা আমি উন্নত চরিত্রের বিধায়, সাধারণ এ মানুষ গুলোর সাথে, এ সব বাজে বিষয়ে কথা বলে ব্যক্তিত্ব হারাতে চাইনি বিধায় এবং আমার ভালো কোন ইনকাম না থাকায় হয়তো সম্ভব হচ্ছে। অথবা আমার সাথে জ্বীন জাতির সদস্যগণ থাকায়, অনেক সময়ই আমি কী এক অজ্ঞাত কারণে কিছু কিছু বিষয় ভূলে যাই বা সাধারণ আচরণ হয়তো তখন আমার কাছ থেকে দৃষ্ট হয় না, সে জন্যেও পারতে পারে।

এছাড়া তাদের কথা হলো আমি এভাবে দূর্বলতা প্রকাশ করি কেনো? তাহলেতো আমি নিশ্চয়ই বোকা।  ইত্যাদি।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

আসলে সকলের জানা উচিৎ, দূর্বলতা প্রকাশ ১০০০ জন ব্যক্তির মধ্যে ৯৯৯ জনের যদি বোকামির কারণে হয়; আর বাকি ১ জনের হয় কিন্তু সাহসিকতার কারণে!! ইনশা’আল্লাহ সে ১ জন আমি। আল্লাহর রহমতে এ দূর্বলতা গুলো প্রকাশের সে সৎ-সাহস আমার রয়েছে বিধায় আমি এভাবে আমার দূর্বলতা সমূহ প্রকাশ করেছিলাম!! অথবা ইহাও সত্য হতে পারে যে, বর্তমানে আমি এতোই দূর্বল যে, যা আর ঢেকে রাখার মতো শক্তি আমার কাছে নাই; অর্থাৎ হাজার রকমের ক্ষত, ঔষুধ দিমু কত? এ পরিস্থিতির কারণেও হয়তোবা আমি এ রকম করতে পারি।

উপরে যা প্রকাশ করেছি, যদি এর বিপরীতে আমার নিকটতম, কিংবা দূরতম কোন দোকানদারের সাহস থাকে যে, তুমি আমার কাছে টাকা পাবে বা ছোট বেলা থেকে এ পর্যন্ত কোন দোকানে বাকি করেছ, বা কারো সাথে আমার এ বয়সে আমি মিথ্যা কথা বলেছি, তাহলে কমেন্টস সেকশনে বলো!?

কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ! তোমরা কেউ বলতে পারবে না। এমনতো নয় যে, আমি কোন শক্তিধর কিংবা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব। তাহলে এ বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে বলতেতো ভয় নেই। তাহলে নিশ্বয়ই বলতে পারো। হ্যাঁ তোমরা কমেন্টস করো! আমি উত্তর দেয়ার জন্য প্রস্তুত রয়েছি। আসলে কোন দোকানীই পারবে না যে কারো সাথে আমি মিথ্যা বলেছি, ইনশা’আল্লাহ এ ধরনের কথা তোমরা কেউ বলতে পারবে না।

সম্মানিত ভিউয়ার, আপনারা বলতে পারেন, নিজকে নিয়ে আমি এ ধরনের কথা এবং এতো বড় চ্যালেঞ্জ কেন জুডিয়ে দিচ্ছি?

আসলে মনে অনেক সময়ই কষ্ট লাগে যখন কোন মুর্খ বালক ছেলে আমার অযোগ্যতা ছড়ায় এবং মানুষের নিকট আমাকে অপমাণিত করে। তাহলে বলতে পারেন, আজকের গল্পের সাথে এর রিলেশন কোথায়?

হ্যাঁ, এখানেই হচ্ছে আমার মূল উদ্দেশ্য। ওদেরকে কিংবা আমার বিপক্ষ অথবা সন্দিগ্ধ শক্তিকে আমার বিরুদ্ধে লেলিয়ে দিয়েছি। এবারতো কিছুনা কিছু তারা আমার বিরুদ্ধে বলবে বা বলতে চাইবে; আর সম্মানিত ভিউয়ার, এতে আপনারা আমার মৌলিক চরিত্র বৈশিষ্ট্য-বিশ্লেষণ করে বলতে পারেবেন, আসলে আমি গল্পটি সত্য বলেছি কিনা? আমার কাছে যে, ফিরে আসার টাকা ছিলো না, এ বিষয় গুলো আসলে আমি সত্য বলেছিলাম কিনা? তাই অনুরোধ সকলে কমেন্টস এর অপেক্ষায় থাকুন। এতে আশা করা যায় এ গল্পের সত্যতা মিলবে।

আর এটা আমার একটা স্বভাবও বটে। আমি যখন কোন কিছু পরীক্ষা বা যাচাই করতে যাই, তখন সেটাকে পরিপূর্ণ নেগেটিভের মধ্যেই ডুবিয়ে দেই। আর এ বিষয়টি আত্মসমালোচনার ক্ষেত্রে আমার নিজের বেলাতেও। এবং এ নেগেটিভের মধ্যে যদি প্রমাণিত হয় পজেটিভ তার শক্তিশালি; তবেই তাকে সত্য বলে মেনে নিই আমি। সম্ভবত আমার মৌলিক চারিত্রিক এ বৈশিষ্ট্যের কারণেই আজ আমি এতো জনের কাছে পরীক্ষার পাত্র হয়ে গেছি এবং এতো ঋণের ভারে জড়িয়ে গিয়েছি বা এতো বিপদে পড়ে গেছি। আবার আমার এ ধরনের সব কিছুই প্রাকৃতিক ভাবে অটোমেটিক ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়াতেই হয়। এখানে আমি কোন কিছু ইচ্ছে করে কিংবা নিজ থেকে অভিনয় করে করি না।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

১৫। যারা এ অপকর্ম করে যাচ্ছেন, তাদের প্রতি বিনীত অনুরোধ:

দেখুন ভায়েরা, আপনারা মনে করতে পারেন, আমি আপনাদের বিরুদ্ধে আমার এ লিখনী পরিচালনা করছি এবং আপনাদেরকে শুধু ঘৃণাই করছি। আসলে কিন্তু তা নয়। এ জীবনে আমি কখনোই কোন পাপীকে ঘৃণা করি না। আমি শুধু পাপকেই ঘৃণা করি। মানুষের সাথে আমার কোন শত্রুতা নেই। আমার যত শত্রুতা শুধু ইবলিশের সাথে।

আমার সহকর্মী হাফেজ ভাইটিকে আমি সত্যিই হাফেজ হিসেবেই মনেকরেছি। কারণ তিনি মসজিদের ঈমাম/মুয়াজ্জিন পোস্টে আবেদন করার জন্য বা যে কারণেই হোক বাড়ি থেকে তার হেফজ এর সনদপত্র ও অন্যান্য কাগজপত্র হোয়াটস এপে পাঠানোর জন্য তার বাড়িতে কয়েকবার ফোন করেছেন; যা আমি নিজ কানে শুনেছি। তাছাড়া তিনি নিজ মুখে আমাকে আযান ও অনেকগুলো শের শুনিয়েছেন। যার মাধ্যমে আমি তার গলাকে একজন বাঙ্গালের গলা হিসেবে মনে করতে পারি না। তাছাড়া তার পায়জামা-পাঞ্জাবী, দাঁড়ি-টুপি, চাল-চলন কিছুতেই একজন সাধারণ বাঙ্গালের পরিচয় বহন করে না।

আর মোহতম হুজুর, আপনি বলেছেন আপনি দাওরায়ে হাদিস পাশ। আপনাকেও আমি অবিশ্বাস করিনি। কারণ আপনার বেশ-ভূসা ও চাল-চলনের অনেক গুলো দিক আলেমদের মতোই।

তাছাড়া আপনারা যে পাপের কাজটি করে যাচ্ছেন, এ কাজটি মাদ্রাসায় না পড়ে, সাধারণত বাকিরা করতে সাহস করতে পারবে বলে বা চালিয়ে যেতে পারবে বলে মনে হয় না।

কিন্তু সমস্যা হচ্ছে, আপনাদের কোথায় যেন মহান রবের সাথে ভূল বুঝাবুঝি অথবা আপনাদের ঘাড়তেড়ামি অথবা অবাধ্যতা রয়েছে। তবে একেবারে অবিশ্বাস পর্যায়ে চলে গেছেন, এ কথা আমি মনে করি না।

একটু চিন্তা করুন, যে কাজটি করছেন!!! এর মাধ্যমে কি জলন্ত আগুন পেটে ভরছেন না?? যদি আপনারা আল্লাহকে বিশ্বাস করেন, তবে বিষয়টি আপনাদের সহজে বুঝে আসার কথা।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

দেখুন, আমি যতটুকু জানি, মৃত্যুর সময় একজন জুলুমকারী পাপী বান্দার মৃত্যু এমন ভাবে হবে যে, যেমন একজন জ্যান্ত মানুষের শরীর থেকে চামড়া গুলো একটি ভোঁতা চুরি দিয়ে আলাদা করে ফেলার মতো বা তার চাইতেও শত সহস্রগুণ যন্ত্রণাদায়ক হবে। আর শুধু মৃত্যুর সময়ই যদি এ ধরনের যন্ত্রণা হয়, তাহলে নি:সন্দেহে পরবর্তী ঘাটিগুলোতে এর চাইতেও বেশি যন্ত্রণা সইতে হবে। কিভাবে সইবেন ভাই? একটুও কি ভয় করে না?

আবার, ইহা ১০০% সত্য যে, যারা আল্লাহর মুমিন বান্দা তারা হয়তো জীবনে বিভিন্নমুখী পরীক্ষায় পড়বে, কিন্তু মহান রব তাদেরকে হেফাজত করবেন; এতে কোন সন্দেহ নাই। এ জন্য মহান রবকে ভূল বুঝতে, কিংবা ভূলে যেতে অথবা তার উল্টা চলতে হবে? আর যদি এ টুকু কষ্টই স্বীকার করতে না চান, তাহলে কেষ্ট কিভাবে পাবেন; বলুন? আসলে রবকে সেজদার মধ্যে যে শান্তি, তা পৃথিবীর আর কোথাও কি আছে?

যাক আমি আপনাদেরকে লিকচার শোনাতে চাই না। শুধু আপনাদেরকে আহবান করি এবং দোয়া করি আপনারা আমাদের মহান রব আল্লাহু তা’য়ালার দিকে ফিরে আসুন। তাওবা করুন।

অনুৃরোধ করি এবং আশা করি আপনারা হিংসাত্মক ভাবে, তাবিজ-তুমার, যাদু-টোনা-বান এবং প্রযুক্তির অপব্যবহার ইত্যাদির মাধ্যমে, আমার ও আমার সাইট সমূহের কোন ক্ষতি করতে চেষ্টা করবেন না। কারণ আপনারা স্পষ্ট বুঝতে পেরেছেন, আমি আপনাদের কোন ক্ষতি চাইনি। আমি শুধু চেয়েছি আপনারা এ ধরনের পাপ কাজ ছেড়ে দিয়ে সুখী ও সম্মানজনক হালাল জীবনে ফিরে আসবেন। এবং আমি যে আপনাদেরকে ভালোবাসি সেটিও আসলে আপনারা বুঝতে পেরেছেন।

আমার চরিত্রের এ সরল দিকটিকে পুঁজি করে, আশা করি আমায় কোন কষ্ট দেয়ার চেষ্টা করবেন না এবং সে সাথে নিজকে সংশোধন করতে প্রচেষ্টা চালাবেন, এ আশাবাদ ব্যক্ত করছি। কারণ এ পর্যন্ত অনেকেই আমার চরিত্রের এ দিকটি বুঝতে না পেরে আমার সাথে হিংসা বা শত্রুতা করছে। ধন্যবাদ।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

১৬। সুন্নাতি ব্যবহার, লেবাস পরিধান ও সাধারণ মানুষের প্রতি আহবান:

আমরা জানি, একজন সাধারণ মানুষ ও মুমিন হিসেবে, আমাদের জন্যে, আল্লাহু তা’য়ালাকে, রাসুলুল্লাহকে (সা:) এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদেরকে; মানে আলেম সমাজকে অনুস্বরণ করতে হবে এবং ইহাই আমাদের প্রতি মহান রবের ধর্মীয় নির্দেশ। আর প্রকৃত আলেম সাহেবানদের বেশির ভাগই লম্বা গোল জামা পরেন। দাঁড়ি-টুপি রাখেন।

এ জন্য অবশ্যই এ লেবাসটি সম্মানিত। গুটি কয়েক লেবাসধারী শয়তান মার্কা মানুষের কারণে, এ লেবাসটি অসম্মানি হতে পারে না। তবে আপনাদেরকে ভালো করে মনে রাখতে হবে যে, লেবাস কখনো মানুষ নয়। তাই আপনাদেরকে বিবেচনা করতে হবে ঐ মানুষটিকে; লেবাসকে নয়।

আপনারা নিচ্ছই খেয়াল করেছেন, গোলাপেও রয়েছে কাঁটা। তাই শুধু এ সুন্নাতি ব্যবহার ও গোল জামা এবং দাঁড়ি-টুপি দেখেই, এ জাতীয় কালেকশানকে ১০০% যদি সহীহ্ মনে করবেন, তাহলে কিন্তু আপনারা হয়তো ভূলও করতে পারেন।

বাংলাদেশের মানুষ, বুঝুক আর না বুঝুক, স্বভাবতই এরা মসজিদ-মাদ্রাসা প্রিয় এবং ধর্ম ভীরু। আর মানুষের এ মানসিক অবস্থাটিকে কাজে লাগিয়ে হাফেজ আলেমের রুপ ধরা বা অনেক ক্ষেত্রে বিপতগামী হাফেজ আলেমই আপনাদেরকে দিচ্ছে ধোকা। বিষয়টি যারা প্রকৃত হাফেজ-আলেম তাদেরকে যেমন বুঝতে হবে; সে সাথে বুঝতে হবে যারা এ নূরানী তরীকাকে ভালোবাসেন তাদেরকেও। এখানে অন্ধ প্রেমের কোন সুযোগ নেই। আবার কোন আলেম-হাফেজ যাতে অপমাণিত না হন, সে বিষয়েও হতে হবে সতর্ক।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

তাই এ বিষয়ে আমার পরামর্শ হচ্ছে, অপরিচিত এবং দূর-দূরান্তের ব্যক্তিদেরকে বা যে মাদ্রাসা-মসজিদ আপনি চিনেন না, এ ধরনের কোন মসজিদ মাদ্রাসায় বিশেষ কোন দান করবেন না। বিশেষ করে যখন দেখবেন অতি চাটুকারিতা করছে বা কোন মাজারের নাম শুনাচ্ছে, শুধু কোরআন শরীফ নিচ্ছে, টাকা-টুকা নিচ্ছে না; এ জাতীয় অতি রঞ্জীত কথা যখন শুনতে পাবেন, তখন তাকে টাকাতো দিবেনই না; ঐ এলাকা থেকে তাদেরকে বিতাড়িত করবেন। কারন যারা সক্ষমতা অনুযায়ী ১০ টাকা ২০ টাকা দিতে চায়, আর তারা নিবেনা বলে এবং লোকটি ও তার মাদ্রাসাটি আপনার অপরিচিত; এ রকম অবস্থার ব্যক্তিদেরকে পাকডাও করুন এবং বাড়টি নজরদারি রাখুন তাদের উপর।

এছাড়া কেউ নির্দিষ্ট কোন অপরিচিত আলেম-হাফেজের এ ধরনের কূ-কৃত্তির কথা বলতে চাইলে; আলেম হাফেজদের প্রতি অতি ভক্তির কারণে তা ঝেড়ে ফেলে দিয়েন না; আপনি আলেম হন আর বাঙ্গাল হন, মনোযোগ সহকারে শুনুন, লোকটি কী বলতে চায়।

নিজে সতর্ক হোন, অপরকে সতর্ক রাখতে সহযোগিতা করুন। মনে রাখবেন আলেম-হাফেজ তারাও মানুষ; তাদেরকেও শয়তান গ্রাস করতে পারে। তারাও হতে পারে দুনিয়ার পরীক্ষায় পরাস্থ।

তো দেশের সর্বস্তরের মানুষদের প্রতি আমার এই অনুরোধ থাকবে যে, আপনারা সতর্ক হোন, এ জাতিয় কালেকশন গুলোকে একটু পরখ করুন।

যাকে তাকে বিশ্বাস করে ফেলিয়েন না শুধু! এ ধুরন্ধর ও ঘৃণ্য চক্রকে ঘৃণা করুন; প্রমাণ সহ ধরতে পারলে ও সম্ভব হলে তাহলে দোষী ব্যক্তিকে দৃষ্টান্ত মূলক প্রকাশ্য শাস্তি প্রদান করুন। তিস্তা বাঁধ জামে মসজিদের ঈমাম সাহেবের মতো চুপ থাইকেন না। ইসলামকে আজ এরা বিকৃত ভাবে উপস্থাপন করছে সমাজের কাছে। অপমানিত করছে কোরআন শরীফকে। অপমানিত করছে রাসূলুল্লাহ (সা:) এর সুন্নাতকে। ভূলন্ঠিত করছে এরা আলেম হাফেজের সম্মান আর পরিচয়কে।

কিন্তু সাবধান! তাই বলে ঢালাও ভাবে সকল আলেম-হাফেজকে নিয়ে অসম্মান বা সন্দেহ করবেন না। এদের ভিতর হয়তো গুটি কয়েক বিপদগামী হতে পারে; সবাইতো আর নয়!!

সবাইকে খুব ভালো করে মনে রাখতে হবে, দুনিয়াতে আলেম-হাফেজেরাই সবচাইতে বেশি সম্মানিত।।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

১৭। প্রশাসনের নিকট আবেদন ও এ গল্পের সমাপ্তি:

আল্লাহ আমাকে হয়তো তাঁর অফার রহমতে হেফাজত করেছেন। আমি এই যে একটি জেহাদ করতে পারলাম এবং সেখান থেকে সম্পূর্ণ একাকী মান সম্মান নিয়ে অক্ষত অবস্থায় বাড়ি ফিরে আসতে পারলাম, (কারণ তারা পারতো হয়তো আমাকে শারীরীক মানসিক ভাবে ক্ষত-বিক্ষত করতে) এ জন্য মহান রবের নিকট কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। এবং সেসব ভাই বোনদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি, যাদের টাকায় কোন মতে হলেও এবং আজও আমার ও আমার পরিবারের জীবন ও জীবীকা চলছে। আলহামদুলিল্লাহ!

উপরে উল্লেখিত এ ঘৃণ্য প্রজাতির মানুষ গুলো, এরা দেশ ও দশের শত্রু। এরা ইসলাম ও মুসলিম উম্মার শত্রু। তাই প্রশাসনের নিকট আমার দাবী, এদেরকে ধরার জন্য, দেশের মানুষকে প্রতারণার হাত থেকে বাঁচানোর জন্য আপনাদেরকে প্রচেষ্টা চালাতে হবে এবং দিতে হবে এদেরকে কঠোর থেকে কঠোরতর শাস্তি।

যেহেতু আমি মনে করি জুয়াড়ি আর গাঞ্জড়ি ছেলে-মেয়ে, নেশাখোর ও বেশ্যালয়ের ছেলে-মেয়েরাও মনে হয় এদের থেকে ভালো আছে!!!

আর আমার ঈমাম সাহেব, যাদেরকে আমি ও আমরা সারা জীবন শ্রদ্ধা করেছি, যাদেরকে আজো শত-সহস্র মানুষ শ্রদ্ধা করে, তিনি এদের এ শয়তানী কর্ম এর বিষয়ে বলেন চুপ, চুপ। চুপ থাকো। প্রকাশ কইরো না।

কিন্তু হুজুর!! আপনাকে সম্মান করে বলি, আমি কিন্তু চুপ থাকতে পারিনি। প্রকাশ করেছি এবং যথা সম্ভব জেহাদ করেছি।

ধন্যবাদ সবাইকে। সকলে ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন ও সুন্দর থাকুন। কথা হবে হয়তো পরবর্তী কোন পোস্টে। আল্লাহ হাফেজ।

(শয়তানী কর্ম নামক বাস্তব এ গল্পটির বিষয়ে মন্তব্য করতে পারেন)

মা’আরেফুল কুরআন শরীফ পড়তে চাইলে

এখানে ক্লিক করুন

আবার শুদ্ধরূপে কোরআন তিলাওয়াত শিখতে

এখানে ক্লিক করতে পারে২